রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

শিক্ষার্থীদের আম’রা এক হাজার করে টাকা দেব : প্রধানমন্ত্রী

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেহেতু করো’নাভাই’রাসে সবার জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে এজন্য আম’রা সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিক্ষার্থীদের আম’রা এক হাজার করে টাকা দেব, যাতে করে তারা তাদের কাপড়-চোপড়, টিফিন বক্স ও প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারে।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

করো’নাকালে নেয়া সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজগুলো তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ২১টি প্যাকেজে এক লাখ ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। তা জিডিপির ৪ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। এর বাইরেও ননএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আমা’র বিশেষ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। প্রতিটি ম’সজিদ-মাদরাসায় টাকা পাঠিয়েছি। সরকারের প্রণোদনার বাইরেও আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, কোনো মানুষ যেন ক’ষ্টে না থাকে সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি রেখেই আম’রা এই ব্যবস্থাটা নিয়েছি। অর্থনীতির চাকা’টা যাতে গতিশীল থাকে আর সাধারণ মানুষ যেন ক’ষ্ট না পায় তার জন্য এ ব্যবস্থা আম’রা নিয়েছি। কারণ দেশের মানুষের জন্যই আমাদের এই রাজনীতি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করো’না চলমান এরই মধ্যে এলো ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। তারপর এলো দীর্ঘমেয়াদি ব’ন্যা। একটার পর একটা আ’ঘাত এসেছে। আমি চেষ্টা করেছি দেশের মানুষের যেন ক’ষ্ট না হয়। মানুষ যেন কোনো দুর্ভোগ না পোহায়। আল্লাহর রহমতে সেটা আম’রা কা’টাতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রচেষ্টা মানুষের জন্য কাজ আর সেটাই আম’রা করে যাচ্ছি।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিপদ দেখে ভ’য়ে হতাশাগ্রস্ত যেন না হয়ে পড়ি। বিপদ আসবে। সেটা আমাকে মোকাবিলা করতে হবে। এর জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে। আম’রা সেই প্রস্তুতি নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি। সেভাবে সার্বিক উন্নয়নে আম’রা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আম’রা সাধ্যমতো মানুষের পাশে আছি। মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। যখন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল তখন করো’নাভাই’রাস মোকাবিলা, ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কাজে যে সব মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টতা ছিল তারা কাজ করেছে। আমাদের কিছুদিন থমকে যেতে হয়েছিল। সবকিছু প্রায় বন্ধ অবস্থায় ছিল। সব কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার মধ্যেও সরকার কিন্তু বসে থাকেনি। যার কারণে আম’রা রিজার্ভ ৩৯ দশমিক ৪০ বিলিয়ন মা’র্কিন ডলারে উন্নীত করতে পেরেছি। এখানে অবশ্য আরেকটা কারণ আছে আমাদের খরচ কমেছে।

করো’নাভাই’রাসের কারণে আমাদের বিদেশ যাওয়া নেই, বিভিন্ন অনুষ্ঠান নেই। এসব কারণে আমাদের বেশ সাশ্রয় হয়েছে। সেটা আম’রা মানুষের কল্যাণে ব্যয় করতে পারছি। মা’থাপিছু আয় দুই হাজার ৬৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে। মাঝখানে কিছুদিন রফতানি একটু থমকে গেলেও আমাদের আম’দানি-রফতানি এখন বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে গার্মেন্টগুলো যা চেয়েছে আম’রা সেভাবে দিয়েছি। আমাদের রফতানি যেন ক্যানসেল না করে, যে কারণে অনেক দেশের সরকারপ্রধানের সাথে আমি নিজেও কথা বলেছি।

তিনি বলেন, আমাদের বড় মেগা প্রজেক্টগুলো থমকে গিয়েছিল সেগুলোর কাজ এখন চলমান। ডিজিটাল করে আম’রা সরকারি কার্যক্রমগুলো সক্ষম রাখতে পেরেছি। দেশকে আম’রা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: