রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

ছাত্রলীগ নেতার সাইবার বুলিংয়ের শিকার ইবির ৭৩ ছাত্রী

  • সময় শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১
  • ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক ছাত্রলীগ নেতার সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ শিক্ষার্থী।শুক্রবার রাতে একটি ফেসবুক পেজে আপত্তিকর ক্যাপশন জুড়ে ৭৩ জন ছাত্রীর ছবি প্রকাশ করে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মিজান বিশ্বাস।

জানা যায়, মিজান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ভুক্তভোগী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ‘ক্রাশ অ্যান্ড কনফিউশন ইসলামী বিশ্ববিদ্যাল বাংলাদেশ’ নামে একটি ফেসবুক পেজে আপত্তিকর ক্যাপশন জুড়ে ৭৩ জন ছাত্রীর ছবি পোস্ট করা হয়।

এতে ক্যাপশনে লেখা ছিল- ‘ইবি কাঁপানো সকল সুন্দরী এক সাথে, ইমো নম্বর পেতে লাভ রিয়েক্ট দিয়ে সাথেই থাকুন।’ পোস্টটি দেখার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে পোস্টকারীর বিচার দাবি করেন ভুক্তভোগী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে তোপের মুখে পোস্টটি সরিয়ে ফেলে দুঃখ প্রকাশ করে পেজ কতৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পেজের ক্রিয়েটর এবং একমাত্র অ্যাডমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা মিজান বিশ্বাস। তিনি স্থানীয় খোকসা উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য। এছাড়া ক্যাম্পাস শাখা ছাত্রলীগের সাথেও জড়িত মিজান। তার এই কর্মকাণ্ডে বিব্রত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরাও।

হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভুক্তভোগী এক ছাত্রী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘ঘুম থেকে উঠেই আমার ছবিসহ ৭০-৮০ জন মেয়ের ছবি ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পেজে অশ্লীল ঈঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দেখে হতবাক হয়ে গেছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগেকার হয়রানির ঘটনার বিচার করেনি জন্য এর পুনরাবৃত্তি ঘটছে, আরো ঘটবে।’

অভিযুক্ত মিজান বিশ্বাস বলেন, ‘এটা ডাবল মিনিংয়ের পোস্ট। ফান করে দিয়েছি। ইমো নম্বর দেয়া তো ভাইরাল ডায়লগ। তবুও আমার ভুল হয়েছে ; আমি সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি’। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। ভিসি স্যারকে জানিয়েছি। তিনি আইটি সেলে একটি নোট পাঠাতে বলেছেন, আমরা অলরেডি পাঠিয়েছি। আইডিগুলো শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ করলেও কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: