রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

ওআব্বা ওব্বারে মেরোনা আমার মাকে, আমার দাদু মনিকে! ছোট মুনো

  • সময় শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫২৫ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত ডেক্স:
কক্সবাজার বুধবার ৮সেপ্টেম্বর২১ উখিয়া হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ইয়াবা সম্রাট ও কুখ্যাত সন্ত্রাসী আলী আহাম্মদ নিজের জন্মদাতা মা, ৯ম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে বড় মুনো (১৪), নার্সারিতে পড়ুয়া ছোট মুনো (৬)এবং নিজ স্ত্রী জুলাখা আক্তার (৩০)কে সারা রাত অস্ত্রের মূখে হত্যার উদ্দেশ্যে অমানুষিক নির্যাতন (মারপিট) করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় দুই জন ব্যক্তি সাংবাদিক কে জানান রাত আনুমানি ১২টা হবে আমার স্ত্রী হঠাৎ আমাকে বলে হে শুনেছ? কিরে? কাঁন্নার শব্দ! আমি জাগ্রত হয়ে বাড়ির জানালা খুলে স্ত্রী, ছেলে সহ ভাল করে শুনলাম কাঁন্না আওয়াজ কোথায় থেকে হচ্ছে। শুনতে পেলাম আলী আহাম্মদ এর আওয়াজ মেরে পেলব আজ, গুলি করে মেরে পেলব আজ। ভাল করে রপ্ত করার জন্য দরজা খুলে তার বাড়ির কিনারায় গিয়ে আমরা ৫জন ভাল করে প্রায় ২ঘন্টা তাদের নির্যাতনে কথা শুনেছি। এবং আমরা ছাড়া কাঁন্নার আওয়াজ মোহাম্মদ রশিদ সওদাগর বাড়ি, শাহ আলাম সওদাগর বাড়ি, আলী আহাম্মদ সওদাগর বাড়ি সহ পাশের অনেকে শুনেছে । আলী আহাম্মদ কন্ঠে তোদের গুলি দিয়ে মেরে পেললে কি হয়? এখনও মাত্র ৮, ১০টা মামলা। তোদেরকে মারলে না হয় আরও ১টা মামলার আসামি হতে হবে। না হয় আরও ১টি মামলা খাব তাতে কি হবে আমার। বাল কে কি করতে পারবে। মা বলে বাবা আর মেরোনা আমাকে আমি সকাল তোর বাড়ি থেকে চলে যাব , মেয়ে বলে আব্বা ওআব্বা ওআব্বারে মেরোনা আমাকে! আমার মাকে আমার দাদু মনিকে! স্ত্রী কাঁন্না করেকরে বলে আপনি আমাকে নির্যাতন করেন সমস্যা নাই তাদেরকে (মেয়ে দুইজন)কে আমার শ্বাশুড়ি বৃদ্ধকে নির্যাতন করিয়েন না। প্রয়োজনে আমরা ভাইদের বাসায় চলে যাব বিক্ষা করে করে খাব। আমাদের জীবনটা বিক্ষা দাও প্লিজ আমার, মেয়ে, শ্বাশুড়ি জীবনটা বিক্ষা দাও। প্লিজ বিক্ষা দাও, বিক্ষা দাও। তারা আরও বলে সাহাব মিয়ার ছেলে আলী আহম্মদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি ও দশ থেকে বারটি মামলার আসামী। বর্তমান ৪টি ইয়াবা মামলা আসামি। গত মাসেও দুইটি ইয়াবা মামলা হয়েছে নতুন। সে আর কি করবে কিছু করতে না পেরে পরিবারকে অন্যায় ভাবে নির্যাতন করছে। ২০২০সালের রত্মা পালং ইউনিয়নের ফোর মার্ডার মত আলী আহাম্মদ কখন সপরিবারকে হত্যা করে বসে আল্লাহ জানে। এখনো সময় আছে প্রশাসন থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। জানাগেছে আলী আহাম্মদ ও সম্বন্ধী রাজ্জাক গং মিলে যৌতভাবে ইয়াবা ব্যবসা করে। বোন কে নির্যাতন করক তাদে ভাইদের কোন কিছু যায় আছে না। তাদের ব্যবসা ঠিক রাখার জন্য বোনকে নির্যাতন করলেও কোন বাধা-বিপত্তির নাই । কারণ বাধা-বিপত্তি করলে ইয়াবা ব্যবসার সুযোগ পাবেনা গোপন তথ্য প্রকাশ হয়ে যাবে। বোন কে তাদের নির্যাতন করার পর জাহেলি কায়েদায় বাড়ি বন্দী করে রাখে ভাইদের কোন খবর থাকেনা। আইনের আশ্রয়েই নিতে গিয়ে কয়েকবার ব্যর্থ ও হয়েছে। বক্তব্য নিতে ভিকটিমদের বাসায় নির্যাতনের কারণ জানতে গেলে দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। বাড়ির ভিতর থেকে সাউন্ড আছে তাদেরকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছে বাড়িতে নাই। কিসের বালের সাংবাদিক তাংবাদিক। আলী আহাম্মদের নম্বরে কথা বলার জন্য অনেক বার চেষ্টা করার পরেও মোবাইল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নাই। হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আলহাজ্ব ফজল করিম সওদাগর জানান আলী আহাম্মদের মা সহ পরিবারকে নির্যাতন কথা সঠিক হতে পারে। আমাকে কেহ অভিযোগ করে নি। আলী আহাম্মদ সন্ত্রাস ও ইয়াবা ব্যবসায়ী ও নেশা সেবনকারি কখন কি করে বসে। থানার সূত্রে জানা গেছে আলী আহাম্মদ থেকে ৪টি ইয়াবা মামলা সহ অপহরণ, হত্যার চেস্টা, নারী নির্যাতন মানবপাচার সহ ৮টির অধিক মামলা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: