শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারে কাঁচা মরিচের দাম আকাশ ছুঁয়েছে

  • সময় শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

শাহীন রাসেল,স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট:
কক্সবাজারে কাঁচা মরিচের দাম নিয়ে চলছে অস্থিরতা। বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো ক্রেতাদের থেকে দাম নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সপ্তাহ খানেক আগেও যে কাঁচা মরিচ ছিলো ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা সেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি প্রায় ১৫০ টাকা।
বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে গিয়ে ধাক্কা খাচ্ছেন ক্রেতারা। বন্যা আর বৃষ্টিতে ক্ষেত ডুবে গিয়ে মরিচগাছ নষ্ট হচ্ছে। অনেক এলাকায় ক্ষেত থেকে মরিচ সংগ্রহও করা যাচ্ছে না। আবার সরবরাহেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তারই প্রভাব পড়েছে দামে। বিক্রেতারা এমন যুক্তি দেখালেও অতিরিক্ত দাম আদায়ের চিত্র দেখা গেছে কক্সবাজার জেলার বাজারগুলোতে।
বৃহস্পতিবার সদরের খরুলিয়া, উপজেলা গেইট, বড় বাজার, কালুর দোকান, রামুর ফকিরা বাজারসহ বিভিন্ন জায়গা ঘুরে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২৫০ টাকা থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে কাঁচা মরিচের দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে বাগবিতন্ডা হতে দেখা গেছে। এদিন রামুর ফকিরা কাঁচা বাজারে আসা শ্রাবনী নামের এক নারী কাঁচা মরিচের দাম শুনে বিক্রেতার সঙ্গে রীতিমতো হইচই শুরু করেন।
তিনি বলেন, বাজারের একজন খুচরা বিক্রেতা তার কাছে ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচের দাম চান ৮০ টাকা। আর এক কেজি বা এর বেশি কিনলে ৩০০ টাকা রাখা যাবে। দুদিন আগেও যেখানে ১৬০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ কিনেছি। আজ সেখানে তার দাম হলো ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা।
মামুন নামের এক ক্রেতা বলেন, কোনো ইস্যু ছাড়াই হঠাৎ করেই কাঁচা মরিচের এতো দাম বাড়ায় আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের অনেক কষ্ট হয়। কেননা এটা নিত্য প্রয়োজনীয় সবজি। সরকারের এদিকে নজর দেয়া উচিত।
অপরদিকে সদরের উপজেলা গেইট বাজারে আসা শফি আলম নামের একজন শিক্ষক বলেন, বাজারে এসে কাঁচা মরিচের দাম শুনে হতাশ। ভেবেছিলাম ১ কেজি কিনবো। কিন্তু বেশি দামের কারণে ২৫০ গ্রাম কিনতে হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন বিক্রেতার কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আড়ত থেকে বেশি টাকায় তারা মরিচ কিনেছেন। তাই খুচরাও বেশি দামে বিক্রি করছেন।
শহরের বড় বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী শুক্কুর বলেন, আগামীকাল শুক্রবার। সরকারি ছুটি। তাই কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। সপ্তাহ খানেক আগেও আমরা কেজি প্রতি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করেছি। কিন্তু আজ আরত থেকেই বেশি দামে কিনতে হয়েছে।
খুচরা ব্যবসায়ী বদি আলম জানান, দেশে যে পরিমাণ কাঁচা মরিচের উৎপাদন হয় তা দেশের জন্য পর্যাপ্ত নয়। প্রতিবছরই বন্যা বা বর্ষা মৌসুমে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে থাকে। পরে ইন্ডিয়া থেকে মরিচ এলে দাম কমে যায়। কিন্তু এ বছর করোনার কারণে ইন্ডিয়া থেকে মরিচ কম আসায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: