শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

গোবিন্দগঞ্জে প্রতারক আব্দুল মতিনের কৃতকর্মে এলাকাবাসী অতিষ্ট

  • সময় শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

কিডনি পাচার চক্রের সদস্য

শাহীন খন্দকার,গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের শিহিপুর গ্রামের আব্দুল মতিন কিডনি পাচারের উদ্দেশ্যে মিথ্যে বিয়ে করার প্রলোভন দিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে স্কুল ছাত্রীকে অপহরন করার অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, গত ৬ অক্টোম্বর উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের সূয্যাগাড়ী গ্রামের মৃত শবদুল ফকিরের ছেলে নূরুল ইসলাম এর মেয়ে ৮ম শ্রেণীতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীকে ফুসলাইয়া কিডনি পাচারের উদ্দেশ্যে মিথ্যে বিয়ে করার প্রলোভন দিয়ে রাস্তা থেকে অপহরন করেছে পার্শ¦বর্তী রাজাহার ইউনিয়নের শিহিপুর (আনন্দীপুর) গ্রামের শরিফ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মতিন (৪০)। অভিযোগে উল্লেখ গত ২ অক্টোম্বর নুরুল ইসলামের মেয়ে আমার বড় মেয়ের বাড়ী জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার সহ অজ্ঞাতনামা কয়েক জনের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এ অভিযোগ করে।

এ বিষয়ে সরেজমিনে জানা যায়, আব্দুল মতিন একজন কিডনি পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য। ইতি পূর্বে সে সু-কৌশলে নাম মাত্র মোহর ধার্য করে আরও কয়েকটি বিবাহ করেছে এবং জোর পূর্ব কিডনি পাচার করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে। তার এমন প্রতারনার শিকার হয়েছে এলাকার গরীব অসহায় পরিবারের কোমলমতি সুন্দরী মেয়েরা। তার এক স্ত্রী জয়পুরহাট জেলার কালাই থানার চেচুরিয়া গ্রামের মৃত জাহিদুল ইসলামের মেয়ে জেমি আক্তার জানান, বিগত ২০১৯ সালে আব্দুল মতিন সু-কৌশলে প্রতারনার মাধ্যমে আমাকে বিয়ে করে এবং বিভিন্ন অজুহাতে প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকা যৌতুক হাতিয়ে নেয়। বর্তমানে একটি ফুট ফুটে পুত্র সন্তান রয়েছে। তার এইসব অনৈতিক কাজে আমার সম্মতি না পাওয়ায় আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে গত ২৪ এপ্রিল ২১ ইং তারিখে বাবার বাড়ীতে পাঠাইয়া দেয়। এ বিষয়ে জেমি আক্তারের দ্বায়ের করা জয়পুরহাট জেলা বিজ্ঞ ৫ নং আমলী আদালতে ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, আব্দুল মতিন একজন কিডনি পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। গরীব অসহায় সুন্দরী মেয়েরা হচ্ছে তার মূল টার্গেট। তাদেরকে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে বিবাহ করে এবং সু-কৌশলে কিডনি পাচার করে। এ যাবত আব্দুল মতিন প্রায় ১ ডজন বিবাহ করেছে। মতিনের এমন কৃত কর্মের জন্য এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: