শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন

সাগর রাজ্যের কল্পনা

  • সময় মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

কাল্পনিক এক গল্প। গল্পের আগা মাথা সার বস্তু কিছুই নেই।তবুও সংগৃহীত তুলে থরলাম

লেখকের মন ভীষন খারাপ। শরীর ক্লান্ত। চিন্তাশক্তি নেই পরনের পোষাক ঘামে ভেজা।খুবই মাথা ঘুরছে।পায়ের জুতায় কাদা।প্যান্টের নীচে ময়লা মাটি।
সকালে অফিসের শুরুতেই সব টিপটপ ছিল।গত রাতে মোটেও ঘুম হয় নাই।কারন অফিসে এসে একটি প্রতিবেদন দিতে হবে।ভাবনা টা এমন ছিল রাতে ঘুমানোর সময় স্বপ্ন দেখবে আর সেখান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে সকালের প্রতিবেদন লিখব।

কিন্ত ঘুমাতে না পেরে তা আর হল না।অফিসে এসে বাস্তব প্রতিবেদন পাঠানোর ফলে কেউ একজন এমন ধমক দিলেন যে নিরুদ্দেশ হয়ে কাদা মাটি ইত্যাদির মধ্যেই দৌড় দিল। হয়ত স্বাভাবিক ছিল না।
প্রতিবেদন টি ছিল প্রশান্ত মহা সাগরের হর্তাকর্তার কুকর্মের তথ্য দিয়ে।যাই তার লোক যে লেখকের প্রতিবেদন দেখে ফেলেছে তা তো জানে না।
তের নদী সাত সমুদ্র পার হয়েও যে সে জেনে গেছে তা তো জানা নেই।
প্রশান্ত সাগরে সব থেমে গেছে।আকাশ সীমায় বিমান বন্দ জলসীমায় সব ডুবন্ত। লেখকের বিচারের জন্য সবাই মিছিল দিচ্ছে।আর সে তখন ও জানে না তার প্রতিবেদনের মধ্যে কি ছিল।

পরে দেখল সাগরের নিয়ন্ত্রণ কারী জলদ রাজের ফিরিস্তি ছিল।কিন্ত লেখক কে তো সেভাবেই প্রতিবেদন প্রকাশ করতে বলা ছিল।

যাক সে অপরাধের বিচার।শক্ত বিচার হবে ।লেখক চেষ্টা করল কারো সংগে দেখা করে বিচার তার পক্ষে আনা যায় কিনা।উড়া চিলের কথা শুনে তার কাছে গেল ।
যেয়ৃ দেখে সেই মুলত বিচারক। তো উড়া চিল পাখি নিজে লেখকের বিচারক হলেও সে আবার আসামি হয়ে মিষ্টার অভিকর্ষ শক্তির নিকট বন্ধী। অভিকর্ষ তাকে নির্দোষ খালাশ দিবে যদি সে বাতাস হতে নির্দোষ খালাশ হয়।

আর বিচার শেষ না হলে লেখকে তার হন্ত দন্ত অবস্থা হতে রক্ষা পাচ্ছেন না।মিছিল হচ্ছিল ঘন ঘন।কিন্ত যে বিচার করবে সে নিজেও আসামী
আবার তার বিচার যে করবে সেও আসামী ।মুল বিচার করবে বাতাস।।

সে বাতাসেই করবে বিচার কিন্ত সরাসরি না।সে যদি অভিকর্ষ কে খালাস দেয় ,অভিকর্ষ যদি উড়া চিল কে খালাশ দেয় তাহলে লেখক খালাশ না পেলেও বিচারের মুখোমুখি তো হতে পারবে।

প্রশ্ন হল এত খালাশ কি পাবে।কারো যদি খালাশ না হয়ে অন্য কিছু হয় লেখকের কি হবে?তার কি প্রতিবেদন মাঝ সমুদ্রেই থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: