ডিবিসি নিউজে বাবুর মিথ্যাচারের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে হোটেল জামান সী হাইটস কতৃপক্ষের বিবৃতি

ডিবিসি নিউজে বাবুর মিথ্যাচারের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে হোটেল জামান সী হাইটস কতৃপক্ষের বিবৃতি

কক্সবাজারস্থ হোটেল জামান সী হাইটস নিয়ে গত ২২ অক্টোবর ২০২০ইং তারিখে ডিবিসি নিউজ টেলিভিশনে “হোটেল মালিকের কাছে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়রের ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবী “ শিরোনামে সংবাদ পরিবেশন করেন। পরিবেশিত সেই সংবাদে আত্মস্বীকৃত ইয়াবা ডন শাহজাহান আনসারী আমাদের স্বত্বাধিকারী কক্সবাজার ট্যুরিস্ট জোনস্থ হোটেল জামান সী হাইটস দখলে রাখার আমার বক্তব্য প্রচার করেন। সেই বক্তব্যে আমি মিথ্যাচার করেছি মর্মে গত ২৩ /১০/২০২০ ইংরেজি তারিখে কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত স্থানীয় সংবাদপত্র দৈনিক দেশবিদেশ ও দৈনিক হিমছড়ি সংবাদ পত্রে আত্মস্বীকৃত ইয়াবা ডন শাহজাহান আনসারীর পিতা নুর মোহাম্মদ আনচারী ” ডিবিসি নিউজে বাবুর মিথ্যাচারের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা ” শিরোনামে প্রতিবাদ প্রচার করেন। প্রচারিত সেই প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা সম্পর্কে আমি জামান সী-হাইটস এর মালিক হিসাবে জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আমার তথ্য সমৃদ্ধ বিবৃতি প্রদান করছি।

প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা প্রদানকারী নুর মোহাম্মদ আনচারী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন “তার ছেলে শাহজাহান আনচারী ০৫/১২/২০১৬ ইংরেজি তারিখের লিখিত ০৬/১২/২০১৬ ইংরেজি তারিখে কক্সবাজার নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ের ৫৪ নং ভাড়া নামা মুক্তিনামা মূলে ১০/১২/২০১৬ ইংরেজি হতে ৩০/১২/২০২১ ইংরেজি পর্যন্ত মেয়াদে চুক্তির মাধ্যমে ভাড়া নিয়া পরিচালনা করে আসছিল।

হোটেল ব্যবসা শান্তিপূর্ণ ভাবে পরিচালনা কালে ভিন্ন কারণে আমার ছেলে কারাগারে অন্তরীণ থাকার সুযোগে চুক্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে ভাড়া নামা চুক্তির শর্ত লংঘন করে প্রশাসনকে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে হোটেল থেকে আমার ছেলের নিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জোর করে বের করে দেওয়ার অব্যাহত ষড়যন্ত্র করে অাসছে। এতে আমার ছেলের পক্ষে তার স্ত্রী জিগারুন্নেছা মহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন নং ১৪৭৩/২০১৯ ইংরেজি দায়ের করলে মহামান্য হাইকোর্ট আমাদের পক্ষে আদেশ প্রদান করেন।

কক্সবাজার সিনিয়র সহকারী জজ আদালত সদর কক্সবাজারে অপর ৩০০/১৯ ইং দায়েরক্রমে স্থিতাবস্থার আদেশ, বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা জজ আদালতে অপর ০৬/২০ ও মানি ০২/২০ দায়েরক্রমে বিচারাধীন আছে। আদালতের বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তি না হতে চুক্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে পার্শ্বে লিখিত ব্যক্তি আমার ছেলের ভাড়া নেওয়া হোটেল পরিচালনাকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের জোর করে বের করে দিবে, মারবে, কাটবে, মামলা মোকদ্দমা করবে, মিথ্যা সংবাদ প্রচার করবে, জেলে দিবে সহ বিভিন্ন ভাবে ইতিপূর্বে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন।

ফলে এ সবের অংশ হিসাবে ডিবিসি নিউজে এ মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে। শুধু তাই নয়, ওয়াহিদুজ্জামান বাবু তার প্রতিনিধি ইকবাল কতৃক আমাদের হতে দৈনিক ভাড়া নেওয়া ফ্লাট নং ৩০২,৩০৪,৩০৫,৩০৭,৩০৮ ও ৪০৩ নং কক্ষে রহস্য জনক নারী পুরুষের অবাধ, অনৈতিক বিচরণ লক্ষণীয়। আশংকা করছি, তারা অনৈতিক কিংবা খারাপ কিছু করে আমার সন্তান, কর্মচারীদের উপর ছাপিয়ে দিতে পারে।

ইতোপূর্বে বাবুর লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা আমার মেঝ সন্তান কাশেম আনচারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। এতে বর্তমানে সে পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এছাড়া সংবাদে কক্সবাজারের সর্বজন শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদ কক্সবাজার পৌরসভার সম্মানিত মেয়র মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কথিত মিথ্যা কোটি টাকা চাঁদা দাবির কল্পিত নাটক সাজিয়েছে। দু’পক্ষের সৃষ্ট সমস্যায় একজন বিচারকের বিরুদ্ধে ভয়েস রেকর্ড কাটপিস করে মিডিয়ায় সরবরাহ বাবুর মিথ্যাচারের জঘন্য নমুনা “। তিনি ডিবিসি নিউজে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তাহার প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা সম্পর্কে আমার বক্তব্য হল, আত্মস্বীকৃত ইয়াবা ডন শাহজাহান আনচারীর পিতা তার ছেলের সাথে নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে ৫৪ নং ভাড়া নামা চুক্তি হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন,তাতে আমাকে চুক্তি দাতা ও তার ছেলে শাহজাহান আনচারীকে চুক্তি গ্রহীতা উল্লেখ করেছেন। এই চুক্তিটি যে মিথ্যা বানোয়াট জাল জালিয়াতের মাধ্যমে সৃজন করা হয়েছে তার দুটি প্রমাণ তুলে ধরলে কক্সবাজারবাসী যে কেউ সহজে বুঝতে পারবেন ৫৪ নং ভাড়া নামা চুক্তিটি আমার মাধ্যমে সম্পাদন করা হয়নি।

কারণ নোটারী পাবলিকের কার্যালয় কতৃক ৫৪ নং ভাড়া নামা চুক্তিপত্রে যে ৪ টি ১০০/টাকা মুল্যমানের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহৃত হয়েছে। যার নাম্বার যথাক্রমে, কড – ৭৩৮৬৯২২, কড- ৭৩৮৬৯২৩,কড-৭৩৮৬৯২৪, কড- ৭৩৮৬৯৪২। এই স্ট্যাম্প গুলো চট্টগ্রাম ট্রেজারী হতে বিগত ২৪/০৪/২০১৭ খ্রীস্টাব্দ তারিখে সরবরাহ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম ট্রেজারীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর উপরোল্লেখিত স্ট্যাম্পের সংবাদ চাইলে, ট্রেজারী অফিসার চট্টগ্রাম কতৃক স্বাক্ষরিত সংবাদ গত ১২/০৩/২০২০ ইংরেজি তারিখে প্রদান করেন। যাহা আমার বিরুদ্ধে করা কক্সবাজার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের অপর ৩০০/১৯ ইংরেজি নং মামলায় আমার জবাবের সাথে সংযুক্ত করা আছে।

৫৪ নং নোটারী পাবলিক কার্যালয় কতৃক ভাড়া নামা চুক্তি সম্পাদনের তারিখ দেখানো হয়েছে ০৬/১২/২০১৬ ইংরেজি তারিখ। আমার বক্তব্য হল উল্লেখিত ভাড়া নামা চুক্তি পত্রে ব্যবহৃত স্ট্যাম্প গুলো সরবরাহ যদি ২৪/০৪/২০১৭ ইংরেজি তারিখে করা হয় , তাহলে ০৬/১২/২০১৬ ইংরেজি তারিখে সম্পাদিত ৫৪ নং ভাড়া নামা চুক্তিটিতে ব্যবহৃত ১০০/টাকা মূল্যমানের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প গুলো ২০১৬ ইংরেজিতে শাহজাহান আনচারী কিভাবে পেলো ? বিচারাধীন অপর ৩০০/১৯ নং মামলার বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন মামলাটি কতটুকু সত্য তাহা বিজ্ঞ আদালতই নির্ধারণ করবেন। নিশ্চয় কক্সবাজারের সচেতন মহল সহজে বুঝতে পারবেন ৫৪ নং ভাড়া নামা চুক্তিটি আসলেই জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজন করা হয়েছে।

আরো উল্লেখ করা যেতে পারে কক্সবাজার নোটারী পাবলিকের যে কার্যালয়ের মাধ্যমে ৫৪ নং ভাড়া নামা চুক্তিটি সম্পাদন করা হয়েছে সেই কার্যালয় কতৃক ২৭০৪ রেজিষ্ট্রেশন নং ০৯/১২/২০১৯ ইংরেজি তারিখে সম্পাদিত একটি প্রত্যায়নপত্র প্রদান করেছেন। এই প্রত্যায়নপত্রে উল্লেখিত কথা গুলো হুবহু তুলে ধরলাম।

” বিগত ০৬//১২/২০১৬ ইংরেজি তারিখে হোটেল ভাড়া নামা চুক্তিপত্র আমার নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে সম্পাদিত মর্মে পরিলক্ষিত হয়। আমার জানামতে উল্লেখিত হোটেল জামান সী- হাইটস এর মালিক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান, পিতা মরহুম ডাঃ নুরুজ্জামান নামে (ছবি সংযুক্ত) কোন ব্যক্তি আমার কার্যালয়ে নোটারী পাবলিক করিতে আসেনি কিংবা উপস্থিত হননি। তবে উপরোক্ত মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান নামে অন্য কোন মিথ্যা ও ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়ে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে অত্র ভাড়া নামা চুক্তিপত্র সম্পাদন করতে পারে।

সুতরাং ভাড়া নামা চুক্তিপত্রে ১মপক্ষ মালিক হিসেবে হোটেল সী-হাইটস এর মালিকের নামে মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান এর স্বাক্ষর সম্পুর্ণ ফেরবী, সৃজিত ও বানোয়াট। এমতাবস্থায় হোটেল জামান সী-হাইটস এর মালিক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান বিগত ০৬/১২/২০১৬ ইংরেজি তারিখে সম্পাদিত ৫৪ নং নিবন্ধিত ভাড়া নামা চুক্তিপত্রে প্রকৃত পক্ষে কোন স্বাক্ষর প্রদান করেন নি। তবে নিবন্ধনের সময় ছবি না দিয়ে পরবর্তীতে ছবি দিয়ে সীল মেরে নিয়ে যায় “। এই হল আমাকে দেওয়া প্রত্যয়নপত্র।

নুর মোহাম্মদ আনচারী আরো উল্লেখ করেছেন আমার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা তার মেঝ ছেলে কাশেম আনচারীকে হামলা চালিয়েছে বলে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন। প্রকৃত ঘটনা হল, উক্ত হোটেলে অপরাপর সঙ্গীদের সাথে ঢাকা ব্রিটিশ কাউন্সিলে অধ্যায়নরত একজন ছাত্রী শাহজাহান আনচারীর জবর দখলে রাখা কক্ষ পর্যটক হিসাবে ভাড়া নেই। শাহজাহান আনচারীর লালিত খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে। সেই ইয়াবা সেবন করে ঐ ছাত্রীর মৃত্যু বরণ করলে স্থানীয় এবং জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে সেই খবর ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল।

সেই সংবাদের জের ধরে কক্সবাজার সদর মডেল থানার তৎকালীন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা হোটেলে অভিযান চালালে, হোটেল থেকে পালানোর সময় কাশেম আনচারী নালাতে পড়ে পায়ে আঘাত পেয়ে পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনাকে ঢাকতে তার মেঝ ছেলেকে হামলা করার আমার বিরুদ্ধে প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে।

তিনি হোটেল জামান সী- হাইটস এর যে কক্ষ গুলো জনৈক ইকবালের মাধ্যমে ভাড়া নিয়েছি বলে উল্লেখ করেছেন তাহা ডাহামিথ্যে ছাড়া কিছুই নয়। এই হোটেল চালু করার সময় থেকে উল্লেখিত কক্ষ গুলো আমাদের নিজস্ব ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত করা ছিল। সুতরাং তার ভাড়া নেওয়া কাহিনীটি পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছুই নয়।

তার ছেলে শাহজাহান আনচারী ভিন্ন কারণে কারা অন্তরীন রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। প্রকৃত ঘটনা হল, বিগত ২০১৯ ইংরেজি ১৬ ফেব্রুয়ারিতে টেকনাফ পাইলট হাইস্কুলের মাঠে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও তৎকালীন বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ডঃ জাবেদ পাটোয়ারীর হাত থেকে ফুল নিয়ে ১০২ জন আত্মস্বীকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সাথে আত্মসমর্পণ করেন। সেই সময় ১০২ জন আত্মস্বীকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ অনুষ্টানটি চ্যানেল ২৪ ( টুয়েন্টি ফোর) সহ বিভিন্ন জাতীয় ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল।

যাহার ফাইল ফুটেজ হিসাবে ডিবিসি নিউজ গত ২২ অক্টোবর প্রচারিত সংবাদে প্রচার করেন। এই ঘটনা তুলে না ধরে “ভিন্ন কারণে” উল্লেখ করে নুর মোহাম্মদ আনচারী কৌশলে এড়িয়ে গেছেন। কক্সবাজারে প্রচলিত রয়েছে যে এই পরিবারের প্রত্যেক সদস্য মরন নেশা ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা।

ডিবিসি নিউজে প্রচারিত অডিও রেকর্ডে আমার সাথে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়রের যে কথপোকথন হয় তা কোন কাট পিস কিনা কক্সবাজারের অনেক সংবাদ কর্মী থেকে শুরু করে সচেতন মহল অবগত রয়েছেন। মজার বিষয় হল ডিবিসি নিউজ প্রতিবেদক অডিও রেকর্ড সম্পর্কে মেয়র মহোদয়ের কাছে মুঠোফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে, মেয়র মহোদয় যে বক্তব্য প্রদান করেন সেই বক্তব্যের সাথে নুর মোহাম্মদ আনচারীর বক্তব্যের কি মিল আছে?

তাহা যারা সংবাদটি দেখেছেন এবং মেয়রের বক্তব্য শুনেছেন নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারবেন আমি মিথ্যা বলছি নাকি আত্মস্বীকৃত আত্মসমর্পণকারী ইয়াবা ব্যবসায়ী শাহজাহান আনচারীর পিতা নুর মোহাম্মদ আনচারী মিথ্যা বলছেন। তার উত্তর খুঁজে পাবেন প্রচারিত সংবাদের মধ্যেই রয়েছে। নুর মোহাম্মদ আনচারীর বক্তব্যে বলছেন আমি অডিও রেকর্ডটি কাট পিস করেছি। ডিবিসি নিউজ টেলিভিশনের প্রতিবেদকের কাছে মুঠোফোনে দেওয়া মেয়রের বক্তব্য হল, ” না এটা ভাই সঠিক কথা নয়। এটা কারো কণ্ঠ আমার মত করে সে সময় করা হয়েছে– “। অর্থাৎ নকল করা হয়েছে। নুর মোহাম্মদ আনচারী প্রদত্ত বক্তব্য মতে এক প্রকার স্বীকার করেছেন যে, ডিবিসি নিউজ টেলিভিশনে প্রচারিত বক্তব্যটি কক্সবাজার পৌরসভার মেয়রের। প্রচারিত সংবাদের অডিও রেকর্ডটি আমি শুধু কাট পিস করেছি।

সম্মানিত কক্সবাজারবাসী, শাহজাহান আনচারীর কবল থেকে আমার হোটেলটি ফিরে পেতে কক্সবাজার পৌরসভার সম্মানিত মেয়র মহোদয় থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন জনের দুয়ারে দুয়ারে গেছি। যার কারণে হোটেলে থাকা মালিক পক্ষের নির্ধারিত কক্ষে অবস্থান রত আমার কর্মচারী এবং আমার নিকটতম আত্মীয় স্বজনদের হোটেল থেকে বের করে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় হামলা করে রক্তাক্ত জখম ও লুঠপাট চালিয়েছিলো যাহার মামলা পর্যন্ত করতে পারিনি শাহজাহান আনচারীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দানকারী গডফাদারদের কারণে। সেই সময়ের ঘটনা সমুহের সংবাদ স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল।

বর্তমানে ডিবিসি নিউজ টেলিভিশনে প্রচারিত সেই সংবাদের কারণে আমার এবং আমার হোটেলে থাকা আমার কর্মচারী ও নিকট আত্মীয়ের উপর শাহজাহান আনচারীর লালিত সন্ত্রাসীরা হামলা করার সমুহ আশংকা প্রকাশ করছি। কারণ অতীতেও এই চক্রের বিরুদ্ধে গণমাধ্যম কর্মীরা সংবাদ প্রচার করায় বিভিন্ন সময় হামলা করা হয়েছিল। এমনকি তাদের নির্দেশে হামলার কারণে হোটেল ফ্লোরে জমাট বাঁধা রক্তাক্ত চিহ্ন সমুহ জখমীদের প্রাননাশের হুমকির মাধ্যমে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার নির্মম ঘটনাও রয়েছে।

অতীতে সংঘটিত ঘটনা সমুহের আলোকে আমি স্থানীয় ভাবে দায়িত্ব পালনরত সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, ডিবিসি নিউজ টেলিভিশনে গত ২২ অক্টোবরে প্রচারিত সংবাদের জের ধরে শাহজাহান আনচারীর গডফাদারের ইন্ধনে শাহজাহান আনচারীর লালিত বা ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমার এবং হোটেলে থাকা আমার পরিবার ও কর্মচারীদের উপর যে কোন সময় হামলা করতে পারে। সুতরাং বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা চরম মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে আছি বিধায় আপনাদের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি হোটেল জামান সী হাইটসের প্রতি লক্ষ্য রাখা এবং আমাকে আইনগত সহযোগিতা করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।

বিবৃতি প্রদানকারীঃ-

মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান
মালিক হোটেল জামান সী-হাইটস কক্সবাজার ।
তারিখঃ- ২৪/১০/২০২০ ইংরেজি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: