মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

বাঘায় কঠোর লকডাউনের কারনে কমেছে সবজির দাম,দুশ্চিন্তায় চাষী

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

রবিউল ইসলাম,রাজশাহী ব্যুরোঃ
দেশব্যাপী চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই চলমান কঠোর লকডাউনের কারনে যান চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় বিপাকে পড়েছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কাঁচা সবজি উৎপাদনকারী চাষীরা। এ উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চল সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমানে নানা রকম কাঁচা সবজির আবাদ হয়ে থাকে। এ-ই সব সবজি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করে থাকে সবজি ব্যবসায়ীরা। কঠোর লকডাউনে অনেক সবজি চাষীরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সবজি রপ্তানি করতে পারছে না। তবে বর্তমানে কাঁচা সবজির ব্যাপক উৎপাদন হওয়ায় দাম সাধারণ মানুষের নাগালে। সবজির দাম তুলনামুলক ভাবে কম হওয়াতে চাষিরা লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেনা। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বাঘা বাজার ঘুরে জানা যায়, কাঁচামালের ব্যাপক সরবরাহ রয়েছে। তবে এর বিপরীতে দাম তুলনামুলক অনেক কম। যেমন- পটল পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৭ – ৮ টাকা কেজি যা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০-১২ টাকায়। বেগুন পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫-৮ টাকা কেজি,খুচরা ১৫ টাকা। লাউ প্রতি পিচ ১০ টাকা করে খুচরা বাজারে ১৫-২০ টাকা। শষা পাইকারি বাজার ১০-১২ যা খুচরা বাজারে ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা খুচরা বাজারে বিভিন্ন ভেদে ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৪০ পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ধুন্দল খুচরা বাজারে ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে যার পাইকারি মূল্য ৫ -৬ টাকা কেজি। কচু পাইকারি প্রতি কেজি ২০ টাকা আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা দরে। এছাড়া পিয়াজ, রসুন,পুইশাক,লাল শাক, পেপে, কাচা কলার দাম সহনীয় পর্যায়ে আছে। অন্যান্য কাঁচা সবজির ব্যাপক সরবরাহ থাকায় প্রায় সবজির দাম তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। কাঁচা মরিচ দাম আগের থেকে কিছুটা বেড়ে ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে যা গত সপ্তাহে ২০-৩০ টাকা কেজি ছিল। কয়েকজন উৎপাদনকারী চাষির সাথে কথা বললে তারা জানান, এমন দামে মোটেও তারা লাভবান হচ্ছে না বরং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।সার,বিষ, শ্রমিক ও পরিবহন খরচ দিয়ে হিসাব করলে বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে হবে। অপরদিকে কাঁচা সবজি ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কম দামে মাল ক্র্য় করে তারাও তেমন ব্যবসায় লাভ করতে পাচ্ছেন না,পরিবহন ও খাজনা খরচ মিলে মালের (সবজির) দাম বেশি পড়ে সেই অনুযায়ী মালের চাহিদা কম। দাম কম থাকায় সবজির বাজারে ক্রেতার মনে স্বস্তি থাকলেও হাসি নেই উৎপাদনকারী চাষির মুখে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: