রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:১০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

মনখালী সরকারি কৃষি জমিতে বহিরাগত মাদক সম্রাটের বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

  • সময় শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম রিপোর্টার,
উখিয়া জালিয়াপালং ইউনিয়নের মনখালী কুনার পাড়া সরকারি কৃষি জমিতে অবৈধভাবে বহিরাগত এক মাদক কারবারি’র বিরুদ্ধে বহুতল ভবন নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে।নিজ এলাকা থ্যাইংখালীতে মাদকে জড়িয়ে চিহ্নিত হওয়ার কারণে নিরবে নিভৃতে নিরাপদে মাদক কারবার চালিয়ে যেতে কোটি টাকা খরচ করে সেকেন্ডহোম হিসেবে এই বহুতল ভবন নির্মাণ করছে বলে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।উখিয়ার ভূমি কমিশনার কাজ বন্ধ করে দিলেও তিনি চলে যাওয়ার পর পুনরায় কাজ শুরু করা হয়েছে। অভিযুক্ত জামাল হোসেন(৪০) উখিয়া থ্যাইংখালী স্থানীয় রহমতের বিল এলাকার সোলতান আহমেদের ছেলে। এলাকায় ইয়াবা জামাল নামে বেশ পরিচিত।এক সময় সরকারি মাদকের তালিকাভুক্তও ছিল। বিভিন্ন পত্রিকায় তার নামে শিরোনামও হয়েছে বেশ কয়েকবার। বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার করে আসছে।সেই সাথে মিয়ানমার থেকে অবৈধ পথে কারেন্ট জালের আড়ালে দ্রুত সময়ে টাকার কুমির হয়ে গেছে জামাল।দুয়েক বছর আগে জাল টুনার কাজ করে খাবার জুটতো তার।অল্প সময়ে আলাদীনের চেরাগের দৈত্যকে যেন পোষ মানিয়ে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছে।এখন সেই দিন মজুর থেকে কোটি টাকার লক্ষ্য নিয়ে মনখালী কুনার পাড়া সরকারি কৃষি জমি বিনষ্ট করে ও বন বিভাগের জমিতে কোটি টাকা খরচ করে বিল্ডিং নির্মাণ করে করে যাচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসসহ বন বিভাগের নিরব থাকার রহস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় সচেতন মহল।তারা বলছে মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্তি পেতে তাকে যেন এলাকায় স্থান দেয়া না হয় সেই দাবি জানাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে দেশের কোন কৃষি জমিতে যেন কোন প্রকার স্থাপনা নির্মাণ করা না হয় তার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।কিন্তু জামাল খাস জমিতে চারপাশের মন জুড়ানো কৃষি জমির মাঝে অবৈধভাবে নির্মাণ করে যাচ্ছে বহুতল ভবন। যদিও তার দৃশ্যমান কোন ব্যবসা নেই।১৫ লাখ টাকা দিয়ে জায়গা ক্রয়ের পর কোটি টাকা ব্যায়ে ভবন নির্মাণ! থ্যাইংখালীর স্থানীয় অনেকে জানিয়েছেন,সেই এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি,এলাকার সবার কাছে ইয়াবা জামাল নামে পরিচিত।সেখানে বসবাসে অসুবিধার কারণে মেরিনড্রাইভ সড়ককে ব্যবহার করে নিরাপদে মাদক কারবার করতে এই বাড়ি বানাচ্ছে।সেই ছিল দিনমজুর হঠাৎ করে এমন কি পেয়েছে যে কোটি টাকা ব্যায়ে এত বড় বিল্ডিং নির্মাণ করছে? এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট হোয়াইক্যাং বন বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মতিন জানান,’বন বিভাগের জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণের কোন সুযোগ নেই। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে কাজ বন্ধ করতে বিট অফিসারকে বলে দেয়া হবে বলে জানান তিনি’।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: