শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন

জ্বিমিইয়ে ঘুমিয়ে পড়া ইয়াবা কারবারি গুলো আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেদন::
ইয়াবা প্রতিটি মুহূর্তে আবারও হাত বাড়ালে পাওয়া যাচ্ছেন ইয়াবা, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিটি মুহূর্তে আটক করলে বিভিন্ন কৌশলে চলে যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম,বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন পুরাতন কারবারি গুলো কেউ কারাগার থেকে এসে জড়িয়ে পড়ছে আর কেউ টেকনাফ এর সাবেক ওসি প্রদীপ এর ভয়ে পালিয়ে থাকা বিদেশে থেকে এসে বেপরোয়া ভাবে চালাচ্ছে ইয়াবা কারবার, জ্বি মিইয়ে ঘুমিয়ে পড়া ইয়াবা কারবারি গুলো আবারও রাস্তা ঘাটে দোকান পাড়ে বসে আড্ডা দিচ্ছি আগে যাদের দেখা মিলিত না তারা এখন মাস্ক বিহীন ঘুরাঘুরি করতে দেখা যায়।
জানা যায় উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়ন এর গোয়াল মারা বাসিন্দা মোহাম্মদ রুস্তম আলী পুত্র মোঃ আতিকুর রহমান প্রকাশ (আতিক্যা) একজন চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী। সেই ইয়াবা ব্যবসায় আতিকুর রহমান এর বিরুদ্ধে কয়েকটি ইয়াবা মামলা ও রয়েছেন এবং কয়েক বার কারাগারে পৌঁছেন এরপর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে। বেপরোয়াভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন ইয়াবা কারবার তাহার বিরুদ্ধে। সাংবাদিক মারধর একটি মামলা ও রয়েছে এলাকায় এসে আবারও চালিয়ে যাচ্ছেন ইয়াবা সিন্ডিকেট করে।
এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে কিভাবে থাকে! প্রতিনিয়ত বাহির কি করে হয় জনমনের প্রশ্ন উঠেছে।এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,সেই ইয়াবা ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে,তার ইয়াবা ব্যবসা জমজমাট চলছে এবং তাহার সাথে আরও কয়েকজন যুক্ত রয়েছে বলে জানা যায়।
বর্তমান সময়ে ইয়াবার চালান এতো বেড়েছে প্রতিদিন লাখের উপরে ইয়াবা আটক হচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এরপর ও রেহাই পেতে যাচ্ছে ওতপেতে থাকা বড় সিন্ডিকেট গুলো বিভিন্ন সময় বড় চালান ইয়াবা আটক হলেও বহালতবিয়ত রয়ে যায় ইয়াবার মহাজন গুলো।
স্হানীয় একজন বলেন আতিকুর রহমান বর্তমান রোহিঙ্গাদের সাথে করে ইয়াবা কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন বেশিরভাগ সময় রোহিঙ্গাদের সাথে কাটে তাঁর, সেই বিষয় আতিকুর রহমান সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে মোবাইল সংযোগ পাওয়া যায়নি।
স্হানীয়দের দাবি ইয়াবা কারবারি যে-ই হোক যদি কারাগারে গিয়ে ও দুই মাস তিন মাসের মধ্যে চলে আসে টাকার উপর তারা ইয়াবা ব্যবসা না, করে কী করবে একবার জামিনে মুক্ত হতেগেলে ৬, থেকে ৭ লাখ টাকার দিয়ে বাহির হয়ে যায় টাকা শোধ করতে দ্বিতীয় বারের মতো জড়িয়ে যায় সেই পেশায়। এরপর ও বাংলাদেশ সরকার একটি এমন আইন করুক যেমন ইয়াবা গডফাদার গুলো বাহির হতে না পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: