রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

খুলনায় শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে কেএমপি’র ১২দফা নির্দেশনা

  • সময় রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

মেহেদী হাসান, খুলনা প্রতিনিধিঃ-
মহামারি করোনা ভাইরাসে এবারের দুর্গোৎসবের চির পরিচিত আমেজ থাকছে না। মহালয়া থেকে শুরু করে শারদীয় এই উৎসবের সব ক্ষেত্রেই থাকছে স্বাস্থ্যবিধির কড়া নির্দেশ। এবার দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানমালা শুধু ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে মন্দির প্রাঙ্গণেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) কেএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে কমিশনার মাসুদুর রহামান ভূঞা’র সভাপতিত্বে দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মন্দিরে একত্রে ১০জনের বেশি প্রবেশ না করাসহ ১২দফা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) এসএম ফজলুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এএন্ডও) সরদার রকিবুল ইসলাম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোল্যা জাহাঙ্গীর হোসেন, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিএসবি) রাশিদা বেগম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) বিএম নুরুজ্জামান , ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ এহ্সান শাহ, ডেপুটি উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এমএম শাকিলুজ্জামানসহ কেএমপি’র সকল সহকারী পুলিশ কমিশনারবৃন্দ এবং অফিসার ইনচার্জবৃন্দ। এছাড়া সভায় খুলনায় কর্মরত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, কেসিসি, পুলিশিং ফোরাম ও খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডুসহ থানা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

এবারের পূজা উদযাপনে কেএমপি’র ১২দফা নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে-

১) কোভিড-১৯ সংক্রামন প্রতিরোধে ভক্ত ও অতিথিদের পূজামন্ডপে সরকারী নির্দেশনা অনুসারে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা।
২) স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা।
৩) অঞ্জলি ও আরতি অনুষ্ঠান (সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী) টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা।
৪) মন্দিরের প্রবেশ পথে হাত ধোয়া ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার এর ব্যবস্থা রাখা।
৫) পূজামন্ডপে আগত সকলের মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা এবং মন্দির ও আশপাশ এলাকায় জীবানুনাশক স্প্রে করা।
৬) শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা বিসর্জন পরিহার করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা।
৭) সকল পূজামন্ডপে সিসি ক্যামেরা, হ্যান্ডহেন্ড মেটাল ডিটেকটর ও আর্চওয়ে গেইট স্থাপন করা।
৮) পূজামন্ডপে আগতদের দেহ তল্লাশী এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা।
৯) স্বেচ্ছাসেবকদের এসবি দ্বারা ভেটিং করানো এবং তালিকা সংশ্লিষ্ট থানার প্রেরণ করা।
১০) নারীদের তল্লাশীর ক্ষেত্রে নারী স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে।
১১) স্বেচ্ছাসেবকদের আলাদা পোশাক, দৃশ্যমান পরিচয়পত্র ও স্বেচ্ছাসেবক লিখিত আর্মড ব্যান্ড প্রদান করা।
১২) একসাথে ১০ জনের বেশি মন্দিরে প্রবেশ করবে না এবং একজন হতে অন্যজনের দুরত্ব ৩ ফিট হতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: