শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

সাড়ে ১৭ হাজার ইয়াবাসহ ধরা টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির আরেক সদস্য

  • সময় সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমছড়া এলাকায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ইয়াবা পাচারকালে ১৭ হাজার ৬৪৫ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৭)। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন, টেকনাফ উপজেলার মো. কাইয়ুম শরীফের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম (২৮), একই উপজেলার, মো. আমিনের ছেলে কবির আহাম্মেদ (৩১)।

রবিবার (২১ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মোটরসাইকেল যোগে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য নিয়ে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার (২১ মার্চ ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে র‍্যাবের একটি আভিযানিক দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শহিদুল ইসলাম (২৮),কবির আহাম্মেদ (৩১) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

পরে আটককৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানো ও শনাক্ত মতে নিজ হেফাজতে থাকা মোটরসাইকেলের তেলের ট্যাংকির ভিতর থেকে ১৭,৬৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি (চট্টমেট্রো-ল-১৪-২৯৪০) জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৫৪ লক্ষ টাকা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-৭ এর সহকারি পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবসার বলেন, ‘আনোয়ারা উপজেলার বরুমছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শহিদুল ইসলাম (২৮), কবির আহাম্মেদ (৩১) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা দুইজনই দুটি সংবাদপত্রের আইডি কার্ড প্রদর্শন করে ও নিজেদেরকে টেকনাফ প্রতিদিন এবং নাফ টেলিভিশন এর সাংবাদিক বলে দাবি করে। এসময় তাদের মোটর সাইকেল তল্লাশি করে ১৭,৬৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।’

পরে আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আনোয়ারা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আটক শহীদুল টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটি নামের একটি সাংবাদিক সংগঠনের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। কয়েকদিন আগে তাকে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ক্রেস্ট দিতে দেখা গেছে ইউনিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সহ অন্য সদস্যদের সাথে। এভাবে নবাগত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইন শৃংখলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রথমে ফুল দিয়ে অথবা কোন কারন ছাড়াই ক্রেস্ট দিয়ে এরা শখ্যতা গড়ে তুলে পড়ে মাদক পাচারের সুবিধার্থে সেইসব ছবি ব্যবহার করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই কৌশলে মাদক পাচার চালিয়ে গেলেও মাঝেমধ্যে দুয়েকজন আটক হলে সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে তারা আবার শুরু করে নতুন উদ্যমে মাদক ব্যবসা। এই কথিত সাংবাদিক সংগঠনটির সদস্যদের আয় ব্যয়ের উৎস অনুসন্ধান করলে সবার গোমর ফাঁস হবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। এর আগেও এই সংগঠনটির বহু সদস্য ইয়াবাসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: