শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

জলবায়ু ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে কিশোরীর পিটিশন

  • সময় বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১৫ বছর বয়সী স্কুল ছাত্রীর উত্থাপন করা পিটিশনে সমর্থন জানিয়েছেন দেশের ১১জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং হাজারো মানুষ।  ২০১৯ সালের ১৩ই নভেম্বর জাতীয় সংসদে গৃহীত গ্রহজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণাপত্রটি বাস্তবায়ন এবং স্কুল শিক্ষাক্রমে জলবায়ু ও পরিবেশ শিক্ষা আরো বিস্তারিত আকারে অন্তর্ভুক্তির আহবান জানানো হয়েছে এই পিটিশনে।
আরুবা ফারুক, রাঙ্গামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী এবং ১৫ বছর বয়সী জলবায়ু ও পরিবেশকর্মী গত ১৯ মার্চ ২০২১ এই পিটিশন উত্থাপন করেন এবং  সোমবার (২৫শে অক্টোবর ) বিকেলে  রাঙ্গামাটির প্রধান ডাকঘরে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এই পিটিশন প্রেরণ করেন।
এই পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর পরিচালক অধ্যাপক সালেমুল হক,বিশিষ্ট পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত, বাংলাদেশ পরিবেশবাদী আইনবিদ সমিতির নির্বাহী প্রধান সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের প্রধান সমন্বয়ক সোহানুর রহমান, আইইউসিএন বাংলাদেশেরে জাতীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, সেভ দ্যা চিলড্রেন ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অনো ভ্যান ম্যানেন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অরলা মারফি, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ-বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সভাপতি সুলতানা কামাল,বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড.আতিক রহমান ও ২১০০ এর অধিক মানুষ।
“দেশের প্রতি আরুবার অনুকরণীয় অবদান দেখে আমি সত্যিকারেই মুগ্ধ হয়েছি।বাংলাদেশ সংসদ কর্তৃক গৃহীত গ্রহজনিত জরুরি অবস্থা বাস্তবায়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রমে জলবায়ু পরিবর্তনকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশের পিটিশনটিকে সমর্থন করতে পেরে আনন্দিত হয়েছি,” বলেন জলবায়ু বিজ্ঞানী অধ্যাপক সালিমুল হক।
বাংলাদেশ পরিবেশবাদী আইনবিদ সমিতির নির্বাহী প্রধান সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সমর্থন জানিয়ে বলেন,“আমি আমাদের তরুণ জলবায়ু যোদ্ধা আরুবার এই পিটিশনের প্রশংসা করি যা  যা আমাদের সংসদে গৃহীত  গ্রহজনিত জরুরি অবস্থা বাস্তবায়নের আহবান করে।যেহেতু আজকের তরুণেরাই জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হবে যদি রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যার্থ হয়।তাই আরুবার মতো একজন স্কুল শিক্ষার্থীর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে তাদের চাপ প্রয়োগের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করা আমাদের জন্য একটি আশার আলো।
পিটিশনটিতে স্বাক্ষর করে জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়ন অফ দ্যা আর্থ পুরষ্কার বিজয়ী ড. আতিক রহমান বলেন,“জলবায়ু পরিবর্তন একটি বাস্তবতা এবং আমাদের খুব সাবধানে এটি মোকাবেলা করতে হবে। আমাদের কোনো দ্বিতীয় পৃথিবী নেই।আমি সত্যিই আমাদের দেশের অবস্থা এবং সমগ্র জলবায়ু সংকটের উন্নতির জন্য নেওয়া এই উদ্যোগের প্রশংসা করি।
সেভ দ্যা চিলড্রেন ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অনো ভ্যান ম্যানেন এর মতে,“জলবায়ু পরিবর্তন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বেশি প্রভাবিত করছে।তাই শিশু এবং কিশোর-কিশোরী আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের সবচেয়ে বড় অংশিদার।আরুবার মতো শিশুদের এইরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রশংসামূলক ও উৎসাহ জাগানো।”এর আগে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর  অধ্যাপক আইনুন নিশাতের সভাপতিত্বে ও আরুবা ফারুকের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ গ্রহজনিত জরুরি অবস্থার বাস্তবায়নে আন্তঃপ্রজম্ন সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: