মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন

এনজিও চালান, ইয়াবা ব্যবসাও করেন টেকনাফের ফরিদ

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের জাহালিয়াপাড়ার নুর মোহাম্মদের ছেলে ফরিদ আহমদ (৪০) একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার ইয়াবা ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রয়েছেন নব্য কোটিপতি উত্তর লেঙ্গুরবিলের মৃত ছৈয়দ আহমদের পুত্র বশির আহমদও জেলে বেশে ইয়াবা ব্যবসা করেন বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি তাদের দুইজনের ৬০০০ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে ঢাকা পাঠালে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর লেঙ্গুরবিল এলাকার হোসেন আহমদের ছেলে ও ফরিদ আহমদের ভাগিনা ৮ম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত মোঃ রাসেল রমনা থানায় ধরা পড়েন

এ ঘটনায় ঢাকা রমনা থানায় পলাতক আসামী হিসেবে জাহালিয়াপাড়ার নুর আহমদের ছেলে ফরিদ আহমদের বিরুদ্ধে মামলা হলে বশির আহমদের জায়গায় পিতার নাম ভুল দেয় আটক রাসেল। বশির আহমদের পিতার নামের ভুলের কারণে অপর দিনমজুর, কৃষক, অসহায় বশির আহমদ পিতা আবদুর রহমান দীর্ঘ ৯ মাস কারাগারে ছিলেন। পরে বিভিন্ন মানুষের দেয়া আর্থিক সার্হায্য, ধার নিয়ে বশির আহমদ জামিনে আসে।

জামিনে আসার পর কারাভোগ করা বশির আহমদ পিতা আবদুর রহমান, গ্রাম উত্তর লেঙ্গুরবিল বিষয়টি ইয়াবা ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদের ছেলে ফরিদ আহমদ ও মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে বশির আহমদকে জানালে তারা ক্ষতিপূরণ বাবদ জামিনে খরচ বহন করবে জানালে আজ ৩ মাস অতিবাহিত হলেও কোন খরচ তারা বহন করেনি। উল্টো হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলে নিরীহ বশির আহমদ।

এব্যাপারে স্থানীয়ভাবে শালিস হলে ইয়াবা ব্যবসায়ী বশির আহমদ পিতা ছৈয়দ আহমদ উত্তর লেঙ্গুরবিল কাছে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেয়ার শালিস হয়। তাতেও বশির আহমদ এই টাকা দিতে নারাজ।

বশির আহমদ পিতা ছৈয়দ আহমদ উত্তর লেঙ্গুরবিল সে জানায়- রাসেল আটক ইয়াবা আমার টিক আছে। আমি ইয়াবা ব্যবসা প্রশাসনকে টাকা দিয়ে করি। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করতে আসছিল বাড়িতে -চৌকিদার সাইফুলের মাধ্যমে তাকে ২ লাখ দিয়ে ম্যানেজ করে পিতার নাম ঘুরায় দিছি। তাই আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়নি।

নামের মিল থাকায় নিরীহ বশির আহমদ পিতা আবদুর রহমান ৯ মাস কারাভোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সে আরো জানায়-আমার পার্টনার ফরিদ আহমদসহ দুইজন মিলে বশির আহমদকে টাকা দেয়ার কথা ছিল। ফরিদ আহমদ আমার ইয়াবা আত্মসাত করেছে,তাই আমি টাকা দেব না।

আরো অভিযোগ রয়েছে- ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারীতে ঢাকা রমনা থানার ২০/৬৬ মামলার ৪ নম্বর পলাতক আসামী ইয়াবা ব্যবসায়ী ফরিদ আহমদ টেকনাফে নিয়মিত সিএনজিও চালান ও ইয়াবা ব্যবসা করেন। তার বিরুদ্ধে থানায় গ্রেপ্তারী পরোয়ানাও রয়েছে। এখনো পুলিশের কাছে ধরা পড়েনি।

মামলার বিষয়ে ফরিদ জানায়-আমি চৌকিদার সাইফুলের মাধ্যমে সব ম্যানেজ করেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: