শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

শান্ত সমুদ্রের বালিয়াড়ি অশান্ত,বীচে ত্রাস সৃষ্টি করে বীচকর্মী হয়ে উঠছে ভয়ংকর চাঁদাবাজ বাহিনী

  • সময় রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

ইয়াছিন আরাফাত::
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ; ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করে। সমুদ্রে থাকা বীচকর্মীরা,বীচকর্মী পরিচয়ধারী কিছু চাঁদাবাজ; প্রতিনিয়ত সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি ও আশপাশের এলাকায় ছোট দোকান ও মাঝারীমানের দোকান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানাযায়। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, অপরূপ প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কক্সবাজার। প্রতি বছর পর্যটন মৌসুমকে ঘীরে, বীচে নানা ধরণের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন কক্সবাজারের হাজারো স্থানীয় বেকার যুবকরা। আর এ ব্যবসা করতে বীচকর্মীদের দিতে হয় মুটা অংকের কমিশন, না দিলে চলে অমানুষিক নির্যাতন;এমনটাই অভিযোগ উঠেছে বীচকর্মীদের বিরুদ্ধে। জানাযায়; বীচকর্মীরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি শুক্রবার(১৫০)টাকা চাঁদাতুলে।এবং অন্য দিন (১০০) টাকা করে প্রতিদিন চাঁদা নেয়, বীচকর্মী সিন্ডিকেট; আর এসব চাঁদা তুলার জন্য বীচকর্মীরা তাদের কাছের ব্যক্তিদের ব্যবহার করে।তারপর চাঁদা তুলা শেষে সেই চাঁদার টাকা, সমুদ্রের বালিয়াড়ির কোন এক নিদিষ্ট জায়গায়; বীচকর্মীর সেই কাছের লোকটি কিউ না দেখে মত বীচকর্মীদের হাতে বুঝিয়ে দেন চাঁদার টাকা। বীচকর্মীদের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে আরো জানাযায়; কোন দোকান ব্যবসায়ীর যদি বেচাকেনা কম হয় কোন একদিন।তখন যদি ব্যবসায়ীরা বীচকর্মীদের কিছু টাকা কম নেওয়ার জন্য অনুরোধ করলে তখন বীচকর্মীরা।ক্ষীপ্ত হয়ে ব্যবসায়ীদের গালীগালাজ করে তারপর ঝামেলা পাকায় এবং নিয়ে আসে বীচকর্মী তাদের সাঙ্গপাঙ্গ দের তারপর করে কথিত বীচকর্মীরা দোকান ভাঙচুর। সমুদ্র পাড়ের এক ব্যবসায়ী তার নাম পরিচয় গোপন করে দৈনিক আলোকিত উখিয়াকে জানায়; তার ছাতা,চেয়ার বয়ধ হওয়ার পর ও তাকে বীচকর্মীদের চাঁদা দিতে হয়। যদি চাঁদা না দেয় ছাতা,চেয়ার ব্যবসায়ীরা তখন বীচকর্মীরা নতুন কৌশল নেয়;তারপর ছাতা,চেয়ারের দায়িত্বরত কেয়ারটেকা দের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে বীচকর্মীরা তাদের বিভিন্ন রকম ভাবে হয়রানি করে। এবং তাদের ব্যাপারে কিউ যদি মুখ খুলে বা তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে তখন প্রাণনাশের হুমকি দেন সমুদ্রের দায়িত্বরত বীচকর্মীরা। এরচেয়ে আরো জঘন্যতম অভিযোগ আছে, বীচকর্মীদের বিরুদ্ধে সমুদ্রে বসানো চেয়ারের দায়িত্বরত থাকা ছেলেদের পঠিয়ে। বীচকর্মীরা বীচে যেসব পতিতা ঘুরে বেড়ায়; তাদেরকে টাকার বিনিময়ে হোটেলে নিয়ে গিয়ে। অনৈতিক কাজ করার মত অভিযোগ ও দৈনিক আলোকিত উখিয়া অফিসে রেকর্ড রয়েছে। এসব বিষয়ে বীচকর্মীর ইনচার্জ জানাব,খোরশেদ সাহেবকে ফোন করা হলে তিনি দৈনিক আলোকিত উখিয়াকে বলেনঃআমি এই বিষয়ে কিছুই জানি না। অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে, কিন্তু সাধারণ হকাররা তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পান না। পুরো সমুদ্রের বালিয়াড়ি থেকে শুরু করে ভূমি পযন্ত দাপিয়ে বেড়ায় চাঁদাবাজ অসাধু বীচকর্মী বাহিনী। আশপাশের সাধারণ ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরা বীচকর্মীদের কাছে এক প্রকার জিম্মি হয়ে আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: