রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১২:০২ পূর্বাহ্ন

খরুলিয়ায় মহাসড়কে গাড়ি থামিয়ে ইয়াবা লুট!

  • সময় শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ২১১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া বাজার এলাকায় ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যেই কয়েকবার ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে ওই এলাকায়। এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনাও।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে বাজারের পূর্ব পাশে বাদশা মিয়ার ব্রিজের উপর ইয়াবা বহনকারী নোহা গাড়ি থামিয়ে স্থানীয় একদল মাদক সিন্ডিকেট এ ঘটনা ঘটায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাজারপাড়া এলাকার বহু অপকর্মের হোতা ইউসুফ আলীর ছেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকসহ ডজন মামলার পালাতক আসামী লিয়াকত আলী, তার সহোদর ভাই দেলোয়ার একদল চিহ্নিত মাদক সিন্ডিকেট আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ইয়াবার চালান বহনকারী নোহা গাড়িটির সামনে একটি মোটরসাইকেল ব্যারিকেড দিয়ে গাড়িতে থাকা একটি ব্যাগ ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এসময় গাড়িতে থাকা কয়েকজনের চিৎকার শুনে বাজারে থাকা লোকজন এগিয়ে এলে গাড়িটিও পালিয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রশাসনের তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাট ও শীর্ষ সন্ত্রাসী বহু অপকর্মের হোতা, একাধিক মামলার আসামি লিয়াকতের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী খরুলিয়া বাজারপাড়াসহ রামু, টেকনাফ, কক্সবাজার শহরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এ চক্রের সদস্যরা অভিনব কায়দায় ইয়াবা, বাংলা মদ, ফেনসিডিল ও চোরাই গাড়ি ব্যবসা, জাল নোটের জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি তারা দীর্ঘদিন ধরে সড়কে ডাকাতি, মোটরসাইকেল চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা।

দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে দেশি-বিদেশী মদ, গাঁজা, আফিম, হিরোইন, ফেনসিডিলসহ নানান ধরনের মাদক আড়ৎ গড়ে তুলেছে লিয়াকত। সেখানে রাতদিন ব্যাপী চলছে প্রকাশ্যে সেবন ও কেনা-বেচা। নিজ বাড়ি ছাড়াও আশপাশের কয়েকটি আস্তানায় রক্ষিত থাকে মাদক দ্রব্যসহ বেআইনি মালামাল। নিজের ঘর ও বাড়ির সামনে প্রকাশ্যেই চলে স্থানীয় ও বহিরাগত মাদকসেবীদের আড্ডা।

সম্প্রতি লিয়াকত ও তার বাহিনীর সদস্যরা ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে আবার মাদক ব্যবসা, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধ সংঘটিত করে যাচ্ছেন। কয়েকমাস আগে তবে তার ডান হাত নামে পরিচিত প্রধান সহযোগী সহোদর ভাই রাজা মিয়া বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেও এই সিন্ডিকেটের বিভিন্ন অপকর্মের ভয়াবহতা কমছে না।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে আমরা এখনো কোন খবর পাইনি। খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: