ইয়াবা ডাকাতি মামলার আসামি এখন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে জনমনে প্রশ্ন তুলেছেন মনজুর

ইয়াবা ডাকাতি মামলার আসামি এখন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে জনমনে প্রশ্ন তুলেছেন মনজুর

আলোকিত ক্রাইম প্রতিবেদন।

উখিয়া উপজেলার পালংখালীর ডাকাত মাদক কারবারি দিনমজুর রিক্সা ওয়ালা থেকে ইয়াবা
সম্রাট সেই এখন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আবুল মনজুর চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা কারবার থেকে শুরু বন বিভাগের জমি দখল সেই আগে থেকে ইয়াবার ছোঁয়ায় কোটিপতি।
নাম আবুল মনজুর পিতা মৃত সব্বির আহাম্মদ ,গ্রাম দক্ষিণ মহুরি পাড়া লিংক রোড় লম্বা ঘোনা,
থানা রামু, জেলা কক্সবাজার।পুর্ব আবাসন ফালংখালী উখিয়া থানা।সে ফালংখালী থেকে দক্ষিণ মহুরি পাড়ায়২০১১সালে আসে ।
আসার চার বৎসর পর হইতে মরণ ব্যধি ইয়াবা
ব্যাবসায় জড়িয়ে পড়ে সে, তার বিরুদ্ধে
একটি হত্যা মামলা ৪টি ডাকাতি মামলা দুটি ইয়াবার মামলা রয়েছে আছে বলেও জানা যায়,
তবে নিয়মিত হাজিরায় আছে বলে জানা
গেছে।মনজুর আলাম এক সময় দিনমজুর রিক্সা
ওয়ালা ছিলেন,তবে এখন পাড়া গায়ে রহস্যময় এক অদৃশ্য মানুষের নাম। তার প্রতিবেশী মানুষ’জন এখন বড্ড ব্যস্ত তাকে নিয়ে, সারা দিন চায়ের দোকানে চলে মনজুর আলমের কাহীনি।
তার কাহীনি শুনতে আগ্রহী শ্রোতারও
কমতি নেই, অনেকই ভিড় করে তার কাহীনি
শুনতে । গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে মনজুর আলম অন্যদের মত এখনি বিলাসবহুল ঘর বাড়ি করতে নারাজ,তাই কয় একজন ঘনিষ্ঠ সজনদের নামে বাংকে জমা রাখা হয়েছে তিন কোটি টাকারও বেশি টাকা । মনজুর আলম রাতারাতি আঙুল ফুলে কলা গাছ বনে যাওয়ায় সহযে মানুষের চোখে পড়ে যায়,তাই বাড়িতে তেমন থাকেনা মাঝে মাঝে আসে, রাতের আঁধারে তার চলাচলে সিমাবদ্ধ ।এখনো নিয়মিত ইয়াবা চালানে মনজুর আলমের জুটি নেই বললে চলে।এবং তার সহযোগী হিসাবে সি এন জি ড্রাইভার মোবারক সহ আরো কয় এক’জন কাজ করছে বলেও জানা গেছে।মনজুর আলম পুলিশকে বোকা বানতে
ওস্তাত। এইসব কাহিনী ২০১৭ সালের ২০২০ বর্তমান সদ্য কারাভোগের পরে প্রশাসনের চোখে দুলো দিতে এখন ভুয়া সাংবাদিক এর কার্ড গলায় জুলাইয়ে ঘোরে বেড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ে চলছে বনভূমি যায়গা দখল সাংবাদিক এর হুমকি ধমকি-ধামকি, আবার আলোচনার ও শেষ নেই জনমনের কাছে একজন ডাকাত আর ইয়াবা গডফাদার এর কাছে কি করে সাংবাদিক কার্ড হইলো সেটা সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, গত দুইদিন আগেই তাহার বিরুদ্ধে সরকারি বন বিভাগের প্লটের যায়গা দখল নিয়ে প্রিন্ট পত্রিকা অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে আবুল মনজুর, সেখানে ও তাহাকে শেল্টার দিচ্ছে কিছু অসাধু সাংবাদিক এসব ভুয়া সাংবাদিক কথার কথা তুলতে আবুল মনজুর বলেন আমি ঢাকা বিমানে যাতায়াত করে এমারজেন্সি কার্ড সংগ্রহ করেছি বিশেষ সুত্রে জানা যায় সেই সাংবাদিক কার্ড ব্যবহার করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে পুরোদমে,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: