শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

ইয়াবা সম্রাট খ্যাত কলিম উল্লাহ বাহিনী ফের বেপরোয়া! প্রশাসনের নজরদারি জরুরি

  • সময় শুক্রবার, ৪ জুন, ২০২১
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার;

দেশব্যাপী মাদক বিরুধী অভিযান চলাকালে যে সকল মাদক কারবারি এলাকা ছাড়া হয়েছিল তারা সম্প্রতি কক্সবাজার প্রশাসনের গণ বদলি ও মাদক বিরুধী অভিযান শিথিল হওয়ার পর আবারও নিজ নিজ এলাকায় ফিয়ে দাপিয়ে মাদকের কারবার করেযাচ্ছেন। তার মধ্যে অন্যতম কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও থানাস্থ ইসলামবাদ ইউনিয়নের খোদাই বাড়ি এলাকার সরদার বদরুলের ছেলে কলিম উল্লাহ (২৮)। কর্মহীন বেকার কলিম উল্লাহ জীবিকার তাগিদে ৫/৬ বছর আগে ঈদঁগাও খোদাই বাড়ির নতুন রাস্তার মাথায় ছোট্ট পরিসরের একটি ভাঙ্গারির দোকান নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। ভাঙ্গারির ব্যবসা শুরু করার ২/৩ বছর পর সে তার মাল ঢাকা-চট্রগ্রাম এর পাইকারদের কাছে বিক্রয়ের সুবাদে পরিচয় ও সু-সম্পর্ক গড়ে তুলেন ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সাথে। তখন থেকে অল্প কিছুদিন ভাঙ্গারির সাথে করে ইয়াবা পাচার করলেও সময়ের পরিবর্তনে নিজেও বনে যান বড় মাপের ইয়াবা ব্যবসায়ী! আর বন্ধ করে দেন ভাঙ্গারির ব্যবসা, শুরু করেন পুরু দমে ইয়াবা ব্যবসা। তার পর থেকে আর পিচনে তাকাতে হয়নি কলিম উল্লাহর। এখন তার রয়েছে কয়েকটি গাড়ি, চট্রগ্রামে করেছে বাড়ি, কক্সবাজার শহরে সহ কয়েকটি জমি। খোঁজ নিয়ে জানা যায় কলিম উল্লাহর নামে কয়েকটি মাদকের মামলা রয়েছে। মামলা থাকার পরেও সে আইনশৃংখলা বাহিনী হাত থেকে অদৃশ্য ভাবে বেচেঁ যায়তো তাম মস্মা জাফর আলমের জন্য। জাফর আলম ছিলেন ঈদগাঁও পুলিশ ফাড়ির তৎকালীন তদন্ত অফিসার আব্দুল কাদের ভূঁইয়ার নিজস্ব গাড়ি চালক। খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায় আইনশৃংখলা বাহিনী মাদকের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি অবস্থান নিলে কলিম উল্লাহ এলাকার বাহিরে থেকে তার নিজস্ব বাহিনীর মাধ্যমে তার ইয়াবার সাম্রাজ্য চালিয়ে যায়। তার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অন্যতম হলো একই এলাকার মৃত শাহা আলমের ছেলে আবুবকর ছিদ্দিক ইমন (২৮), মৃত ঈদ্রিস মাস্টারের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (২৬), মৃত হাবিবুর রহমান মাস্টারের ছেলে লাভলু (৩৮)। তাদের মধ্যে গ্যাংলিড়ার হলো আবুবকর ছিদ্দিক ইমন! ইমনের কাজ হলো চৌফলদন্ডীস্থ জৈনক এক রাখাইনের কাছথেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে এনে কিছু ঈদগাঁস্থ খুচরা ব্যবসায়দের জন্য সরবরাহ করে বাকি গুলো বিভিন্ন উপায়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করে দেওয়া। ইয়াবা খুচরা ব্যবসায়ীদের ভাগ করে দেওয়া এবং টাকা সংগ্রহের কাজে সহযোগি হিসেবে থাকেন তৌহিদুল ইসলাম। আর খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম হলেন লাভলু। এই বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জনপ্রতিনিধি জানান “তাদের নেয় কোনো চাকরি, নেই কোনো দৃশ্যমান ব্যবসা বাপের তেমন কোনো সহায় সম্পত্তি ও নেই তবে কিভাবে তারা এতো বিলাসিতায় জীবন যাপন করে? আমি আমার এলেকার কয়েকজন সচেতন লোকদের নিয়ে মাদক বিরোধী অবস্থান নেওয়াতে আমি আর আমার এক সহযোগিকে তাদের পরিবারের মহিলাকে দিয়ে মিথ্যে নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে হয়রানি করেছিল আমাদের।সেই মামলা থেকে আমি ২০২০ শালে খালাস পাই। কিছু বড় বড় সমাজ পতিদের আশ্রয়ে তারা অবৈধ কর্মকাণ্ড চালায় বলে শুনেছি তাদেরকে তারা নিয়মিত মাসোহারা ও নাকি দেয়, তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশে কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়না।” অত্র এলাকার সচেতন মহলের দাবী মাদক ব্যবসায়ী যত ক্ষমতাবান হউক তাদের কে যেন আইনের আওতায় আনা হয়।

সম্পর্কিত খবর:

মাদকের অভয়ারাণ্য সদরের ঈদগাঁও

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: