সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

পালংখালীর মাদক ব্যবসায়ী মৌলভী বশর ও জুলফিকার ধরাছোঁয়ার বাইরে

  • সময় শুক্রবার, ২ জুলাই, ২০২১
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
উখিয়া–টেকনাফ সীমান্ত ও ক্যাম্প ভিত্তিক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের জনক ও ইয়াবা গডফাদার পালংখালীর মৌলভী খাইরুল বশর ও তার সেকেন্ড ইন কমান্ড মৌলভী জুলফিকার।ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাচার হয় তাদের ইয়াবার চালান,রয়েছে একটি বড় পাচার সিন্ডিকেট, তাদের মাধ্যমে পাচার হয় ইয়াবার বড় বড় চালান,আর এই ইয়াবা পাচার কাজে ব্যবহার করা হয় একটি সংঘবদ্ধ মৌলভীর দল।এই দল মৌলভীর ছদ্মবেশে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা পাচার করছে পুরোদমে। তাদের সিন্ডিকেটের লোকজন বিভিন্ন সময় ইয়াবাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে ইয়াবাগুলোর মূল মালিক বশর ও জুলফিকার।এই জনকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ইয়াবা পাচার সহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি টিম লোহাগাড়া আধুনগর থেকে ১০ ইয়াবা সহ সৈয়দ হোছন নামক যে ছদ্মবেশী মৌলভীকে গ্রেপ্তার করেছে,আসলে ইয়াবাগুলোর মূল মালিক মৌলভী বশর ও জুলফিকার। এইভাবে তাদের ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে সৈয়দ হোছন সহ আরো অনেকে আটক হয়েছে। এইসব ইয়াবা বহনকারীদের মাধ্যমে ঢাকা সহ সারাদেশে ইয়াবা পাচার করে বশর ও জুলফিকার রাতারাতি হয়ে গেছে কোটিপতি। জানা যায়,একসময়ে মৌলভী বশর অল্প টাকায় মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন,অল্প টাকা আয়ে তার সংসারে লেগে থাকতো অশান্তি।পরে সংসারের অভাব গোছাতে পালংখালী বাজারে একটি ছোট পানের দোকান দিয়ে কোনরকম সংসার চালিয়ে আসছে।দোকান করার সুবাদে পরিচয় হয় অনেক ইয়াবা ব্যবসায়ীর সাথে,পরিচয় থেকে ধীরে ধীরে ধাবিত হয় ইয়াবা কারবারে,অল্পসময়ে কোটিপতি হওয়ার নেশায় পুরোদমে শুরু করে ইয়াবা ব্যবসা।তাকে আর পিছনে থাকাতে হয়নি,আজ ইয়াবার বদৌলতে বশর শূন্য থেকে কোটিপতি।তার রয়েছে নামেবেনামে জায়গা সম্পত্তি সহ লাখ লাখ টাকার গাড়ি বাড়ির মালিক। একসময়ে মৌলভী বশর এর ইয়াবা সর্গরাজ্যে নতুন করে যুক্ত হোন মৌলভী জুলফিকার। বনে যান বশরের ব্যবসায়ীক পার্টনার,সেও ইয়াবাসহ ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ছিল,কিন্তু জামিনে বাহিরে এসে ফের চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা,বশরের অবর্তমানে পুরো সিন্ডিকেট পরিচালনা করে জুলফিকার।তাকেও আর পিছনে ফিরতে হয়নি, সেও আজ ইয়াবার ছোঁয়ায় কোটিপতি। সচেতন মহলের অভিযোগ, অচিরেই মৌলভী খাইরুল বশর ও জুলফিকার সহ পুরো সিন্ডিকেটকে আইনের আওতায় আনা না হলে এলাকার উঠতি বয়সী ছাত্র ও যুবসমাজকে রক্ষা করা কখনো সম্ভব হবে না। তাই তাদের গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশ সুপার ও র‌্যাব ১৫ এর হস্তক্ষেপ কামানা করেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: