রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

রাজশাহীর বাঘা মাজার এলাকায় অবৈধ ভাবে বসছে শত শত দোকান, ভোগান্তিতে পর্যটক

  • সময় সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী ব্যুরোঃ
রাজশাহীর বাঘা ঐতিহ্যবাহী মাজার এলাকায় গড়ে উঠেছে ফুটপাতের দোকান । বাঘা বাজার সংলগ্ন মাজার গেট এর ভিতরে দিনে দিনে গড়ে উঠছে হকার্স মার্কেট নামে পরিচিত ফুটপাতের দোকান। স্বল্প আয়ের মানুষদের চাহিদা মত কম দামী পোষাক পাচ্ছে এই হকার্স মার্কেটের দোকান গুলিতে । এই হকার্স মার্কেট এর প্রতিটি দোকানেই তুলনামূলক কম দামে পোশাক পাওয়ার জন্যই ধীরে ধীরে দোকানও বৃদ্ধি হচ্ছে আর জমছে ক্রেতাদের ভীড়। মাজারের সংরক্ষিত সীমানার মধ্যে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা প্রায় ১শত ৩০ টি ছোট-বড় দোকান। এই দোকানগুলোতে ২০ টাকা হতে শুরু করে ৬ হাজার টাকা দামেরও পন্য পাওয়া যায়। মাজারের ঐতিহাসিক তেঁতুল গাছের নিচে ও আশেপাশে পুরাতন কাপড় দোকান দেখা যাচ্ছে। তবে পুরাতনের চেয়ে নতুন পোষাকের চাহিদা বেশী লক্ষ করা যায় ক্রেতা কাছে।

মাজারের সংরক্ষিত এলাকাতে গড়ে ওঠা হকার্স মার্কেট নামে পরিচিত ফুটপথের দোকান মালিক জানায়, প্রতিদিন দোকান প্রতি ভাড়া নেয় (বড়-ছোট) ৫০-৭০ টাকা। সাথে আবার যোগ দিতে হয় বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১টি বাল্ব এর জন্য ২০ টাকা,রাতের পাহারাদার ১০টাকা। তাছাড়াও সপ্তাহে ২টি হাট বসায় দেওয়া লাগে অতিরিক্ত আরও ৩০ টাকা। এই টাকা কে নেয় প্রশ্নের উত্তরে দোকান মালিকগন বলেন,বাঘা বাজার কমিটির একজন লোক আছে প্রতিদিন এসে টাকা তুলে নিয়ে যায় তিনি।

বাঘা মাজার-মসজিদ স্ট্যাট এর জায়গাতে নিয়ম বৈহিরভূত ভাবে বসে গেছে শতশত দোকান। পর্যটন এলাকা হিসেবে মাজার সীমানায় প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষের ঘুরাঘুরি। এই হকার্স মার্কেট বা ফুটপথের অগোছানো পলিথিন ও চাটি টাঙ্গিয়ে দোকান বসায় সুন্দর্য নস্ট হচ্ছে মাজার এলাকার বলে জানায় ঘুড়তে আসা দর্শনার্থী । ঘুরতে আসা পর্যটকরা বলেন, এখানে এ দোকানগুলোর কারনে গাড়ী পার্কিং-এ অসুবিধায় পড়তে হয়। এছাড়াও গাড়ী রাখার জন্য গাড়ী প্রতি ২০-১০০ টাকা দিতে হয়।

বাঘা মাজার এলাকার দায়িত্বে থাকা মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব মুনসুর আলী বলেন, আমরা মাজার কমিটি একটি টাকাও পাই না, সব বাজার ইজারাদারা তুলে খাই। বার বার জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে অভিযোগ দিলেও কোন কাজ হয় না। বাঘার হাট ইজারাদার তারা নিজের ইচ্ছে মত মাজার সীমানায় শতশত দোকান বসিয়ে ভাড়া তুলে নেয়।মাজার কমিটি বার বার নিশেধ করলেও তারা দোকান বসিয়ে মার্কেট করে সৌন্দর্য নস্ট করছে,আমরা নিরুপায়।

প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান পিন্টু বলেন, মাজার এলাকায় কোন হকার্স মার্কেট বসার কোন আইন নেই। যেহেতু মাজার কমিটি আছে তারা এটা দেখবে। স্থানীয় মানুষেরা দোকানদারী করে জীবন চালায়, প্ররয়োজন হলে বাঘা পৌরসভা হকার্স মার্কেট তৈরী করে দিবে।

বাঘা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা (মাজার কমিটির সদস্য) তিনি বলেন, মাজার এলাকাটি সংরক্ষিত ও সৌন্দর্য পূর্ণ বাঘার এই জায়গাটি। এই সীমানার মধ্যে অবৈধ দোকান পাট পরিচালনা নিষেধ। পূ্র্বে আমি এই অবৈধ দোকান ভেঙ্গে দিয়েছিলাম। আবার কিভাবে দোকান তৈরী হলো আমার জানা নেই। আগামী মাজার কমিটির মিটিং এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: