রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

চাচা ভাতিজার ইয়াবা সিন্ডিকেট প্রশাসনের নজরে সাদু সাধারণ মানুষের মুখে কারবারি।

  • সময় রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪১১ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেদন ঃ
উখিয়া পালংখালীর সিমান্ত পয়েন্ট বটতলী একটি বিশাল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচার করে আসছে একাধিক ইয়াবা চক্র। নিয়মিত অভিযানে সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক না হওয়ায় বেশ কয়েকজন দৃস্কৃতিকারীর মাদক সংশ্লিষ্টতা যাচাই করে জানা গেছে- ব্যাক্তি বিশেষে এযাবৎকালের সর্বাধিক ইয়াবা পাচার করেছে বটতলীগ্রামের মুস্তাফিজুর রহমান তাঁর ভাতিজা কপিল, ও জসিম উদ্দিন, তাদের সিন্ডিকেট এর চালান বহন কারী গুলো একাধিক স্থানে গ্রেফতার হলেও বারবার মূল হোতা গুলো রয়ে গেছে,
মুস্তাফিজ ইয়াবার যোগানদাতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে সবচেয়ে ধ্যুর্ত প্রকৃতির একজন ইয়াবার যোগানদাতা। সেও এখনও পর্যন্ত ধরাছোয়ার বাহিরে রয়ে গেছে।

সরকার ঘোষিত মাদক নির্মূল হবে কিন্তু সরজমিন ঘোরে দেখা যাচ্ছে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে মাদক কারবারি গুলো, এখন হাত বাড়িয়ে দিলে আবারও মিলে মাদক যা এখনও আসছে বটতলী সিমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মাদক, স্বর্ণ রোহিঙ্গারা সহ মিলে স্হানীয়দের হাতে করে রাতের অন্ধকারে প্রবেশ হচ্ছে ইয়াবা, বিগত কিছু দিন আগে সরকার ঘোষিত ১৬ ডিসেম্বর এর মধ্যে মাদক নির্মূল করা হবে কথা থাকলে ও মেজর সিনহা হত্যা নিয়ে থমকে দাঁড়ালো সব কিছু, সেই সুবাদে ঘুমিয়ে পড়া ইয়াবা কারবারি গুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিমত প্রকাশ করেন সচেতন মহল।

সরজমিন ঘোরে জানা যায় স্হানীয়রা বলেন দীর্ঘদিন ধরে মুস্তাফিজে ইয়াবা সিন্ডিকেট রয়েছে মাঝে মধ্যে স্বামী স্ত্রী মিলে বিমান যুগে ঢাকা চলে যায় এমন খবর রয়েছে, তার সিন্ডিকেট অন্যতম হচ্ছে ভাতিজা কপিল, ও জসিম, এদের ব্যবহার করে দীর্ঘদিন যাবত চালিয়ে যাচ্ছেন ইয়াবা কারবার মুস্তাফিজুর সাধারণ মানুষের কথা যার একটি কিডনি সমস্যা সেই আগে বাজার গেলে টাকার অভাবে মাছ আনলে তরকারির আনতে কষ্ট হয়ে যেতো এখন আলিসান বাড়ি গাড়ি চলাচল দেখলে বুঝা যায় বলে অভিমত করেন স্হানীয়রা।

সচেতন মহলের দাবি তাদের কারণে আজ যুব সমাজ ধংশের পথে তাদের আইনের আওতায় আনা হোক না হলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব না ইউ-ত বাংলা কমিটির কামাল হোসেন জানান মাদক নির্মূল মানব পচার চক্র গুলো আমরা চিহ্নিত করে আসতেছি অতি শীগ্রই সুন্দর সমাজ উপহার দিব আমরা।

এই বিষয়ে মুস্তাফিজুর রহমান এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি মোবাইল কেটে দিয়ে পরে আর মোবাইল রিসিভ করেন নাই।

এই বিষয়ে উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মর্জিনা আক্তার মর্জু বলেন আমরা ঠিক আগের মতো ইয়াবা কারবারি গুলো চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো কেউ রেহাই পাবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: