শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন

বাইরে বের হলে মনে হয় দেশে করো’নাই নেই: ওবায়দুল কাদের

  • সময় মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

প্রাণঘাতী করো’নাভাই’রাস শিগগিরই চলে যাবে বা চলে যাচ্ছে এমন মনে করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তুলনা করলে করো’না সংক্রমণে বাংলাদেশের অবস্থান ভালো হলেও আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। এরই মাঝে রাজধানী ঢাকায় সংক্রমণ বেড়েছে। এ অবস্থায় বাইরে বের হলে মনে হয় দেশে করো’নাই নেই।’

আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কুমিল্লা জোন, বিআরটিএ এবং বিআরটিসি’র কর্মক’র্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় সভায় যু’ক্ত হন।

দেশের করো’না সংক্রমণ পরিস্থিতি তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশে করো’না সংক্রমণ একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিদিনের সংক্রমণ এবং মৃ’ত্যুর সংখ্যা একটি ট্রেন্ড ধরে চলছে। বাড়ছেও না, আবার কমছেও না।’

তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ মানুষ মাস্ক পরিধান করছে না। এ ধরনের অবহেলা ভয়ঙ্কর ঝুঁ’কি বাড়াতে পারে। অনেক দেশে ইতোমধ্যে দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হয়েছে। তাই আমাদের স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনসহ বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরে বাইরে বেরুতে হবে। খুব শিগগিরই চলে যাবে এমন না ভেবে ঝুঁ’কি এড়িয়ে চলতে হবে।’

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকার কূটনীতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে এসময় জানান সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমা’রের ওপর চাপ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। রোহিঙ্গা সংকটে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উদারতার পরিচয় দিয়েছেন তা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, একদিকে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে কূটনৈতিক তৎপরতা জো’রদার করার পাশাপাশি ভাসানচরে পূনর্বাসনের প্রস্তুতিও চলছে। এ সংকটে আমাদের পরিবেশ, প্রতিবেশ, পর্যটন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আগ্রহ কমে গেলে ১১ লাখ অ’তিরিক্ত মানুষের বোঝা বাংলাদেশে কিভাবে বইবে? এ বিষয়ে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, গণপরিবহনের বিষয়ে সম্প্রতি পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বিআরটিএ সভা করেছে। সে সভা’র সুপারিশ সরকারের বিবেচনার জন্য পেশ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এবং বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহনের পুরনো ভাড়ায় ফিরে যাওয়ার বিষয়টি সরকার চিন্তাভাবনা করছে।

তিনি বলেন, পরিবহনে মাস্ক পরিধান শতভাগ বাধ্যতামূলকসহ দাঁড়িয়ে যাত্রী নেয়া যাবে না। যাত্রীদের সিটে বসে ভ্রমণ করতে হবে। মালিক-শ্রমিকদের সাথে আলোচনার পর আমি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং কেবিনেট সচিবের সাথে কথা বলেছি। শীঘ্রই এ বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: