রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

বজ্রপাতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আগুন, প্রাণে বাঁচলেন ৩০ রোগী

  • সময় শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আল হেলাল চৌধুরী,
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে টি এম হেলথ কেয়ার এন্ড ইমদাদ সিতারা কিডনি সেন্টার নামে একটি বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বজ্রপাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন ৩০ রোগী।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভিমলপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। এ ঘটনায় ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্যাথলজির যন্ত্রাংশ পুড়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

স্বাস্থ্য কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে ঝাড়ো হাওয়ার সময় টিএম হেলথ কেয়ার এন্ড ইমদাদ সিতারা কিডনি সেন্টারে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে আগুন লেগে ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিচ তলায় প্যাথলজি ইউনিটের ২টি রুমের ৩টি এসি, ১টি ফ্রিজ, ৪টি কম্পিউটার, ২টি প্রিন্টার মেশিন, ১টি ডিজিটাল আলট্রা সাউন্ড, ১টি ডিজিটাল এক্সে-রে মেশিন, ১টি এনালাইজার, ১টি সেল কাউন্টার ও ক্যামিকেলসহ প্যাথলজি পরীক্ষার সকল যন্ত্রাংশ আগুনে পুড়ে যায়। তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র কতৃপক্ষ রোগীদের নিরাপদে সরিয়ে নেন। খবর পেয়ে ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর স্টেশন মাস্টার মো. সোহেল রানা জানান, বজ্রপাতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস টিম ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

টি এম হেল্থ কেয়ার ও ইমদাদ সিতারা খান কিডনি সেন্টারে প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রভাষক মোকারম হোসেন বিদ্যুৎ বলেন, গতরাতে হঠাৎ প্রথম এবছরে বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির পাশাপাশি মেঘের চরম গর্জন ও তর্জন ছিলো। সেই সময় বর্জ্রপাতে আমাদের প্যাথলজি ইউনিটের দুইটি কক্ষে আগুন লেগে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস ১ ঘন্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে ৷ বর্তমানে মেশিন পত্র না থাকায় প্যাথলজি ইউনিট বন্ধ রয়েছে।

টিএম হেলথ কেয়ার এন্ড ইমদাদ সিতারা কিডনি সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. মোশারফ হোসেন বাবু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অগ্নিকাণ্ডে প্যাথলজি ইউনিটের যন্ত্রাংশ গুলো পুড়ে গেছে, তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে আনুমানিক ক্ষতির পরিমান ৫০ লক্ষ টাকা হবে। এসময় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রায় ৩০ জন রোগী ভর্তি ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: