সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ১০:২৯ অপরাহ্ন

রামুতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তুলা হয়েছে পোল্ট্রি খামার,দৃষিত হচ্ছে পরিবেশ

  • সময় মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

রামু সংবাদদাতা::
দেশের পরিবেশ-আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যেখানে সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গড়ে তুলা হচ্ছে পোল্ট্রি খামার। যার কারণে মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ, মানুষের বসবাস স্থল ও পরিবেশ ভারসাম্যের ক্ষতি হয় এমন আশপাশ ও চলাচলের পথে পরিবেশ দূষিত এমন কিছু না করার বিষয়ে পরিবেশ আইনে নিষেধ থাকলেও মানছে না তারা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়ার ঘোনা টেইলাপাড়া,কাউয়ারখোপ মধ্যমপাড়া,কাউয়ারখোপ পুর্বপাড়া ও মৈশকুম সড়কের পাশে খোলা স্থানে গড়ে তোলা খামারগুলোতে নেই কোন পরিচর্যা,নেই কোনো বিষ্ঠা পেলার নিদিষ্ট স্থান, মাচাং দিয়ে উপড়ে রাখা মুরগীর পায়খানাগুলো নিচে কাদা পানিতে পড়ে তার থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং জন্ম হচ্ছে মশা মাছির উপদ্রব। কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মৈশকুমে একজন পোল্ট্রি খামার ব্যবসায়ী মোঃ হাসান তালুকদার পিতা মৌলানা গোলাম কাদের তার পোল্ট্রি খামারের বজ্য মুলমত্র ফেলার কোন নিদ্রিষ্ট স্হান নেই, ফার্মের পাশে আবাধ জমিতে ফেলে দেয়,যার কার্রনে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে,ফার্মের গন্ধে লোকজন হাটার সময় মুখে হাত দিয়ে চলাচল করতে হয়। তার খামারের পাশের জমির মালিক কৃষক জাফর আলম জানান, তার ৪০ শতক জমিতে মলমু্ত্রে গ্রাস করে ফেলার কারণে ধান ফলাতে পারেনাই,বর্তমানে পাশের অন্যন্যা জমিতে চাষ করতে পারলেও কৃষক জাফর আলম তার জমিতে ফসল ফলাতে পারেনাই। তাছাড়া তিনি আরও জানান খোলা স্থানে মলমুত্র রাখার কারনে সাধারন জনগন ও স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় পড়ুয়া চলাচলের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তিরা জানান,এই খামারের একটু পুর্বে রয়েছেএকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়,একটু পশ্চিমে রয়েছে মসজিদ ও মাদ্রাসা। সেখানে প্রতিদিন ছাত্র-ছাত্রীরা যাতায়াত করে এবং কাউয়ারখোপ হাকিম রকিমা উচ্চ বিদ্যালয়ে আসে বহু ছাত্র-ছাত্রী। এই সব খামারের মুলমত্র ফেলার নিদিষ্ট স্হান নাই,ফলে ছোট ছোট বাচ্ছাদের রোগাআক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী, আর পাশের জমি গুলোতে কৃষি চাষ করতে পারেনাই। আমি এই অসাধু পোল্ট্রি ব্যবসায়ী হাসানের দৃষ্টান্ত শাস্তি দাবী করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও কৃষি জমি বাচানোর জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানেটারী ইন্সপেক্টর মমতাজ উদ্দিন জানান, এসব ময়লা আবর্জনা থেকে মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ে। আর এসব দুর্গন্ধ মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে তার থেকে বিভিন্ন রোগ জন্ম নিবে। তাছাড়া পোল্ট্রি খামার করার জন্য সরকারে সুনিদিষ্ট একটা নীতিমালা আছে। জনবসতি থেকে দুরে,স্বচ্ছ ও পরিষ্কার পরিবেশে খামার গুলা করা প্রয়োজন। যদি কেউ সরকারের নীতিমালা না মেনে খামার করে থাকে তাহলে তারা পরিবেশ আইনে শাস্তির আওতায় আসবে। তবে আমরা উক্ত খামারগুলার বিরুদ্ধে খুব শ্রীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করব।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: