মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ১১:৪৯ অপরাহ্ন

আকবর নামা! শাহানামা! পুলিশ নামা

  • সময় মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

আকবরনামা আবুল ফজল আল্লামী বিরচিত ঐতিহাসিক ঘটনাপঞ্জি সম্বলিত ফার্সি গ্রন্থ।
আবুল ফজল ছিলেন সম্রাট আকবর এর দরবারের ইতিহাস লেখক।আকবরনামা তিন খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ডে রয়েছে বাবর ও হুমায়ুনের রাজত্বকাল ,দ্বিতীয় খন্ডে আকবরের রাজত্ব কাল এবং তৃতীয় খন্ডে আকবরের সাম্রাজ্যে প্রচলিত বিধিবিধান । এ খন্ডের নাম আইন-ই-আকবরী
শাহানামা হল মহা কাব্য।সুলতান মাহমুদ ইতিহাস ঐতিহ্য দিয়ে কাব্যগ্রন্থ লিখলে কবি আবুল কাশেম ফেরদৌসী কে স্বর্ণ মুদ্রা উপহার দিবেন। কিন্ত তা দেন নি দিতে চেয়েছিলেন রৌপ্য মুদ্রা।এই রাগে কবি বাড়ীতে চলে গিয়েছিলেন। পরে অবশ্য সম্রাট ভুল বুঝতে পেরেছিলেন।আসলে শাহানামা তে প্রমাণ হয়েছে ইতিহাস ঐতিহ্য সবাই সহ্য করতে পারে না।
সিলেটের আকবর একজন উচ্ছিষ্ট, অপায়া, নালায়েক, অপক্ক,হীন,বেত্তোমিস, বেহায়া, বেশরম কাজ করেছে।তার আকবর নামার কোন খন্ড বিখন্ড নেই।তার রাজত্বের কাপুরুষচিত অত্যাচার পুরো দশ দেখেছে।একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে আমি তো হুতুম পেচার মত হতবাক। একে বারে যেন তেলাকুচা পাতায় ভাত খাওয়া দায়।
ম্যানা শয়তান আসামী ধরছে না ব্যাক্তিগত অসার, সাধন করে প্রতিশোধ নিয়েছে তা যেন উন্মুক্ত মঞ্চস্থ। আইনের ভাষায় কোন ব্যাক্তিকে পুলিশ হেফাজতে আনলে সে হেফাজত বা আটকের প্রথম চব্বিশ ঘণ্টা হবে থানা,থানা হাজত।এবং সে হাজত খানার আইনে নির্ধারিত পরিমাপ আছে।ফাঁড়িতে তো কোন হাজত হয় না।অস্ত্রাগার থাকে।তাছাড়া ফাঁড়ি এলাকার কোন ব্যক্তির হেফাজত থানায় হতে হবে।থানা এলাকার যে কোন লোক পুলিশ হেফাজতে যেতে হলে ওসি কে জানতে হবে।থানা ,ওসি হেফাজত, হাজত,একই সংগে ঘটতে হবে।
আকবরের আকবর নামা বিধি বিধানের উল্টো।
আচ্ছা সেটা যাচাই বাছাই বা আইনের বিচার হবে আদালতে।পুলিশের প্রশিক্ষণ থাকা সত্বেও তিনি আইনের কাছে পালিয়ে ধরা দিলেন খাসিয়া দের খরার ফাটকে।বড়ই খাসা। ব্যাটা পুলিশ হয়ে জোর হাত করে নষ্ট দুষ্ট ভষ্ঠের বিরক্তিকর কান্না র ভংগী পুলিশ, পুলিশের অফিসার এসব কে বিকিয়ে দিয়েছে।সে ভাবমুর্তি নষ্ট করেছে।
খাটাশ আর অপদার্থ টা আইনের শপথ করে পলায়ন করার চিন্তা কাপুরুষচিত। এবং ভিডিও চিত্র দেখে হয়ত সবার ই মেজাজ বিগড়েছে।
অপরাধ করেছিস। বিচারে যাবি।বিধি বিধান মত যা শাস্তি হয় তা মেনে নিতে বাধ্য। অবশেষে কি হল। তোর গতির বেগতি সাথে সাথে পুলিশের ও ভাবমুর্তি নষ্ট। তোর তো মুখ না আহমুখ, চেহারা না গোবেচারা। নরপশু নরপিচাশ, ছেঁচড়া, মূর্খ, গন্ডার, তান্দর ও তো বোঝে যে পুলিশের পালানো উচিত ও না আর পালানোর পথও নেই।অপরাধ করলে নিজের সমার্পন দিয়ে বাহিনীর জন্য দিয়ে যেতে হবে আইনের সম্মান। ইতিহাস ঐতিহ্য এর শাহানামা তো তাই বলে।
এদিকে একজন সিনিয়র এ এসপি কে অমানবিক, অমানুষিক, কাপুরুষচিত, নিন্দিত, ঘৃনিত ভাবে একটি হাসপাতালের মধ্যেই নিহত করেছে।হায়রে তাদের হাঁসের পাতাল!সাহস আর ধৃষ্টতা কত?আবার ভিডিও তে দেখা গেল। চিকিৎসাধীন এ কোন ঐতিহ্যের শাহানামা।আরোগ্যের আশার নামাতে পাশবিক নির্যাতন ।আর হাসপাতালে ঠান্ডা মাথায় হত্যা।তবুও পুলিশ অফিসার কে।ইউনিফর্ম এর রং,বর্ন, বৈশিষ্ট্য, বৈচিত্র্য, গাম্ভীর্য, এতটা হালকা ভাবে একটা তথাকথিত হাসপাতালের সিসি ক্যামেরায় এভাবে মোচর খাবে।
ঔধার্যের তারিফ করব না মস্তুল মারা উচিত?থুথু মেরে তাদের চুলে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। অদমবোস কদমের ছালা, ব্যাটা পুলিশ কি কেজি দরে !সিনিয়র এএসপি কি ঘন্টায় ঘন্টায় তৈরি হয়।মানুষিক চিকিৎসা কি এমন যে নিবৃত্তের দোহাই দিয়ে মানুষকে মেরে ফেলতে হবে।
রাষ্ট্রের একটি বাহিনীর সদস্য জেনেও নূন্যতম অনুভূতি কাজ করে নাই।তারা আসলেই গন্ডার আর গরিলা। চামচিকাও বটে।চোখে দেখল কিন্ত ইউনিফর্ম এর উপর অবৈধ জোরপূর্বক আঘাতের পরিনাম কি হচ্ছে।তবুও থামে না ।আকবরের আকবর নামা আর শাহেনশাহ এর শাহনামা পড়া থাকলে হবে না ।তার বাস্তবায়ন আছে কিন্ত!
আনিসুল করিম দের দরদ পুলিশ নিতে জানে কিন্ত। আবার বাহিনীর সৌন্দর্যের রক্ষায় আকবর দের হাতে পায়ে কেউরি দড়ির বাধন দিতে পারে ।
এস আই আকবরের পশুত্ব যেমন আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে নেই।তেমনি আনিসুল করিম দের চিকিৎসার নামে শয়তানীর জবাব দিতে নুনতম দ্বিধা নেই।যে মুদ্রার যে পুরস্কার আর যে নামার যে আমল যে বিধি বিধান।
তাই সবে সবাই প্রস্তুত মোরা পুলিশের আদর্শ ধরে রাখতে পুলিশ নামা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: