শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

নাফ অনলাইন টিভিতে প্রচারিত সংবাদের প্রতিবাদ

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫২১ বার পড়া হয়েছে

নাফ অনলাইন টিভিতে প্রকাশিত সংবাদে সাবরাং ইউনিয়নের সিকদার পাড়ার মৌঃ আবদুল গফুরের কাছে আমি, মছন, সিরাজ ও নুরুল আমিনসহ আরো অন্যান্য ব্যক্তিরা চাঁদা দাবী করেছি এবং চাঁদা না পেয়ে মৌঃ আবদুল গফুরকে মারধর করে তাদের মুরগির খামার তালাবদ্ধ করে ফার্মের কাজের লোকদের তাড়িয়ে দিয়েছি মর্মে সংবাদ প্রচার করেছে যাহা মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক বানোয়াট সংবাদ।

আমি সিরাজুল ইসলাম একজন মৎস্য ব্যবসায়ী। ব্যবসার খাতিরে দীর্ঘদিন ধরে আমি কক্সবাজারে বসবাস করে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে সুনামের সহিত মাছের ব্যবসা করে আসছি। গত ৪ ফেব্রুয়ারীর ঘটনা গত ৯ ফেব্রুয়ারিতে নাফ টিভির প্রতিনিধিকে প্রভাবিত করে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। গত ৪ ফেব্রুয়ারীর ঘটনা সম্পর্কে জাতীয় এবং স্থানীয় অনেক অনলাইন পোর্টালে ঘটনার বিস্তারিত সঠিক বিবরণ তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকৃত ঘটনা হল,মৌঃ আবদুল গফুর গত ৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বেআইনি জনতা সংঘটিত করে আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা জবর দখল করতে যায়। এতে আমাদের ক্রয়কৃত জায়গার অপর অংশীদার নাজির হোছাইন বাঁধা দিলে নাজির হোছাইনকে তার ছেলে ফায়েজ লম্বা দা দিয়ে কুপ মারতে দেখে নাজির হোছাইন সরে যান সেই কুপ গিয়ে পড়ে নাজির হোছাইনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আবদুল গফুরের কপালে। এতে আবদুল গফুরের কপাল কেটে গিয়ে রক্তাক্ত হয়। তৎসময় নাজির হোছাইনকে মারার জন্য আবদুল গফুরের দলবল এগিয়ে আসলে নাজির হোছাইন নিজের জীবন বাঁচাতে পালিয়ে যায়।

নাজির হোছাইনকে মৌঃ আবদুল গফুরের লোকজন মারার কথা শুনে আত্মীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে মৌঃ আবদুল গফুরের লোকজন পালিয়ে যায়। এর ফলে আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা মৌঃ আবদুল গফুরের দলবল জবর দখল করতে পারেনি। মূলত আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা ঘেরাবেরা দিতে ইট বালি জায়গায় আনার পর মৌঃ আবদুল গফুর উক্ত জায়গা জবর দখলে নিতে চেষ্টার অংশ হিসাবে গত ৪ ফেব্রুয়ারী বেআইনি দলবল নিয়ে আমাদের ক্রয়কৃত জায়গায় উপস্থিত হয়েছিল।

আমরা যে আনোয়ারা বেগমের কাছ থেকে জায়গা ক্রয় করেছি মৌঃ আবদুল গফুর আনোয়ারার সেই জায়গাটি আত্মসাৎ করার জন্য বিভিন্ন কলাকৌশল শুরু করে। জায়গার মালিক মৌঃ আবদুল গফুরের চক্রান্তের কথা জানতে পেরে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে নেওয়া জায়গাটি নিরুপায় হয়ে বিক্রি করতে বাধ্য হয় বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা বেগম। এই ঘটনা সম্পর্কে টেকনাফের প্রথম সারীর কয়েক জন সাংবাদিক ভাইয়েরা বিস্তারিত জানেন । সেই মানবিক সাংবাদিক ভাইয়েরা বিভিন্ন সময়ে জায়গার মালিক আনোয়ারা বেগমকে সহযোগিতা করেছেন বলে পরে আমরা জানতে পারি।

নাফ টিভিতে প্রচারিত সংবাদে মৌঃ আবদুল গফুরের ছেলে বলেছে আমরা নাকি চাঁদা না পেয়ে তার মুরগির ফার্মে তালাবদ্ধ করে কর্মচারীদের তাড়িয়ে দিয়েছি। এর কারণে তার অনেক লেয়ার মুরগি খাদ্য খেতে না পেরে মারা গেছে। আমার বক্তব্য হল মুরগির ফার্ম তালাবদ্ধ করাতো দূরের কথা এর ধারে পাশে পর্যন্ত যায়নি। তাদের দেওয়া বক্তব্য মতে মুরগী গুলোকি খাদ্য খেতে না পেরে মারা গেছে? নাকি বর্তমানে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ সহ বিভিন্ন দেশে বার্ডফ্লু জনিত রোগে বহু মুরগি ও পাখির মৃত্যু হচ্ছে সেই বারৃডফ্লুতে মুরগী গুলো মরেছে কিনা পশু চিকিৎসকদের মাধ্যমে পরীক্ষা করার জোর দাবী জানাচ্ছি।

আর নাফ টিভি কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ রাখছি অতীতে টেকনাফ এলাকায় অসংখ্য মানুষ হত্যাকারী বহিস্কৃত ওসি প্রদীপ কুমারের কথায় যেভাবে মিথ্যা নিউজ প্রচার করেছিলেন বর্তমান সময়েও যদি সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। তাতে নিরহ সাধারণ মানুষ গুলো নানা হয়রানির শিকার হবেন। সুতরাং আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি যাহা প্রচার করবেন যাচাই করে সত্য সংবাদ প্রচার করুন। এতে আপনাদের সম্মান যেমন বাড়বে তেমনি আপনাদের গ্রহনযোগ্যতা দেশব্যাপী বিস্তার লাভ করবে। নাফ টিভিতে প্রচারিত মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রচারিত সংবাদ সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আমার শুভাকাঙ্ক্ষী সহ এলাকার সচেতন মহলদের বিভ্রান্ত না হবার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারীঃ
সিরাজুল ইসলাম
পিতা নবী হোছন
হাল সাং কক্সবাজার পৌরসভা কক্সবাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: