কুতুপালং ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে  দফায় দফায় গুলাগুলি আহত পাঁচজন

কুতুপালং ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দফায় দফায় গুলাগুলি আহত পাঁচজন

বিশেষ প্রতিবেদন।

রোববার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ৩ জন প্রতিপক্ষ গ্রুপের হাতে অপহরণের শিকার হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা নুর বশর জানান, দীর্ঘদিন ধরে রেজিস্টার্ড ও আনরেজিস্টার্ড ক্যাম্পের দুই গ্রুপের মধ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গত বুধবার থেকে দফায় দফায় গুলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ রোববার লম্বাশিয়া মাস্টার মুন্না এবং হাফেজ জাবের ও সাইফু্র গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মুন্না গ্রুপের ৫ জন আহত এবং ৩ জন অপহরণ হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি৷ আহতদের কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে ওই রোহিঙ্গা নেতা জানান।

এর আগে শনিবার সংঘর্ষের ঘটনায় নারীসহ ৩ জন আহত হয়েছে। এ সময় দায়ের কোপে আহত ২ নারীকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর গুলিবিদ্ধ নুর আলমকে প্রথমে কক্সবাজার পরে চট্টগ্রাম হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। সে কুতুপালং টু-ইস্ট ক্যাম্পের আহমদ হোসেনের ছেলে। তার অবস্থা আশংকাজনক বলে সূত্র জানিয়েছে।

এইসময় কিছু রোহিঙ্গারা ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে দেখা আল ইয়াকিন গ্রুপ এর ভয়ে একজন রোহিঙ্গা জানান তাহারা ভয়ে মুখ খুলতে রাজি নয়, তবে ক্যাম্পে বিভিন্ন গ্রুপ সৃষ্টি হয়েছে বর্তমান।

এর আগে ২৫ আগষ্ট রইক্ষ্যং ২২ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১১ জন আহত হয়েছিল গুলা গুলিতে ৬ জন কে অস্ত্র সহ আটক করে ছিলেন প্রশাসন অভিযান চালিয়ে গত কিছু দিন আগে ক্যাম্প ২১ ও এই ঘটনা ঘটে পরে আল ইয়াকিন গ্রুপ দাওয়া খেয়ে পালিয়ে বেড়ালে ও বর্তমান সেখানে বৈদ্য গ্রুপ নামে একটি সশস্ত্র গ্রুপ তৈরী হয়েছে পরিচালনা করে ইয়াবা কারবারি গুলো মাস্টার ছৈয়দ সালাম, ও হেড মাঝি তোহা।

কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ মো. খলিলুর রহমান খানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে রয়েছেন বলে ফোন কেটে দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: