শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে মহেশখালীর শ্রমিকনেতা মুসার প্রতিবাদ

  • সময় শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

১৮ সেপ্টেম্বর দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা পত্রিকায় প্রকাশিত শহরের শীর্ষ শ্রমিক লীগ নেতার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে মুসা থেকে মুসাবাবা’ শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত এই সংবাদে উল্লেখিত সব তথ্য-উপাত্ত মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যপ্রণোধিত ও গভীর ষড়যন্ত্রমূলক।

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, বৈধ ব্যবসা হিসেবে আমি মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে শ্রমিক সাপ্লাই দিই। এসব শ্রমিকদের তদারক করার জন্য আমি সব সময় প্রকল্প এলাকায় অবস্থান। সেখানে অত্যন্ত সুনামের সাথে শ্রমিক সাপ্লাই দিয়ে কোম্পানির আস্থা করে কাজ করে যাচ্ছি। আমার উপর কোম্পানির লোকজন সন্তোষ্ট হওয়ায় তারা আমার থেকেই বেশি শ্রমিক সাপ্লাই নেয়। অন্যদিকে আরো কিছু লোক শ্রমিক সাপ্লাইকারী রয়েছে। তারা নানা অনৈকতার আশ্রয় নিয়ে কোম্পানির বিরাগভাজন হয়েছেন। এতে তারা আমাদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মাতারবাড়িতে শ্রমিকলীগকে চাঙ্গা করার জন্য কঠোর পরিশ্রম এবং দলীয় কর্মকান্ড চালিয়ে এসেছি। এতে সন্তোষ্ট হয়ে জেলার নেতারা আমাকে উপজেলার সহ-সাংগঠনিক দায়িত্ব অর্পণ করেছে।

কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের কুচক্রী প্রতিপক্ষ এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মিলে আমাকে থামিয়ে দিতে দীর্ঘদিন ধরে অপচেষ্টা করে আসছে। এর অংশ হিসেবে তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে একটি মিথ্যা মামলায়ও জড়িয়ে দিয়েছিলো। কিন্তু তদন্তে ওই মামলার ঘটনায় আমার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় আমাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়। বর্তমানে আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। এভাবে আমার ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিকভাবে উন্নতি ওই প্রতিপক্ষের সহ্য হচ্ছে না। আমাকে ফাঁসাতে তারা বার বার ব্যর্থ হয়েও অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তারই অংশ হিসেবে আমাদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের কাছে ‘মনোরঞ্জন সাপ্লাই, ইয়াবা ও কথিত অবৈধ কর্মকান্ডের ডাহা জঘণ্য মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করেছে। সাংবাদিকেরা আমার প্রতিপক্ষ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তথ্য যাচাই না করে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেছে। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, শ্রমিক সাপ্লাইয়ের বৈধ ব্যবসা ছাড়া কোনো অবৈধ কাজের সাথে জড়িত নেই।

অন্যদিকে সংবাদে উল্লেখিত তথ্য মতে, জেলার কোনো নেতা আমাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না। রাজনৈতিক খাতিরে যতটুকু সম্পর্ক থাকা দরকার ততটুকুই সম্পর্ক রয়েছে তাদের সাথে। সে প্রেক্ষিতে জেলার কোনো নেতাকে ফার্ণিচার সেট বা অর্থ প্রদান করার প্রশ্নই আসে না। এমন জঘন্য মিথ্যাচার আমার ব্যক্তিগত, সংগঠন ও জেলা নেতাদের চরম মানহানি করা হয়েছে- যা অমাজর্নীয়। এমন মিথ্যাচারমূলক সংবাদ ভবিষ্যতে আর প্রকাশ করা হলে কঠোর আইনানুগ নেয়া হবে।
পরিশেষে আমাকে, আমার সংগঠন শ্রমিকলীগ এবং জেলা নেতাদের সম্মানহানি করে প্রকাশিত এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এব্যাপারে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি।

প্রতিবাদকারী
আবু মুছা কলিমুল্লাহ
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।
মহেশখালী উপজেলা শ্রমিকলীগ।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: