শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

পালংখালী ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রতিক পেতে মরিয়া টাকার বাজেট ও মোটা

  • সময় শুক্রবার, ১ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩২৭ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার ৫ ইউনিয়নের ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দাফে নির্বাচন, পালংখালী ইউনিয়ন বিএনপি ইউপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর আরও কোমর বেঁধে নেমেছেন উখিয়া ৫ টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। ৫ টি ইউনিয়নে ১০০ জনের মতো সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এখন টার্গেট শুধুই নৌকা। নৌকা প্রতীক পাওয়া মানেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া। প্রতীক পেতে নেতাদের কাছে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন জোরেশোরে।

সম্ভাব্য প্রার্থীরা উখিয়া উপজেলা ইউনিয়নের আনাচে কানাছে রঙিন পোস্টারে ছেয়ে ফেলেছেন। দলীয় নমিনেশন নিয়ে চলছে দরকষাকষি। মনোনয়ন বাণিজ্য নিয়ে ক্ষমতাশীন দলের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলছেন পালংখালী। আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা জানিয়েছেন, এবার দলীয় চেয়ারম্যান প্রতীক পেতে কমপক্ষে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত হাঁকিয়েছেন অনেকে। পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি ৫ বছরের বেশি হওয়ায় সাবেক নৌকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দিশেহারা।

সাবেক নৌকার পদপ্রার্থী চেয়ারম্যানরা নমিনেশন না পাওয়ার আতঙ্কে ভুগছেন টাকার বাজেট নেই বলে। এবার বিএনপি ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণার পর আওয়ামী লীগের শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থীরা নেমেছেন কোমর বেঁধে। দলীয় নমিনেশন না পেলে ৫ টি ইউনিয়নে একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হাট-বাজার ও ছোট ছোট চায়ের দোকানে চলছে নির্বাচনী হাওয়ার গল্প। কে পাবে এবার নৌকার টিকিট।

পালংখালী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মনজুর সাধারণ সম্পাদক ফজল কাদের ভুট্টো নৌকার প্রতিক পেতে মরিয়া এদিকে গতবারের নৌকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাদাত হোসেন জুয়েল ও রয়েছে সর্বোচ্চ আলোচনায়, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলী আহমেদ নৌকা পেতে মরিয়া,আরও রয়েছেন আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিন সময় দেওয়া নেতা এডভোকেট জমির, মোজাফফর আহমদ মেম্বার।
পালংখালী ইউনিয়নে নৌকার টিকিট পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন সবাই
তবে সাধারণ ভোটারের মধ্যে কথা ভিন্ন নৌকা যদি টেকনাফ উপজেলার মতো অযোগ্য প্রার্থী কে দেওয়া হয়,ভরাডুবি হবে।

এই বিষয়ে সাবেক নৌকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাদাত হোসেন জুয়েল দাবি গতবারের নির্বাচনে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি পর্যন্ত ভোট দেয়নি নৌকায়, এবং বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে চেয়ারম্যান হতে পারিনি তখন বিএনপি ও মাঠে ছিল, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আলী আহমেদ এর দাবি তিনি দীর্ঘদিন ধরে জনগণের পাশে রয়েছেন এবার নৌকার প্রতিক পেলে নিশ্চিত চেয়ারম্যান।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দাবি তিনি ও দীর্ঘদিন রাজনৈতিক করছেন নৌকার প্রতিক পেলে নিশ্চিত চেয়ারম্যান,পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ফজল কাদের ভুট্টো তিনি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ করে বিএনপি সরকার আমলে বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার হয়েছে,এবার প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা তাহাকে নৌকা দিলে বিজয় নিশ্চিত।

বিশেষ সুত্রে খবর পালংখালী ইউনিয়ন থেকে নৌকার প্রতিক পেতে অনেক দিন আগে থেকে টাকার বাজেট হয়ে গেছে, টাকা দিলে নাকি নৌকা পাওয়া যায় এবং টাকা দিলে নৌকার চেয়ারম্যান হওয়া যায় যেমন টা টেকনাফ উপজেলায় টাকার বাজেট কেউ ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছে, টাকা পাইনি ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়নি এমন নেতার কথা শুনা যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: