সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ১১:১৫ অপরাহ্ন

হোয়াইক্যং চাকমার কুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও রাতের অন্ধকারে আরসা গ্রুপ ও বৈদ্য গ্রুপ মহড়া।

  • সময় বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদন।
টেকনাফের হোয়াইক্যং চাকমার কুল ক্যাম্পে রাতের অন্ধকারে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে তবে এসব গ্রুপ হচ্ছে বৈদ্য গ্রুপ নামকরণ করে ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন ক্যাম্প ২১ এর ইয়াবা ও হুন্ডি সম্রাট মাস্টার ছৈয়দ সালাম, হেড মাঝি তোহা তাদের নিয়ন্ত্রণে চলছে এসব অপরাধ কর্মকাণ্ড মূলত।
২৫ আগষ্ট ভোর ৫টারদিকে টেকনাফের রইক্ষ্যং পুটিবনিয়া ক্যাম্পের উত্তর-পশ্চিমে পাহাড় হতে স্বশস্ত্র আরসা গ্রুপের একটি গ্রুপ সি-ব্লক পয়েন্টে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে ক্যাম্পের সাধারণ রোহিঙ্গারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া করে। এসময় উভয়পক্ষের সকাল ৭টা পর্যন্ত ৫০/৬০ রাউন্ডের অধিক ফাঁকা গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় ক্যাম্পের মাঝি ও সাধারণ রোহিঙ্গারা স্বীকার করেন। এই সন্ত্রাসীরা উক্ত ক্যাম্পের ২২হাজার রোহিঙ্গাদের জিম্মি করে আসছে। গতকাল ৬ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী অস্ত্র আটক করা হলেও।
এই স্বশস্ত্র গ্রুপটি পাহাড়ে অবস্থান নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানোর পাশাপাশি ডাকাতি, মাদক কারবার, অপহরণ এবং সুন্দরী রোহিঙ্গা রমনীদের ধরে নিয়ে শ্লীলতাহানি করে আসছে এবং রাতের অন্ধকারে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ইয়াবার চালান প্রবেশ করায় বলে জানান রোহিঙ্গারা।
বিশেষ সুত্রে জানা যায় হোয়াইক্যং ইউনিয়ন এর মাঝে দুই টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প অবস্থিত এই দুই ক্যাম্পে আল ইয়াকিন গ্রুপ এর নাম পাল্টিয়ে বৈদ্য গ্রুপ নামকরণ করে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে যাচ্ছেন বলে জানান স্হানীয় ও রোহিঙ্গা সুত্রে এদের মূল হোতা হচ্ছে। কেরুনতলী চাকমার কুল ক্যাম্প ২১, মাস্টার ছৈয়দ সালাম তাহার রয়েছে বিভিন্ন গ্রুপ থেকে শুরু করে ইয়াবা সিন্ডিকেট ও হুন্ডি সম্রাট বলে জানা যায়, সেই সাথে জড়িত রয়েছে। ক্যাম্প ২১ হেড মাঝি তোহা (২৮) সাবেক আতাউল্লাহ মাঝি (৩৮) জুবায়ের(২৯) এদের প্রধান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন ক্যাম্প ২১ এর হেড মাঝি তোহা বিশেষ সুত্রে জানা যায় গতকাল রইক্ষ্যং ক্যাম্প ঘটনার জন্য বাড়া হিসেবে আরসা গ্রুপ এর বিশ থেকে ত্রিশ জন লোক পাঠিয়েছে তোহা মাঝি।
রোহিঙ্গাদের দাবি তোহা মাঝি গ্রেফতার এই বাহির হয়ে আসবে আরসা গ্রুপ মূল চাবিকাঠি, এই বিষয়ে তোহা মাঝির নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে সেই সংবাদ কর্মী কে উল্টো আল ইয়াকিন গ্রুপ বলে আখ্যা দেয়? এবং পরে মোবাইল করে জানান তোহা মাঝি নাকি আল ইয়াকিন গ্রুপ এর কেউ মনে করেছেন তাহার সাথে বেশি মসকারা করে তাই। অস্ত্র মহড়ার কথা জিজ্ঞেস করা হলে জানান অস্ত্র ছিল না লাঠি নিয়ে ঘোরাঘুরি করছেন এই কথা জানান।
একজন রোহিঙ্গা জানান সাবেক আল ইয়াকিন আতাউল্লাহ পাহাড়ে রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে তাহাকে লালন পালন করে আসছে তোহা মাঝি।
এসবের মূল ইনভেষ্টমেণ্ট হচ্ছে মাস্টার ছৈয়দ সালাম তাহার ইয়াবা চালান প্রবেশ করার জন্য তাদের সমস্ত খরচ বহন চালান সেই। গত কোরবানি ঈদে গরু কিনে সমস্ত বৈদ্য গ্রুপ কে বিলীন করে দেয় ও জানা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: