সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

ভারুয়াখালী হুন্ডি ব্যবসা,প্রবাসী আব্দু খালেকের পরিবারের নিয়ন্ত্রণে

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
  • ২০৯ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত রিপোর্ট::
হুন্ডি ব্যবসা সব সময়ই একটি লাভ জনক ব্যবসা কিন্তু হুন্ডিবাজরা লাভবান হলেও সরকার হারাচ্ছে বিপুলসংখ্যক রাজস্ব। আর হুন্ডি সিন্ডিকেট বনে যাচ্ছে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বড় চৌধুরীপাড়া আব্দুর রহিম (প্রকাশ রশিদ আহমদ)পুত্র সৌদি প্রবাসী আব্দুল খালেকের নিয়ন্ত্রণে চলছে রমরমা হুন্ডি ব্যবসা। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদে হুন্ডিতে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রবাসী আব্দুল খালেকের পরিবার প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে হুন্ডি ব্যবসা। যুগযুগ ধরে তারা হুন্ডি ব্যবসায় জড়িত থাকলেও রয়ে গেছেন অধরা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভারুয়াখালীতে দীর্ঘদিন ধরে এই পরিবার হুন্ডি ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। তারা সরকারকে লাখ লাখ টাকার রেমিট্যান্স ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে হুন্ডি ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণের অর্থের মালিক বনে গেছে। দিনের পর দিন বিদেশে থেকে চোরাই পথে টাকা পাচার করে আসছে সৌদি প্রবাসী আব্দুল খালেকের সিন্ডিকেট। তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করেই আন্তর্জাতিক হুন্ডি মাফিয়াদের সাথে যুক্ত হয়ে অবৈধ এ হুন্ডির কারবার চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এলাকায় এই পরিবার হুন্ডি পরিবার হিসাবে বেশ পরিচিত মুখ। জানা যায়, আব্দুর রহিম পুত্র আব্দুল খালেক সৌদি আরবের রয়েছেন দীর্ঘদিন। সেখান থেকে বসেই প্রতিদিন কোটি টাকা অবৈধভাবে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ থেকে প্রবাসীদের টাকা বিভিন্ন দেশ হয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে হুন্ডি ব্যবসা চালিয়ে আসলেও পুলিশ বা প্রশাসনের কোন দপ্তর এ পর্যন্ত এই হুন্ডি ব্যবসায়ীদের বুঝতেও পারেনি। ফলে এ অবস্থার কারনে ভারুয়াখালী বর্তমানে হুন্ডির অবৈধ লেনদেন বেড়ে চলছে। কিন্তু সঠিক দায়িত্বের অভাবে সরকার হারাচ্ছে বিপুল টাকার রাজস্ব। পবিত্র ঈদুল আজহার সামনে রেখে চলতি মাসে প্রবাসীরা হুন্ডির মাধ্যমে পরিবার পরিজনের কাছে কোটি টাকা লেনদেন করছে। প্রবাসী খালেকের পিতা রশিদ আহমদ ও ছোট ভাই শামসুল আলম দেশে বা এলাকায় হুন্ডি ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এরা দুজনই এখানে নিয়ন্ত্রণের প্রধান। আব্দুর খালেক সৌদি আরবে বসে প্রবাসীদের থেকে কম মূল্য টাকা সংগ্রহ করে বেশি টাকা লাভ করে তারপর দেশে থাকা পিতা ও ভাইদের মাধ্যমে হুন্ডির টাকা মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়। মাঝে মাঝে কিছু ভেজাল নোট দিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করে এমন অভিযোগও পাওয়া যায়। কয়েক জন প্রবাসী ও তাদের পরিবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঝুঁকি থাকলেও হুন্ডির মাধ্যমে পাঠানো টাকা সহজে পাওয়া যায়। আর ব্যাংকে মাধ্যমে টাকা পাঠানো হলে সময় ক্ষেপন হয়, ব্যাংকে গিয়ে সময় ক্ষেপন ও হয়রানীর শিকার হতে হয় বলে তারা হুন্ডির মাধ্যমে টাকা দিয়ে থাকে। প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী, তারা প্রকাশ্যে হুন্ডির টাকা বাড়ি বাড়ি পৌছে দেন। আমার অনেক আত্মীয় এই হুন্ডি আব্দুর খালেক এর মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে আসছে। গেল রমজান ঈদ উপলক্ষে কয়েক কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে পাঠিয়েছে বিভিন্ন প্রবাসী পরিবারে। হুন্ডি ব্যবসায়ী রশিদ আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি হুন্ডি ব্যবসার কথা স্বীকার করেন তিনি বলেন আমার পূর্বের ব্যবসা খুব বেশি ছিল লক্ষ কোটি টাকার লেনদেন হতো বর্তমানে আমার টাকার পরিমাণ কমে আসাতে ব্যবসাও ছোট হয়ে আসছে এমনটা স্বীকার করেন। দুর্নীতি ঠেকাতে হুন্ডির ব্যবসায়ীদের মত অবৈধ পথে অর্থ পাচার রোধেও হুন্ডি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠিন আইন করেছে সরকার। এই সব আইনের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে হুন্ডি ব্যবসা চালিয়ে কোটিপতি বনেছে । এসব হুন্ডি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: