শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

বৃহত্তর ঈদগাঁওতে দালাল ফিরোজ রুনা দম্পতির কলহ চরমে,

  • সময় শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ১২০৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক::
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও থানার বিখ্যাত দালাল ফিরোজের কু-নজরে পড়ে, বলি মনসুরের ছেলে মুর্শেদের স্ত্রী রুনার দিকে, তখন থেকে শুরু হয় রুনার সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা, শুরু হয় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রুনাকে রঙ্গিন স্বপ্ন দেখিয়ে মোরশেদকে ফাঁসানো। তাতে সফল হয় দালাল ফিরোজ। সুযোগ বুঝে মোরশেদকে একদিন দাওয়াত করে নিয়ে আসে রুনার বাড়িতে। কৌশলে মোর্শেদকে রুনার সহায়তায় অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে তুলে দেয় দালাল ফিরোজ। তারপর থেকে একের পর এক কৌশল অবলম্বন করে রুনাকে নিজের কব্জায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয় দালাল ফিরোজ। কোনো বৈধ কাবিননামা ব্যতীত শুধুমাত্র নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প চুক্তি করে বিয়ে করে রুনাকে, তাদের দাম্পত্য জীবন চলতে থাকে। এসুযোগে ফিরোজ রুনাকে ব্যবহার করে নিজের ফায়দা হাসিল করতে শুরু করে। এসব অপকর্মের রুনা রাজি না হলে তাতে অর্থের লোভ ও ভয় দেখিয়ে করতে বাধ্য করে। যখন রুনা বুঝতে পারে ফিরোজ শুধু নিজের প্রয়োজনে তাকে ব্যবহার করতেছে তখন থেকে রুনা নিজ অধিকার আদায়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে ফিরোজ কে। একটি বৈধ কাবিননামা ও থাকার জন্য ঘরবাড়িসহ ভরণপোষণের জন্য। ফিরোজ রুনাকে কিছু হাত খরচের টাকা দিলেও অদ্যবধি বৈধভাবে কোন কাবিননামা দিয়ে একজন স্ত্রীর পূর্ণাঙ্গ অধিকার দেয় নাই বলে জানা গেছে। রুনার অভিযোগ ফিরোজ চাই না রুনা ভালো ভাবে জীবন যাপন করুক। গতবছর আউলিয়াবাদ রুনার নির্মাণাধীন দালান ঘর ফিরুজ তার দলবল নিয়ে বনবিভাগের কর্মীদের সহায়তায় ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় । এছাড়া প্রতিনিয়ত রুনাকে মানসিক চাপ দিতে থাকে সব সময় সন্দেহের চোখে দেখে । রুনা আরো অভিযোগ করে বলেন তাদের সংসার জীবন চার বছর অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সন্তানের মা হতে পারেনি। ফিরোজ কৌশল অবলম্বন করে রুনাকে মা হওয়া থেকে বঞ্চিত করে আসতেছে। বিভিন্ন সময় রুনা ফিরোজকে এসব বিষয় নিয়ে চাপ প্রয়োগ করলে ফিরোজ রুনাকে শারীরিক নির্যাতন করে । সম্প্রতি সাবেক স্বামী মোরশেদ জেল থেকে ফিরে আসলে ফিরোজের সাথে শত্রুতা মূলক আচরণ না করে উল্টো ভালো আচরণ করতে দেখা যাচ্ছে। মাঝেমধ্যে ফিরোজের অফিসে এসে হাত খরচের জন্য টাকা নিয়ে যেতেও দেখা গেছে। এতে এর রুনার সন্দেহ আরও বেড়ে যায়, যেকোনো সময় জীবনের ঝুঁকি আসতে পারে ভেবে রুনা ঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়, এযাবত অসংখ্যবার রুনা ফিরোজের ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়। ফিরোজ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে রুনার খোঁজখবর নিয়ে রুনাকে পুনরায় ফেরত নিয়ে আসে শুধুমাত্র নিজের নিরাপত্তার জন্য। গত ১৯/০৪/২১ তারিখে রুনা পালিয়ে গেলে, ফিরোজ খবর নিয়ে২১/০৪/২১ তারিখে পুনরায় বাসায় নিয়ে আসে। রাতে শুরু হয় তাদের মধ্যে আবার বাকবিতণ্ডা। ফিরোজ ক্ষিপ্ত হয়ে রুনাকে অমানবিক শারীরিক নির্যাতন করে। রুনা আইনে আশ্রয় নিতে ৯৯৯ এ ফোন করে,৯৯৯ সমস্যাটি সমাধানের জন্য দায়িত্ব দেয় ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে। ফিরোজ থানার সুনির্দিষ্ট দালাল হওয়ায় বিষয়টি তেমন আমলে নেয়নি থানা পুলিশ, ফিরোজকে কোন চাপ প্রয়োগ ব্যতীত রুনাকে তার বাবা-মা র, হাতে তুলে দেয়। রুনা ন্যায় বিচারের স্বার্থে পুলিশ সুপার মহোদয়ের শরণাপন্ন হলে এসপি স্যার বিষয়টি সুরাহা করে দেওয়ার জন্য সার্কেল এসপি কে দায়িত্ব দেন। গত ২২/০৪/২১ ইং তারিখে রাতে সার্কেল এসপি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনা সত্যতার প্রমাণ পায়। উক্ত ঘটনার মীমাংসার জন্য স্থানীয় ইসলামাবাদের আট নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দু শুক্কুর কে দায়িত্ব দেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত সমাধান হয়নি বলে জানা যায়। এখন দেখার বিষয় মেম্বার সাহেব কি সমাধান দেন

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: