শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

আলোচিত ইয়াবা কারবারিরা ঐতিহ্য ফিরে আনতে চাই এলাকায়

  • সময় শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেদন আলোকিত উখিয়া।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হ্নীলা ইউনিয়ন এর ৭ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করছেন মরহুম হাফেজ আবদুল মজিদ এর পুত্র আলোচিত ভুলাইয়া ডাকাত এর ভাই চিহ্নিত মাদক কারবারি নুরুল বশর এ-সব অবৈধ ডাকাত মাদক কারবারি গুলো প্রার্থীতা ঘোষণা দেওয়ার কারণে এলাকায় এবং টেকনাফ উপজেলা জুড়ে আলোচনা সমালোচনা চলছে।

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের ৫ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ঘিরে চিহ্নিত ইয়াবা কারবারিরা মাঠ উত্তাল রেখেছে। আলোচিত এবং আত্মঘোষিত কারাগার ফেরত এসব ইয়াবা কারবারির গণসংযোগ নিয়ে চলছে নানান আলোচনা- সমালোচনা।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা, সাবরাং, সেন্টমার্টিন, টেকনাফ সদর ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হয়েছে গেল ৩ মার্চ। এই ৫ ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ ১১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৮ মার্চ। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৯ মার্চ এবং প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৪ মার্চ। এর বাইরে টেকনাফ পৌরসভা ও বাহারছড়া ইউনিয়নের তফসিল এখনও ঘোষণা হয়নি।

এই ৫ ইউনিয়নে কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০  জনের উপরে চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে মাঠে তৎপরতা শুরু করছেন। তবে, সাধারণ ভোটাররা বলছেন, তারা কোনোভাবেই চান না ইয়াবা কারবারিরা প্রার্থী হোক। হলেও তারা যেন নির্বাচিত হতে না পারেন। তারা মনে করছেন, ইয়াবা কারবারিরা নির্বাচিত হলেও অনেক সময় পলাতক থাকে। আবার কারাগারে থাকে। এতে জনগণ সঠিক সেবা পান না।

সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মনে করেন, ইয়াবা কারবারি প্রার্থী বা নির্বাচিত হলে মাদক রোধ অসম্ভব হবে। মাদক কারবারিদের প্রার্থিতা বাতিলের আইন প্রণয়নের দাবি তার।

কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আত্মসমর্পণকারী ইয়াবা কারবারিরা স্বঘোষিত মাদক কারবারি। যারা আদালতের মাধ্যমে জমিন পেয়ে এলাকায় ফিরেছে। সম্প্রতি নির্বাচনে তারা প্রার্থী হিসেবে মাঠে গণসংযোগ শুরু করেছে। এরা যদি জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আসে তাহলে এলাকার পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে যাবে এটা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব বিষয় সরকারের দৃষ্টিতে আনা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

সরকার এবং প্রশাসন যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেই এসব মাদক কারবারি গুলো আবারও দখলে নিবেন সম্মানজন স্থান ইউনিয়ন পরিষদ।

এই নুরুল বশর একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি এবং রঙ্গিন খালি বিভিন্ন অপকর্মের মূলহোতা বলে জানান স্হানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: