মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

ইয়াবার ছোঁয়ায় টাকার বালিশ দিয়ে ঘুমাচ্ছে পালংখালীর শাহেদ প্রকাশ ( সাহাইয়া)

  • সময় সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪১৭ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেদন আলোকিত উখিয়া।

ইয়াবা কারবারের জন্য কক্সবাজারের ‘দ্বিতীয় টেকনাফ’খ্যাত উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকা। রোহিঙ্গা ক্যাম্প কে কেন্দ্র করে পালংখালী গড়ে উঠেছে ইয়াবা কারবারের বিশাল সিন্ডিকেট।

পুুলিশের কড়া অভিযানের মুখে ২০১৮ সালের শেষের দিকে এই এলাকার ইয়াবা কারবারিরা ‘ক্রসফায়ার’ ভয়ে পালিয়ে গেলেও টেকনাফে মেজর (অব.) সিনহার ঘটনার পর আবার এলাকায় ফিরেছে। পালিয়ে থেকে ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে আসলেও এখন পুরনো সব নেটওয়ার্ক সচল করে কারবার চাঙা করার জন্য ইয়াবার আলোচিত ডাকাত শাহেদ প্রকাশ সাহিয়া) বাড়িতে টাকার বালিশ দিয়ে ঘুমাচ্ছে এক সময় টাকার অভাবে ডাকাতি করতো এখন টাকা দিয়ে বালিশ সব কিছু যেনো আলাদীনের চেরাগ পেয়েছে রোহিঙ্গা সিন্ডিকেট তৈরি করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিস্ক্রিয়তায় যেন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে কারবারিদের মধ্যে।

হাজী নুরুল ইসলামের পুত্র শাহেদ হোসেন (সাহাইয়া) মূলত রোহিঙ্গাদের জিম্মি করে টাকা আদায় এবং কিছু রোহিঙ্গাদের কাছথেকে ইয়াবা লেনদেন করে এখন কোটি পতি দীর্ঘদিন শাহেদ কারাগারে থাকার পরে কারাগার থেকে বাহির হয়ে এখন টাকা দিয়ে বালিশ বানিয়ে মনের শখে ঘুমাচ্ছে।

গত একবছর আগে কারাগার থেকে বাহির হয়ে শুরু করেন ইয়াবা কারবার। আলোচিত রোহিঙ্গা ইয়াবা কারবারি মিয়ানমার এর চাকমা কাটার নবী হোসেন এর সাথে পার্টনারে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেন সাহেয়া । ধীরে ধীরে ইয়াবা জগতের মাফিয়া ডনে পরিণত হন তিনি।

বর্তমানে ২০টি স্পটে জমি কিনেছেন। বাড়িও আছে কয়েকটি গাড়ি রয়েছে কয়েকটি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাহেদ সরকারের তালিকাভুক্ত ডাকাত ইয়াবা কারবারী তার বিরুদ্ধে রয়েছে অস্ত্র মামলা, হত্যা মামলা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মানবপাচারের তালিকাতেও তার নাম আছে শীর্ষে।

বিশেষ সুত্রে জানা যায় পালংখালী পশ্চিম দিকে বনভূমি যায়গা বেশির ভাগ তাঁর দখলে এবং সেই ক্রয় কর ফেলেছে এবং নয়া পাড়া ১০ একর জায়গা কিনেছেন, তাহার এলাকায় সাধারণ মানুষ তার বিরুদ্ধে কিছু বলতে ভয় করে সেই কয়েকটি মার্ডার মামলার আসামি এবং কুন করতে চিন্তা করে না, এলাকার সাধারণ মানুষ তাহার বিরুদ্ধে কিছু বললেই চলে তাদের উপর নির্মম নির্যাতন।

এই বিষয়ে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ এর চেষ্টা করা হলে মোবাইল বন্ধ থাকায় তাহার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আহমেদ সজ্জুর মোরশেদ বলেন ইয়াবা কারবারি সেই যতই ক্ষমতাধর হোন কেউ রেহাই পাবে না আমরা খুব দ্রুত অভিযান শুরু করবো বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: