শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

চকরিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে বদলি হলেও এখনো বহাল তবিয়তে-বিদ্যুৎ বিভাগের উপসহকারি প্রকৌশলীর অনিয়ম-দূর্নীতি

  • সময় রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে বদলী হলেও এখনো বহাল তবিয়তে অফিস করছেন চকরিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের উপসহকারি প্রকৌশলী ডিএম সাদিউজ্জামান।
চকরিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের সিন্ডিকেট অনিয়ম দুর্নীতির ঘটনায় সার্বিক চিত্র নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের জেরে গত ১ ফেব্রুয়ারী উপসহকারি প্রকৌশলী ডিএম সাদিউজ্জামানকে চকরিয়া থেকে (স্বারক নং ৫৪৯, তাং ০১-০২-২০২১) মূলে রামু উপজেলায় বদলি করা হয়। পরদিন ২ ফেব্রুয়ারী তাকে বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেন কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল কাদের গনী। কিন্তু বদলীর ১৪দিন অতিবাহিত হলেও ওই উপসহকারী প্রকৌশলী স্বপদে বহাল থেকে পুরানো কায়দায় দূর্নীতি ও অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে, বদলী আদেশ জারির পর থেকে অভিযুক্ত উপসহকারি প্রকৌশলী সাদিউজ্জামান মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বদলী আদেশ স্থগিত করতে কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বিদ্যুৎ বিভাগ চট্টগ্রাম দক্ষিন অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলীর (বিতরণ) দপ্তরে তদবির চালিয়ে আসছেন।
অভিযোগ রয়েছে, উপসহকারি প্রকৌশলী ডিএম সাদিউজ্জামান ইতোপুর্বে চকরিয়া অফিসে তিনবছর চাকুরী করলেও দুর্নীতির অভিযোগে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে কুতুবদিয়া বদলি করে। পরে সেখান থেকে অন্যত্র চলে গিয়ে ফের দুইবছর আগে আবারও টাকার বিনিময়ে চকরিয়া উপজেলায় পোস্টিং নেন তিনি।
মুলত তিনি যোগদানের পর থেকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেন চকরিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগকে। কিছুদিন আগে আবাসিক প্রকৌশলী পদে গীতি বসু বড়ুয়া নামের একজন কর্মকর্তা যোগদান করলেও দাপটের সঙ্গে অফিসে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন সাদিউজ্জামান।
সহকারি প্রকৌশলী সাদিউজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় শতভাগ বিদ্যুতায়নে খুটি স্থাপন ও সংযোগ লাইন চালু এবং মিটার বিতরণে গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা আদায় ছাড়াও গ্রাহকদেরকে ব্যাপক হয়রাণির অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গত দুইমাস আগে চকরিয়া উপজেলা এবং পৌরসভার এলাকার একাধিক গ্রাহক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিদ্যুৎ বিভাগ চট্টগ্রাম দক্ষিন অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (বিতরণ) কাছে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। সেই অভিযোগটি তদন্ত করছেন কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল গনী কাদের।
কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল কাদের গনী বলেন, উপসহকারি প্রকৌশলী সাদিউজ্জামানের বিরুদ্ধে যেহেতু বিভিন্ন ধরণের অভিযোগ উঠেছে, তাই বিষয়ের আলোকে তাকে কক্সবাজারের রামু বিদ্যুৎ বিভাগে বদলি করা হয়েছে। অপরদিকে রামু বিদ্যুৎ বিভাগের উপসহকারি প্রকৌশলী মেহেদী হাসানকে চকরিয়া পোস্টিং দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী গ্রাহকরা অভিযোগ তুলেছেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বদলী করা হলেও এখনো অভিযুক্ত সহকারি প্রকৌশলী সাদিউজ্জামান বহাল তবিয়তে থেকে অফিসের হিসাব কর্মকর্তা আবদুল গনী এবং সাহায্যকারী শওকতের সহযোগিতায় বিদ্যুৎ সেবাখাতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: