বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন

পালংখালী একাধিক স্থানে থামছে না পাহাড় খেকো দের উৎপাত দিন রাত পাহাড় কাটা উৎসব

  • সময় শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদন।

পালংখালী থামছে না পাহাড় খেকোদের উৎপাত। উখিয়া পালংখালী একাধিক স্থানে নানা অজুহাতে পাহাড় কাটছে একটি চক্র। পাহাড় কেটে তা অবৈধ ডাম্পার করে নিয়ে যাচ্ছে অন্যত্র। তবে পাহাড় কাটা বন্ধে প্রশাসন কোন ইতিবাচক কার্যকরী উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পরিবেশ কর্মীরা।

পালংখালী প্রকাশ্যে চলছে পাহাড় কাটা। প্রতি বর্ষায় ভারী বর্ষনে পাহাড় ধসের অন্যতম কারণ অবাধে পাহাড় কাটা। পালংখালীতে দিনে দুপুরে রীতিমত পাহাড় কাটার মহোৎসব চলছে একদিকে পাহাড় কাটা আর একদিকে ড্রেজার মিশন পরিবেশ মন্ত্রণালয় কিংবা প্রশাসনের কোন প্রকাশ ছাড়পত্র ছাড়াই পাহাড় কাটছে ।
সরেজমিনে দেখা যায়।

কক্সবাজার জেলা উখিয়া উপজেলার পালংখালী থাইংখালী জামতলা শফিউল্লাহ কাটা, গোলামবারীর মসজিদ প্রবেশ রাস্তা অন্তত দশটি পাহাড় কেটে সাবাড় করে দিয়েছে পাহাড় খেকো চক্রটি।

শফিউল্লাহ কাটা পাহাড় কেটে কোটি টাকার দালান উঠে গেছে প্রবাসী হেলাল উদ্দিন এর বাড়ি স্থানীয় বিট কর্মকর্তা কে লাখ টাকায় মাইন্যাস করে এলাকা বাড়ি নির্মাণের পাশাপাশি ইটভাটা মাটির জন্য পাহাড় কাটা হচ্ছে। একই এলাকায় নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক ব্যক্তি জানান, পাহাড় কাটা বন্ধ করার জন্য পাশের কয়েকটি পরিবার অভিযোগ দিয়ে কোন ধরনের রেহাই পাচ্ছে না পরিবার গুলো জানান কখন ভেঙে যায় তাদের বাড়ি গোলামবারীর মসজিদ এর পাশাপাশি বাড়ির ঘর গুলো। স্হানীয় কিছু প্রশাসনের দালাল চক্রের অবৈধ ডাম্পার গাড়ি মালিক বুনেছেন ইয়াবা কারবারি গুলো তাদের ভয়ে কেউ কিছু মুখ খুলতে রাজি হয় না বলে জানান শাহাজাহান ও তার ভাই বাঁশি আরও জানান
পুলিশকে অনুরোধ করেছি কিন্তু পাহাড় কাটা চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় বছর ক্যা বছর পাহাড় কেটে সাবাড় করে দিচ্ছে। তারা সবাইকে ম্যানেজ করে এসব করেছে। ’এসময় তিনি চলিত বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসের আশংকা প্রকাশ করেন। এলাকায় অনেকে এই পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করছে । সেই পাহাড়ের মাটি দিয়ে রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে। তবে এসব ড্রাম গাড়ির মালিক গুলো তারা একদিকে দালাল ও আবার তারা পাহাড় খেকো ও স্হানীয় কামাল মেম্বার এর ভাই আবুল হোসেন একজন প্রশাসনের দালাল কিছু দিন আগে মাটি সহ থানায় আটক হয়ে তার গাড়ি ও মোটা টাকার বিনিময়ে চলে আসে, আকতার কামাল বাপ্পি মিনি ডাম্পার গাড়ি এমন কোনো পাহাড় বাদ পড়েনা তার, সোহরাবউদ্দিন( ভুলু) মিনি ডাম্পার গাড়ি, রেজাউল করিম ছোট্র মিনি ডাম্পার গাড়ি, নুরুল হক মেম্বার মিনি ডাম্পার গাড়ি, শফিকুল আলম জয় মিনি ডাম্পার গাড়ি, ইব্রাহিম আজাদ মিনি ডাম্পার গাড়ি মোহাম্মদ রায়হান চৌধুরী মিনি ডাম্পার গাড়ি মুলত তাহারা প্রভাবশালী হওয়ায় মুখ খুলতে রাজি নয় কেউ।

বিশালয়তনের এসব পাহাড়ের এনজিও দের জন্য একাধিক স্থানে একাধিক জায়গায় পাহাড় কাটা চলছে তেমন ড্রেজার মিশন ও চলছে রাতদিন নিত্য নতুন ড্রেজার মিশন আসতে ও দেখা যায় তবে স্হানীয় বন বিভাগের মাথার উপর চলে এসব দেখে ও না দেখার বাহানা করে থাকেন, এই বিষয়ে থাইংখালী বন বিভাগের অফিসার সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি মোবাইল কেটে দেয়। পালংখালী বন বিভাগের কর্মকর্তা বলেন আমি একা কি করবো আমার অফিসে মাত্র আমরা দুইজন বলে মোবাইল কেটে দেয়।

এই বিষয়ে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন পাহাড় বলেন বালুর খাল বলেন রাতদিন পাহাড় খেকোরা পাহাড় নিধন করে যাচ্ছেন প্রশাসন এর খবর নেই এসব বন্ধ করা জরুরী মনে করি আমি।

পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি এম এ মনজুর বলেন পরিবেশ রক্ষা করতে হলে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে পাহাড় খেকো দের বিরুদ্ধে কুটুর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: