মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন

২১ আগস্ট নিহতদের স্মরণে যুবলীগের আলোচনা সভা

  • সময় শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
২১ আগস্ট গ্রেডেন হামলায় সকল শহীদদের স্মরণে কক্সবাজার পৌর যুবলীগের আওতাধীন ১নং ওয়ার্ড যুবলীগ এ-র উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেল চারটায় বৃহত্তর সমিতি পাড়া মাদ্রাসায় আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর এবং প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সোহেল।
আলোচনা সভায় যুবলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট হামলা একই সূত্রে গাঁথা। ১৫ আগস্টএর মাস্টার মাইন্ড ছিলেন জিয়াউর রহমান আর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ড ছিলেন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে।
যুবলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী’ সমাবেশে অকল্পনীয় এক নারকীয় গ্রেনেড হামলার ঘটনা বাংলাদেশে এক কলঙ্কময় অধ্যায়ের জন্ম দেয়।
তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত পৈশাচিক এই হামলায় সেদিন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী ও মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী বেগম আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হয়েছিলেন। শুধু গ্রেনেড হামলাই নয়, সেদিন তাদের প্রধান টার্গেটে থাকা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার গাড়ি লক্ষ্য করেও চালানো হয় ছয় রাউন্ড গুলি। শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও আহত হন, তার শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

‘২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের পেছনে ছিলেন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, দেশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা, কয়েক জন শীর্ষ জঙ্গি আর পাকিস্তান। পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টের মতোই ২১শে আগস্টের হামলার ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হয়েছিল। ঐ সময়ের (২০০৪ সালের) কিছু জঙ্গি নেতাদের নিয়ে হাওয়া ভবনে বসে ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবকিছু চূড়ান্ত করেন। হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে তাদের আর্জেস গ্রেনেডও সরবরাহ করে পাকিস্তান। আর হামলা শেষে পাকিস্তান ঘাতকদের আশ্রয়ও দেয়। মূলত আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।’
নেতৃবৃন্দ এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞের সাথে জড়িত সকল কুশলীবদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন। সভা শেষে ২১শে আগস্ট নিহতদের স্মরণে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
১নং ওয়ার্ড যুবলীগ এর সভাপতি মোস্তাক আহমদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন, পৌর যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক শাহেদ মো. এমরান, যুবনেতা কুতুব উদ্দিন, দিদারুল ইসলাম রুবেল, জাহাঙ্গীর আলম, রিগ্যান আরাফাত, মো. ফারুক, মিজানুর রহমান হিমেলসহ যুবলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: