শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

ইসলামাবাদের শাহাজাহান সিরাজ ইয়াবা ব্যবসা করে জিরো থেকে কোটিপতি

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

ফকিরা বাজারের নৈশ পহরী জালাল আহম্মদ প্রকাশ ঢিলা জালালের ছেলে ইয়াবা ব্যবসা করে জিরো থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক শাহাজাহান সিরাজ অস্বাভাবিকভাবে বিত্ত-বৈভবের মালিক হলেও এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে তিনি। এলাকাবাসী ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, অত্যন্ত সুচতুর শাহজাহান সিরাজ এখনো ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ইয়াবা বিক্রি করে বর্তমানে কোটি কোটি টাকার মালিক তিনি। তবে সে নিজেকে জমি ব্যবসায়ী দাবী করলেও নেপথ্যে রয়েছে মূলত ইয়াবা ব্যবসা । তার সাথে কক্সবাজার শহর সহ বিভিন্ন স্থানের বড় বড় কারবারীরা রয়েছে। এদের মধ্যে পরিবহন সেক্টর নেতা, রাজনৈতিক নেতারাও রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, জমির ব্যবসা এত আয় সম্ভব নয়।সে কক্সবাজার সদর উপজেলা ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম গজালিয়া বাম বাগান এলাকার জালাল আহম্মদের ছেলে।তাঁকে ১৫শ টাকা বেতনে গাড়ীর কাজে লাগিয়ে দেন তার বাবা।এক যুগের বেশি সময় ধরে কখনো সেই গাড়ির কাজ, কখনো বাড়ির কাজ করে পরিবারের ভরণপোষণ করতে হয়েছে তাঁকে।সে এখন প্রায় কোটি কোটি টাকার মালিক। ১০ বছরের মধ্যেই তাঁর এত টাকা হয়েছে। কক্সবাজারের ইসলামাবাদে খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অর্ধ কোটি টাকা খরচ করে বিলাসবহুল একটি বাড়ি তৈরি করেছেন। চট্টগ্রাম শহরে রয়েছে ১০ কোটি টাকার আরেকটি আলিশান বাড়ি, একাধিক ফ্ল্যাট, গ্রামের বাড়িতে ৩ বিঘা জমি, শত বিঘা জমির ওপর ডেইরি ও পোল্ট্রি খামার, বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ।একজন হতদরিদ্র মাত্র ১০ বছরে এত সম্পদের মালিক কিভাবে হয়? তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগে জানা যাচ্ছে, সবই হয়েছে জালিয়াতি আর প্রতারণার মাধ্যমে। ইয়াবা কারবারের অভিযোগও আছে তাঁর বিরুদ্ধে। পুলিশের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন তদবির বাণিজ্য এবং দখলবাজি চালিয়েছেন তিনি।শাহজাহান চলেন ৩৫ লাখ টাকা দামের টয়োটা প্রিমিও গাড়িতে। কক্সবাজারে যখন ইয়াবা কারবার রমরমা তখন শাহজাহান কিছুদিন পর পরই বিমানে কক্সবাজার-ঢাকা যাতায়াত করতেন। এয়ারপোর্ট ভিআইপি লাউঞ্জে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত থাকলেও তিনি ভিআইপি বা সিআইপি না হয়েও কক্সবাজর বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করতেন।শুধু দেশেই দুর্নীতি নয়, দুবাই, মালয়েশিয়া ও হুন্ডির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।ইসলামাবাদের আরো শতাধিক মানুষ প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ইয়াবা কারবারের অভিযোগও আছে। বিভিন্ন সময়ে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ইয়াবা পাচারকারীদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অনেকে। তাঁর বিপুল বিত্তের মধ্যে প্রায় ২০০ কোটি টাকা টেকনাফ-কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম-ঢাকা ইয়াবা পাচারকারী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে এসেছে বলে অভিযোগ আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: