বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

ইয়াবা গডফাদার মাহামুদুল হক প্রকাশ বার্মায়ার রয়েছে বিভিন্ন সিন্ডিকেট

  • সময় রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেদন আলোকিত উখিয়া।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালীর শীর্ষ ইয়াবা কারবারি অপকর্মের হোতা,বহু মামলার আসামী ছৈয়দ নুর বাহিনীর প্রধান ছৈয়দ নুর একটি মারামারির মামলায় জামিন চাইতে গেলে আদালত সৈয়দ নুর কে কারাগারে পাঠালেও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে তাহার সিন্ডিকেটের প্রধান তাহার আপন বোনের জামাই মাহমুদুল হক প্রকাশ বার্মায়া।

বিশেষ সুত্রে জানা যায় এই মাহামুদুল হক প্রকাশ বার্মায়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যতসব অভিযোগ সেই ক্যাম্পে চাল,ডাল,তেলের,৫৪ জনের সিন্ডিকেটের সভাপতি এক প্রকার ক্যাম্প এরিয়া তাহার আয়ত্তে রয়েছে, বললেই চলে, রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন সময় নির্যাতনের কথা শুনা গেছে তাহার বিরুদ্ধে, সেই রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা পাচার করে আসছে অনেক দিন ধরে।

তাহার বিরুদ্ধে রয়েছে কয়েকটি ইয়াবার মামলা মাহমুদুল হক (৫০) (প্রকাশ বার্মাইয়া)
শ্বশুর ঃ মৃত নুর আহমদ।
গ্রামঃ বালুখালী পুর্ব পাড়া ০২ নং ওয়ার্ড থানাঃ উখিয়া – কক্সবাজার, মামলাঃ উখিয়া থানার FIR নং ১২-৫৯৯ তাং ১৩/১২/১৯বর্তমান ইয়াবা চালানের ৩য় শক্তিশালী ব্যক্তি মাহামুদুল হক প্রকাশ বার্মায়।

বালুখালী রোহিঙ্গাদের রেশন ক্রয়ের সিন্ডিকেটের ৫৪ জন সদস্যদের মধ্যে সে সভাপতি, তার টেকনাফ – কক্সবাজার লাইনে রয়েছে ২ টি বাস, বালুখালীতে রয়েছে ২ টি ডাম্পার,কয়েকটি বাসা-ভাড়া ঘর ও আছে। নিজের বাড়ির কথা বলার নেই কোটি টাকার তৈরি সরকার এসব অবৈধ সম্পদশালী কেন দেখে না।
কিছু স্হানীয়দের সাথে কথা বললেই তারা বলেন রোহিঙ্গারা এই দেশে এসে ইয়াবা ব্যবসা করে প্রচুর পরিমাণ সম্পদশালী হয়ে গেছে এদের প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারী জরুরী মনে করি আমরা।

উখিয়ার একজন মানবাধিকার কর্মীর সাথে কথা বললেই তিনি ও একি উত্তর দেন রোহিঙ্গারা এখানে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে এই রোহিঙ্গা মাহামুদুল হক প্রকাশ বার্মায় কি করে এতো সম্পদশালী হয়েছে প্রশাসন জেনেও নিরবে ইয়াবা কারবারি যে-ই হোক আইনের উর্ধ্বে নয়।

এদিকে ইয়াবা গডফাদার সৈয়দ নুর কারাগারে যাওয়া এলাকায় মিষ্টিমুখ হচ্ছে

স্থানীয় জনসাধারণের অভিমত ছৈয়দ নুর বাহিনীর অন্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দিলে বালুখালীতে অনেকটা শান্তিময় পরিবেশ বিরাজ করবে বলে জানা যায়।

মাদকমুক্ত বালুখালী গড়তে তাদের কে আইনের আওতায় আনা জরুরী বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: