শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

আর কতবার মিয়ানমারের সেনাবাহিনী পার পেয়ে যাবে: জাতিসংঘ দূতের প্রশ্ন

  • সময় শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারে গত মাসে সংঘটিত সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে অর্ধশতাধিক বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শানার। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, আর কতদিন মিয়ানমারের সেনাবাহিনী পার পেয়ে যাবে? দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশটির সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী গত ১ ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানে দেশটির গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের পাশাপাশি অং সান সু চিসহ শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে আটকও করে। সেনা শাসনের বিরুদ্ধে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশটির বিভিন্ন শহরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিনই বিক্ষোভ, ধর্মঘটসহ নানান কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেটের পাশাপাশি গুলি করে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা চলছে। জান্তা সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর গত ৩ মার্চ (বুধবার) একদিনেই হত্যার শিকার হয় ৩৮ বিক্ষোভকারী। জাতিসংঘ দূত শানারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঐদিন পর্যন্ত ৫০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছিল।

৩ মার্চের সেই ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী দিনের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক আহ্বান করে যুক্তরাজ্য। সেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে জাতিসংঘ দূত শানার নিরাপত্তা পরিষদকে মিয়ানমারের নভেম্বরের নির্বাচনের ফলের প্রতি সমর্থন জানাতে এবং দেশটির জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। “মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে আর কতদিন আমরা পার পেতে দেব?” শুক্রবারের বৈঠকে প্রশ্ন তুলেছেন শানার।

শানারের বক্তব্য বিষয়ে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার মুখপাত্রের মন্তব্য চেয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে ফোন করা হলেও তিনি তা ধরেননি। দেশটির সেনাবাহিনী বলছে, তারা বিক্ষোভকারীদের প্রতি সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করলেও তাদেরকে মিয়ানমারের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে দেবে না।

বিক্ষোভকারীরা সু চিসহ আটকদের মুক্তি এবং নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ীদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে দাবি জানিয়ে আসছে। নভেম্বরের ওই নির্বাচনে সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: