রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন

শাহীন (রুবেল) ইয়াবা ব্যাবসা বেপরোয়া দেখার কেউ নেই

  • সময় শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২০৭ বার পড়া হয়েছে

সায়মন সরওয়ার কায়েম::
ইয়াবা এক সর্বনাশা নাম,মানব সমাজ ধ্বংসের তাগিদে এই নিয়ে নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছেন সাবাইকে। বিভিন্ন শ্রেণীর বিশেষজ্ঞ,অবিভাবক মহল ও প্রশাসনকে ,এই সর্বনাশা ইয়াবা দেশে এত সহজে ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে তা কেউ ভাবতেও পারেনি ,যার প্রভাব পড়েছে দেশের যুব ও ছাত্র সমাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ে।বর্তমানে দেশে ইয়াবার চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে,ইয়াবা পাচারে বাংলাদেশ বিশাল ঝুঁকিতে থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা কান্ডের পর থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী বা ইয়াবা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে দেখা যায়না প্রশাসনের চোখে পড়ার মতো কোন কর্মতৎপরতা যার ফলে বড় ব্যবসায়ীরা আড়ালে থাকলেও চুনুপুটি ব্যবসায়ীরা দিন দিন হয়ে উঠেছে আরও নিয়ন্ত্রণহীন বেপরোয়া। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাদক বিরোধী অভিযানের আদেশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক যুগে ইয়াবা ও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করায় মাদক ব্যবসায়ী বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় রীতিমত আতংকে দিন কেটেছিলেন টেকনাফে বসবাসরত ইসলামাবাদ, বোয়ালখালী এলাকার ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী রুবেল (শাহিন) সিন্ডিকেট,এই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে তার পূর্বে ঠিকানা বোয়ালখালীতে চিনে ইয়বা রুবেল নামে তার পিতার নাম মো:আবুল কাশেম। এই শাহিনের শাশুড় বাড়ী টেকনাফ হওয়ায় সে টেকনাফের বাসিন্দা সুবাদে খুব সহজে ইয়াবা পাচার করে তার শাশুড় বাড়ির কিছু মহিলা আত্মীয় ধারা এবং তা সংগ্রহ করে সয়ং শাহিনের ( রুবেলের ) মা ।জননেত্রী শেখ হাসিনার এই মাদক বিরোধী ক্রসফায়ারের আগ মুহূর্ত পর‌্যন্ত প্রতি নিয়ত ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল শাহিন ( রুবেল ) সিন্ডিকেট,এই ধারাবাহিক মাদক বিরোধী অভিযানের ফলে শাহিন(রুবেল) সিন্ডিকেট গা ঢাকা দিয়েছিলো,তবে ফাঁকে ফাঁকে তাদের অবৈধ ব্যবসা চালিয়েছে এবং এখন প্রশাসনিক চাপ কমে যাওয়ায় পূনরায় পাচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা যায়,আর শাশুড় বাড়ির আত্মিয় থেকে শুরুকরে সিন্ডিকেট টি থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাহিরে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: