রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

ঈদগাঁওতে রোহিঙ্গা নারী পাচারের অভিযোগ রমজানের বিরুদ্ধে

  • সময় বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১
  • ৩৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজার সদর উপজেলা ঈদগাঁওতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কিশোরী এনে বিভিন্ন দেশে পাচার করার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী রমজানের বিরুদ্ধে।সোমবার ১৪ ই মার্চ রাতের আঁধারে বর্ণিত ইউনিয়নের হাচিনা পাহাড় এলাকার জাফল আলমের কলনীর নুরুল আজিমের বাসাতে তিন জন রোহিঙ্গা নারী আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলা চৌফলন্ডী ইউনিয়নের মাইজ পাড়া এলাকার মকগুল হোসেনের ছেলে রমজান আলী টেকনাফ উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কিসোরীকে চাকরি পাইয়ে দেয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ঈদগাঁওর হাচিনা পাহাড় এলাকায় তার ভাই নুরুল আজিমের বাড়া করা বাড়ীতে নিয়ে আসেন।রোহিঙ্গা নারী আনার কথা এলাকায় জানা জানি হলে রাতের আধারে পালিয়ে যায়।রমজান আলী দীর্ঘদিন বছর ধরে পেশার নামে দালাল চক্র হাজার হাজার দরিদ্র নারী বিভিন্ন দেশে পাচার করে আচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সে আইন-শৃংখলা রক্ষাবাহিনীর চোখ ফাকি দিয়ে মানব পাচারকারীরা রোহিঙ্গা নারী ও মেয়ে শিশুদের দেশের মধ্যেই রেখে দেয় যৌন কর্মে নিয়োজিত করেন। কখনো কখনো তাদেরকে কলকাতা ও কাঠমান্ডুতে যৌন কর্মী হিসেবে পাচার করে দেয়া হয়। কিছু রোহিঙ্গা মানব পাচারকারী রোহিঙ্গা নারী ও মেয়ে শিশুদের বিয়ে, ভালো চাকরিসহ নানা প্রলোভনে ও আশ্বাসে ক্যাম্পগুলো থেকে তাদের পাচার করে এরমজান।

রমজান মানুষ একজন কিন্তু পরিচিতি অনেক নামে। কখনো রমজান, অঙ্গন অথবা শুভ আলী নামে নিজেকে পরিচয় দেন তিনি।তাকে এক এক জায়গায় এক এক নামে চেনেন অনেকেই। বিয়ের কথা বলে নারীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে পরে তাদের কৌশলে বিভিন্ন যৌনপল্লিতে পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।এছাড়া মাদকসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তিনি। নির্ধারিত কোনো পেশা নেই রমাজানের। ক্ষণে ক্ষণেই অবস্থান পরিবর্তন করেন।বাড়ী কক্সবাজার সদর উপজেলা চৌফলন্ডী ইউনিয়নের মাইজ পাড়া গ্রামে।নারী পাচার, ফিটিং, মাদক বিক্রি ও ছিনতাই-ডাকাতিসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকায় বাড়িতেও থাকতে পারেন না রমজান । তাই কখনো কক্সবাজার টেকনাফ, কখনো বা চট্টগ্রামে আবার কখনো ঈদগাঁওতে থাকের তিনি। তার প্রধান কাজ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নারীদের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে নিজের বশে রাখা। এক সময় বিয়ের কথা বলে তাদের বিভিন্ন দেশে বিক্রি করেন তিনি। শুধু তাই নয়, সেই নারীদের সঙ্গে রমজানের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে তাদের জিম্মি করতেন। সেসব ভিডিও নানা বয়সের পুরুষদের দেখিয়ে আকৃষ্ট করে বাসায় এনে ‘ফিটিং’ বাণিজ্যও করেন রমজান। আর কোনো পুরুষ তার ফাঁদে পড়ে অনৈতিক কাজের জন্য বাসায় এলে তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন মোটা অংকের টাকাসহ মোবাইল ফোন, ঘড়ি ইত্যাদি। যদি রমজানের এমন অপকর্মে তার সংশ্লিষ্ট ‘প্রেমিকা’ রাজি না হন, তাহলে তার আপত্তিকর অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকি দেন তিনি। তাতেও কাজ না হলে মেয়েদের করা হয় মারধর। শুধু তাই নয়, রমজান এসব মেয়েদের অপকর্ম করতে বাধ্য করতেন। নারীদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। রমজানের ভাইয়ের ছেলে মোঃ আল নোমান জানান,তার চাচা গতকাল রাতে ১৮/২০ বছরের তিন টি রোহিঙ্গা কিশোর বন্ধবী পরিচয় দিয়ে আমার বাসায় নিয়ে আসছিল এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর রাতে চলে যায়।অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে রমজানের মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিচিভ না করাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এবিষয়ে ঈদগাঁও থানার ওসি আব্দুল হালিম বলেন রোহিঙ্গা কিশোরী আনার বিষয়টা শুনে পুলিশ পাটিয়েছিলাম পুলিশ যায়তে এরা পালিয়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: