শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

কক্সবাজার শহরে টমটম হয়রানির লাগাম টানবে কে?

  • সময় রবিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

পর্যটননগরী কক্সবাজার পৌরশহরের বেহাল অবস্থা মহাসড়কসহ প্রতিটা অলিগলি। সড়ক ও জনপদ বিভাগ,কক্সবাজার পৌরসভা ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) এর উন্নয়ন কাজ চলছে সমানতালে। উন্নয়ন কাজের কারণে সাময়িক অসুবিধার পড়েছেন স্থানীয়রাসহ কক্সবাজারে আগত পর্যটকেরা। ধুলাবালি, ড্রেইনের নোংরা পানি, খানাখন্দে বেহাল অবস্থা শহরের অলিগলির। হর্তাকর্তাদের একবছরে শহরের চেহারা পালটে যাওয়ার রূপকথার গল্প প্রায় শুনা গেলেও গত ১৫ বছরেও পাল্টেনি শহরের চিত্র। কউক এর তিনটি পুকুর সংস্কার ছাড়া দৃশ্যমান তেমন কিছু হয়নি বললেই চলে। টমটম বাণিজ্য নিয়ে কক্সবাজার পৌরসভার সাথে টমটম শ্রমিকদের ঘটনা সবারই জানা। তিন চাকা গাড়ির লাইসেন্স দেওয়ার এক্তিয়ার কার? লাইসেন্স ভাড়ায় নিয়ে ব্যবহারের এই রীতি চালু করেছেন কে? টমটম ভাড়া নির্ধারন করে দেওয়ার পরও নানা অজুহাতে মানছে সেই নির্দেশনা। ইচ্ছে মত চলছে কোনো আইন, নির্দেশনা তোয়াক্কা না করেই। ১৪/১৫ বছর বয়সেই টমটম চালক! ভাড়ায় লাইসেন্স নিয়ে চলছে; ড্রাইভার রোহিঙ্গা না-কি শিশু! এটা দেখার কে আছে। পৌরসভা এনজিওর আশীর্বাদে টমটম চালকদের নিয়ে একদিনে একটি সেমিনার বা প্রশিক্ষণের করেছিলো। সেখানে তাদের বলা হয়েছিলো টমটমে লোকিং গ্লাস থাকতে হবে। কিছু দিন রাখলেও এখন কয়টা টমটমে লুকিং গ্লাস আছে? সিগ্ন্যাল লাইট নেই প্রায় টমটমেই। কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল থেকে ঘুমগাছ তলা পর্যন্ত ভাড়া ছিল ১০ টাকা বেড়ে দাড়ালো ২০ টাকায়। করোনার দোহাই দিয়ে উঠানামা ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা করা হলো ; শর্ত ছিলো ৪ জনের বেশি যাত্রী নেওয়া যাবে না। করোনা কিন্তু এখনো কমেনি! ভাড়া ঠিকই সর্বনিম্ন ১০ টাকা। যাত্রী নিচ্ছে ৬ জন, একজনের গায়ে উপর আরেকজন! করোনা শুধু দূরপাল্লার বাস, ট্রেনে! কক্সবাজারে টমটমে করোনা নেই? জেলা প্রশাসন এটা নিয়ে এইবার নিরব কেনো এখনো। পর্যটন স্পট বন্ধ করা হলো কিন্তু টমটমে যাত্রী সীমিতের নির্দেশনা কেনো দেওয়া হচ্ছে না। কউক এর কাজে আরও সুবিধা হলো কালুর দোকান থেকে ঘুমগাছতলা ১০ টাকা। কিছু সভ্য ড্রাইভার মুখের উপর বলেই দিবে পেট্রোলপাম্প এর পর যাবে না ; কেনো যাবেনা জিজ্ঞেস করলে বলছে গাড়ি লাইসেন্স নাই। লাইসেন্স না থাকলে গাড়িও চালাবে ভাড়াও বেশি নিবে এটাই কি নিয়ম। এদের লাগাম টানবে কে? এদের নিয়ে কিছু বলা যাবে না, কারণ কিছু জনদরদী বলে উঠবে গরীবের পেটে লাথি মারার কী দরকার! এরাই আবার ভাড়া কম দেওয়ার পক্ষে। বড় শহর গুলোতে ফুটপাত দখল, সরকারি যায়গায় অবৈধ দখলদার নিয়ে সবাই সরকারের সমালোচনা করে ; সরকার যখনই ফুটপাত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে মাঠে নামবে তখন কিছু অতি উত্সাহী সরকারের সমালোচনা করবে। সরকার গরীবের পেটে লাথি মারছে। দৃষ্টি ভঙ্গি পাল্টাতে না পারলে আমাদের গতানুগতিক সমাজের চিত্র পাল্টাবে না। সরকারি আমলা বলেন আর দিনমজুর বলেন চরম বাস্তবতা হচ্ছে সুযোগের অভাবে আমরা সবাই সৎ।

কামরুল হাসান মামুন সংবাদকর্মী সদর কক্সবাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: