রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ১২:০৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় সম্পর্কিত ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

  • সময় বুধবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইন গণমাধ্যমে” ঈদগাহ হাইস্কুলে বিধি বহির্ভূত ফি আদায়– শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক, বানোয়াট ও পরিকল্পিত। সংবাদে সত্যের লেশমাত্র নেই। বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করার পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বিশেষ এটি। এতে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ও গুজব ছড়ানো হয়েছে। মহল বিশেষের স্বার্থসিদ্ধি না হওয়ায় তারা বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। মূল কথা হচ্ছে, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পুনঃভর্তি করা হয়নি। তাদের পুনঃভর্তির প্রশ্নই উঠে না। জনপ্রতি ১৩৮০ টাকা হারে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যাচাই করলে এর প্রকৃত সত্যাসত্য বেরিয়ে আসবে। সংবাদে অভিভাবকের নাম উল্লেখ না করায় অভিযোগের ভিত্তি এবং বস্তুনিষ্ঠতা নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায় এবং ভর্তি কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে তো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদারকি করতে পারেন। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক এর উপ-শাখা এবং এশিয়া রেস্টুরেন্ট এর ভাড়া /জামানত বাবদ গৃহীত টাকা যথাসময়ে বিদ্যালয় তহবিলে জমা করা হয়েছে। চলমান ভর্তি কার্যক্রমে ভর্তি ফি বাবদ যেসব টাকা সংগৃহীত হচ্ছে তা নিয়মমাফিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট তহবিলে জমা করা হয়। বিদ্যালয় গঠিত উন্নয়ন কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের যাবতীয় উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। সম্মানিত শিক্ষক- কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ নয়। বরং ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মতে চলমান মহামারী করোনাকালে বিদ্যালয়ের আর্থিক সংকটের কারণে তা সংশ্লিষ্ট একাউন্টে জমা রয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের বেসরকারি বিল করার সময় প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা উত্তোলন করা হয় না। বিদ্যালয়ের সকল প্রকার নিয়োগ কার্যক্রম যথানিয়মে বিধিসম্মত ভাবে করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক মডেল ভবন নির্মাণের বিষয়টি এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের উপর রয়েছে। কর্তৃপক্ষ ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত বাতিল হওয়ার বিষয়টি এখনো আমাদেরকে অবহিত করেন নি। পুরনো একাডেমিক ভবনে যথানিয়মে নির্মাণ কাজ করা হয়েছে। নিয়মমাফিক অন্য উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। সুতরাং এখাতে ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের কথা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়। মাঠের পূর্বপার্শ্বে সাইক্লোন শেল্টার কাম একাডেমিক ভবনের নকশার কোনরূপ পরিবর্তন করা হয়নি এবং তা এখনো দুর্যোগ-দুর্বিপাকে ব্যবহারের সম্পূর্ণ উপযোগী রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যখনই ভবনটি দুর্যোগে ব্যবহারের জন্য চেয়েছেন তখনই সে সুযোগ পেয়েছেন। ছাত্রাবাসে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে এনে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের ব্যাপারটি আদৌ সত্য নয়। এনটিআরসিএ সুপারিশকৃত শিক্ষকদের কাছ থেকে কোনরূপ টাকা আদায় করা হয়নি। এসব শিক্ষক এখনো কর্মরত রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে প্রকৃত সত্যটা জানা যাবে।
আমি বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্নকারী এমিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নিবেদক-

খুরশীদুল জান্নাত
প্রধান শিক্ষক
ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
সদর, কক্সবাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: