শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

লেডি ডন খ্যাত সাজুর ইয়াবা ব্যবসা, কিছুতেই থামছে না র‌্যাবের নজরধারী জরুরী

  • সময় মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১
  • ৬৯৩ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম রিপোর্টার
কক্সবাজার শহরের ১নং ওয়ার্ডের সমিতি পাড়ার সাজু এখন ইয়াবা সম্রাজ্ঞি, কক্সবাজার থেকে ঢাকা চট্টগ্রাম রওনা হয় মাদকের বড় বড় চালান নিয়ে। এসব কাজে সহযোগী হিসাবে দেখভাল করে মার্ডার মামলার আসামি তার বোন মুর্শিদা বেগম, দীর্ঘ বারো বছর কারাবন্দী থাকার পর বেরিয়ে এসে সহযোগী হিসাবে সাজুর ইয়াবা ব্যবসার হালধরে। উল্লেখযোগ্য ভাবে তার স্বামী রফিকের ও ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে রফিক সাজুর তৃতীয় স্বামী জানাযায়, সাজু মূলত রফিকে বিয়ে করে তার ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে কথার সেই কাজ তাদের স্বামী-স্ত্রী ইয়াবা ব্যবসা এখন তুংগে।

ইয়াবা সুন্দরী সাজু রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ইয়াবাসহ নানা অপরাধে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। সমিতিপাড়ার প্রতিটি অপকর্মেই তাদের হাত রয়েছে। তাদের কারণে এলাকার সমাজ ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা য়ায়, তাঁরা এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায়, চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, বানোয়াট মামলা, ইয়াবা পাচার, মানব পাচার, যৌনকর্মী নিয়ে পতিতা ব্যবসা, বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে যৌনকর্মী সরবরাহসহ নানা অপকর্মে জড়িত রয়েছে।

বিশেষ করে সমাজের খারাপ ও কতিপয় যুবক-যুবতী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ব্যবহার করে মুলত এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানাসহ জেলার বিভিন্ন থানায় ইয়াবা, নারী ও শিশু নির্যাতন, মারামারিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই ইয়াবা রফিকের নেতৃত্বপ চলে নির্যাতন ও অত্যাচারের মহড়া। তাদের কারণে পুরো এলাকাবাসী এখন ভীত সন্ত্রস্ত্র। এলাকায় তাদের ক্ষমতার প্রভাব এতই বেশি- সাধারণ লোকজন কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। বর্তমানে এই চক্রটি এতোই বেপরোয়া হয়ে পড়েছে যে, প্রতিবাদ তো দুরের কথা টুঁশব্দ করতেও কেউ সাহস করেনা। প্রাপ্ত তথ্যে জানা য়ায়, ২০১৮ সালে আগস্ট মাসে ২০০ পিস ইয়াবাসহ মো. রফিক (৩৭) পুলিশের হাতে আটক হয়েছিল। কারাগারে অন্তরীণ থাকার পর জামিনে বের হয়ে আবারো মরণনেশা ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত হয়ে পড়েছে। তার পিতার নাম মৃত হাফেজ উল্লাহ। সদর মডেল থানার মামলা নং-০৬/২০১৮ ইং। রফিক ও তার স্ত্রীর নেতৃত্বে এলাকায় একটি বড় ইয়াবা সিন্ডিকেট রয়েছে। ওই সিন্ডিকেটটি এলাকায় মাদকসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। এছাড়াও তারা কমপক্ষে ৭/৮ টি ফৌজদারী মামলার আসামী।

তন্মধ্যে রয়েছে, ইয়াবা পাচার, নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌনকর্মী সরবরাহ, মারামারি ও ভাঙচুরসহ নানা অপরাধে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রফিক ও তার স্ত্রী সাজু প্রকাশ সাজেদা এলাকার চিহ্নিত মাদক সম্রাজ্ঞি । তাদের কারণে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে। সাজু বেগম মো. রফিক প্রকাশ ইয়াবা রফিককে বিয়ে করার আগে আরেক জনকে বিয়ে করেছিল। ওই স্বামীর দুইটি পুত্র সন্তানও ছিল। কিন্তু মরণ নেশা মাদক ব্যবসার লোভে পড়ে সাজেদা রফিককে বিয়ে করে। এখন কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন স্থানে জায়গা ক্রয় করছে। এমনকি পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কুতুবদিয়া পাড়া ফদনার ডেইলেও তিনটি বাসা ভাড়া দিয়েছে রোহিঙ্গাদের। এসব বিষয়ে সাজুর কাছে ফোন করা হলে,সাজু ফোন রিসিভ করেননি। পৌর আওয়ামী লীগের ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি আতিক উল্লাহ কোম্পানির কাছে ইয়াবা রফিক সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, ইয়াবা বিরুদ্ধে সমসময় আমি সোচ্চার। রফিক একসময় ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হয়েছিল। এখন ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত আছে কিনা তা জানি না।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: