শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

বাকেরগঞ্জ উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধে একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে সন্ত্রাসীরা

  • সময় রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি:
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের বড়পুইয়াউটা গ্রামের মৃত শামসুল হক খানের ছেলে মোঃ নাছির উদ্দিন খান (৪৫), মোঃ নাছির উদ্দিন খানের ছেলে জুবায়ের খান ও শফিকুল ইসলামকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে মোঃ মাহমুদুল হাসানের ছেলে অলি হোসেন (২২), হিজবুল্লাহ (২৫), সাইফুল ইসলাম (২৮), আব্দুস সালাম বেপারীর ছেলে সজীব (১৮), মাহমুদুল হাসানের স্ত্রী মোসাঃ লাইলী বেগম (৫৫), আব্দুস সালাম বেপারীর স্ত্রী মোসাঃ জাকিয়া বেগম (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন। গুরুতর অবস্থায় নাসির উদ্দিন খান, জুবায়ের খান ও শফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগ থেকে তাৎক্ষণিক জুবায়ের খান কে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়। এ ব্যাপারে অসুস্থ নাছির উদ্দিন খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মোঃ মাহমুদুল হাসানের ছেলে অলি হোসেন (২২), হিজবুল্লাহ (২৫), সাইফুল ইসলাম (২৮), আব্দুস সালাম বেপারীর ছেলে সজীব (১৮), মাহমুদুল হাসানের স্ত্রী মোসাঃ লাইলী বেগম (৫৫), আব্দুস সালাম বেপারীর স্ত্রী মোসাঃ জাকিয়া বেগম (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন পরস্পর একদলবদ্ধ এবং পরবিত্তলোভী। তাহারা আইন কানুন মানেনা। বিবাদীদের সাথে জমি জমা লইয়া বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। যাহার কারণে বিবাদীরা আমাকে সহ আমার পরিবারের সদস্যদের মারধর খুন জখম করার সুযোগ খুজতে থাকে। ঘটনার দিন ইং ১৩/০৩/২০২১ তারিখ সকাল অনুমান ৯:৩০ টার সময় বিবাদীরা একদলবদ্ধ হইয়া হাতে দা, কড়াত, কুঠার, শাবল, দা ও লাঠিসোটা লইয়া ঘটনাস্থল বড়পুইয়াউটা বাজারের পশ্চিম পার্শ্বে জনৈক নাজিমের স্টুডিওর দোকান সংলগ্ন আমাদের ভাগে দখলীয় জমির একটি রেইনট্রী ও একটি সুপাড়ী গাছ কাটিয়া ফেলিয়া আমাদের প্রায় ১০,০০০ /- ( দশ হাজার ) টাকার ক্ষতিসাধন করে। ঐসময় আমি সহ আমার ছেলে সাক্ষী জুবায়ের খান ও সফিকুল ইসলাম বিবাদীদেরকে বাধা দিলে বিবাদীরা আমাকে সহ সাক্ষী জুবায়ের খান ও সফিকুল ইসলামদেরকে আর্তকিত ভাবে কিল ঘুশি লাথি মারিয়া লাঠি দিয়া পিটাইয়া আমাদের শরীরের বিভিন্নস্থানে ফুলা ফাটা বেদনাদ্বায়ক জখম করে। ঐসময় বিবাদী লাইলী বেগম এর হুকুমে বিবাদী অলি হোসেন তাহার হাতে থাকা দা দিয়া সাক্ষী জুবায়ের খান এর মাথা লক্ষ করিয়া কোপ দিলে তাহার মাথা পিছনে সরাইয়া নিলে উক্ত কোপ তাহার মাথার পিছনে পড়িয়া কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। বিবাদী হিযবুল্লা সাক্ষী সফিকুল ইসলাম এর গলায় পরিহীত থাকা স্বর্ণের চেইন ওজন অনুমান ১২ আনা মূল্য অনুমান ৪৫,০০০/- (পঁয়তাল্লিশ হাজার) টাকা টান দিয়া ছিড়িয়া নেয়। আমাদের ডাকচিকার শুনিয়া অন্যান্য সাক্ষীরা ও স্থানীয় বহু লোকজন আসে ঘটনা দেখেন শোনেন। আগত সাক্ষীদের মোকাবেলায় বিবাদীরা এই ঘটনা লইয়া বাড়া বাড়ি বা মামলা করিলে তাহারা আমাদেরকে খুন করিবে, মিথ্যা মামলা দিবে মর্মে হুমকি দেয়। কতেক সাক্ষীরা জখমী আমাকে সহ সাক্ষী জুবায়ের খান ও সফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে নিয়া সাক্ষী জুবায়ের খানকে ভর্তি করিয়া চিকিৎসা ব্যাবস্থা করেন। আমি সহ সাক্ষী সফিকুল ইসলাম চিকিৎসা নেই। আমি চিকিৎসায় একটু সুস্থ হইয়া অত্র অভিযোগ লিখাইয়া পড়াইয়া শুনাইলে শুদ্ধস্বীকারে নিজ নাম দস্তখত করিয়া থানায় দায়ের করি। আমি অভিযোগ তুলে না নিলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বিভিন্ন মাধ্যমে। আমি আমার পরিবার নিয়ে খুবই সংকটময় মুহুর্ত পার করছি। এমতাবস্থায় আমি আইনে আশ্রয় গ্রহণ করা ছাড়া কোন উপায় দেখছি না। আমি বাকেরগঞ্জ থানা সহ উপরোক্ত কর্মকর্তাদের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: