শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

স্বাস্থ্যবিধি মানতে নারাজ যশোরের মানুষ

  • সময় শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

দেশে করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে চললেও প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মানতে নারাজ যশোরের মানুষ। কমেছে মাস্কের ব্যবহার। শপিংমলগুলোর প্রবেশমুখে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীসহ প্রহরির ব্যবস্থা থাকলেও তাদের দেখা মিলছে না। অন্যদিকে পার্ক, রেস্টুরেন্ট, যানবাহনে গাদাগাদি করে লোক সমাগম ঘটছে।
যশোরে ক্রমেই বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও ঝুঁকি। তবে করোনা বেড়ে চললেও মাস্কের ব্যবহার কমেছে যশোরে। মাস্ক ব্যবহার করছেন না অধিকাংশ পথচারী ও বিভিন্ন কাজে বাইরে আসা শহরবাসী। অন্যদিকে শহরের বড় বড় বিপনী বিতানগুলোর প্রবেশমুখে স্বাস্থ্য সুরক্ষার তদারকির জন্য প্রহরি থাকলেও বর্তমানে তারা নেই। সেই সাথে নেই স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা। ছোট ছোট দোকানপাটে ক্রেতা বিক্রেতা কেউই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। এসব দোকানে নেই স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীও। অন্যদিকে পার্ক, রেস্টুরেন্ট, যানবাহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। পার্কের প্রবেশমুখে সামাজিক দুরত্ব মানছে না কেউই। মাস্ক ছাড়াই ঠেলাঠেলি করে পার্কে ঢুকছেন বিনোদনপ্রেমীরা। রেস্টুরেন্টে পাশাপাশি বসেই চলছে আড্ডা ও খাবার পরিবেশন। দূর পাল্লার বাস, লোকাল বাস, নসিমন, করিমন, ইজিবাইকে নিয়ম মানা হচ্ছে না। গাদাগাদি করে এসব বাহনে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মাস্ক ছাড়াই পথ চলছেন মানুষ। এ জাতীয়  অসচেতনতার কারণে যশোরে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত করোনা সংক্রমণ খানিকটা কম থাকলেও বর্তমানে যশোরে সংক্রমণ বাড়ছে আশঙ্কাজনকহাবে। এক্ষেত্রে মানুষের অচেতনতাকেই দায়ী করলেন বিশিষ্টজনেরা। তবে করোনা প্রতিরোধে যশোর পৌরসভা ও জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে যশোর পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন বলেন, সচেতনতা তৈরিতে আমরা ইতিমধ্যে মাইকিং শুরু করেছি। পৌরসভা কার্যালয়ে কেউ মাস্ক পরে না আসলে সেবা পাবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া রোববার থেকে আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী দেয়া হবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, করোনা প্রতিরোধে আমরা ব্যবসায়ী ও ইমামদের সাথে সভা করেছি। ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন। মার্কেটে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়কেই মাস্ক পরতে হবে। মসজিদে যাতে কেউ মাস্ক ছাড়া প্রবেশ করতে না পারে সে জন্যে ইমামদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। করোনার প্রার্দুভাব মাঝে কিছুটা কমে যাওয়ায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি শিথিল হয়ে পড়ে। তবে আমরা আবারও এ ব্যাপারে মনিটরিং করছি। ইতিমধ্যে মোবাইল কোর্টও চালু করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: