শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

বটতলীর ভাইভাই সিন্ডিকেট অধরা,লালুর মূল গডফাদার

  • সময় মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪৯৬ বার পড়া হয়েছে

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বটতলী গ্রামের  ইয়াবা সম্রাট মৃত শহর মুল্লুক এর দুই ছেলে সোনা মিয়া ও তার ভাই এনাম এর সিন্ডিকেট,সম্প্রতি সময়ে  তাদের দেওয়া ইয়াবা নিয়ে র‍্যাব এর হাতে আটক হয়ে  কারাগারে গিয়েছে বটতলী এলাকার মোনাফের পুত্র খায়রুল ইসলাম লালু।

তাদের সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে বেশ কিছু দিন ধরে বটতলী  এলাকায় ঘুরে ফিরে বীরদর্পে বেচাঁবিক্রী চালিয়ে যাচ্ছেছিল ইয়াবা ট্যাবলেট। চালান হচ্ছে বৃহত্তর রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও কক্সবাজার শহরে
সুত্রে জানা যায়, সোনা মিয়া ও এনাম প্রশাসনের চোখে না পড়ে নিত্য নতুন যুবক ছেলেদের দিয়ে বটতলী বসে থেকে চালিয়ে যাচ্ছেছিল ইয়াবা কারবার তাদের মত মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘুরে বেড়াচ্ছে আইন -শৃংখলা বাহিনীর নাকের ডগায়।

সে জিরো থেকে ইয়াবার উছিলায় এখন কোটিপতি । লালুর পরিবার থেকে জানা যায় তাহার ছেলে কখনো এমন কাজে জড়িত নয় এবং ছিল না ঐদিন লালু কে একজনের কাছথেকে পাওনা টাকার জন্য যা-ই বলে সাথে নিয়ে সোনা মিয়া পালিয়ে গেছে, তবে এর সাথে জড়িত আরও রয়েছে বলে জানান লালুর পরিবার,
তবে এই বিষয় নিয়ে স্হানীয় ভাবে কয়েক বার বৈঠকে বসার চেষ্টা করে থা সফল হয়নি তাহারা গাঁ ডাকা দিয়ে রয়েছে।

সোনা মিয়া তার ভাই এনাম  একেক সময় একেক রকম ইয়াবা পাচারের পদ্ধতি ব্যবহার করে সারাদেশে ইয়াবা পাঠাচ্ছে।পালংখালী আঞ্জুমান পাড়া সরাসরি মায়ানমার কেন্দ্রীক মাদক কারবারি  হওয়ার সুবাদে স্থানীয় ইয়াবা গডফাদারদের সাথে গড়ে তুলেছে ইয়াবা ব্যবসার বিশাল সিন্ডিকেট।
এলাকায় প্রভাবশালী হওয়াতে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলছে না কেউই।সে গত কয়েক বছর আগেও চায়ের দোকানে বসে বসে গল্প করে চিংড়ী মাছের প্রজেক্টে জাল মারতেন এখন ইয়াবার ছোঁয়ায় কোটিপতি।

সচেতন মহলের দাবী এইসব অবৈধ ইয়াবা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রশাসনের আরো কঠোর নজরদারী প্রয়োজন, স্থানীয়দের দাবী বটতলী এলাকা এখন ইয়াবার স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে  ইয়াবা গডফাদারকে আইনের আওতায় না আনলে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।
এই বিষয়ে সোনা মিয়ার ভাই বশির আলম এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে লালুর বিষয়ে ঘরে ঘরে বসে শেষ করবেন বলে জানান।

উখিয়া থানার তদন্ত অফিসার কর্মকর্তা গাজী সালাহউদ্দীন বলেন,মাদকের বিরুদ্ধে উখিয়া থানা পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ ভূমিকায় আছে। আমারা মাদকের খবর পেলেই ছুটে যাচ্ছি কেউ রেহাই পাবে না সেই যে হোক  আইনের আওতায় আসতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: