টেকনাফ জাদিমোরা থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার মালিকবিহীন ইয়াবা উদ্ধার বিজিবি।

টেকনাফ জাদিমোরা থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার মালিকবিহীন ইয়াবা উদ্ধার বিজিবি।

নুরুল বশর কক্সবাজার।

হ্নীলায় বিজিবি জওয়ানেরা অভিযান চালিয়ে দক্ষিণ জাদিমোরা ওমরখাল হতে ৩লাখ ৯০হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এখন দেশ ও জাতির চরম ক্রান্তিকালে রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় সংঘবদ্ধ মাদক কারবারী চক্রের অপতৎপরতা বন্ধ করা যাচ্ছেনা। এসব পয়েন্টে মাদকের অপতৎপরতা বন্ধ করতে হলে রোহিঙ্গাদের কাঁটা তারের বেড়ায় রাখার পাশাপাশি স্থানীয় মাদক কারবারীদের কঠোর হাতে দমনের দাবী উঠেছে।

সুত্র জানায়, গত ১৫ আগষ্ট রাত পৌনে ৮টারদিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের দমদমিয়া বিওপির বিশেষ একটি টহল দল মিয়ানমার হতে মাদকের চালান আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ জাদিমোরা ওমর খাল পয়েন্টে কৌশলী অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর ৩/৪জন মানুষ কাঁধে বস্তায় করে উপকূলে ওঠার সময় বিজিবি জওয়ানেরা চ্যালেঞ্জ করলে বস্তা ফেলে কেওড়া বন দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ৫টি বস্তা পাওয়া যায়। যা ব্যাটালিয়ন সদরে নিয়ে গণনা করে ৩লাখ ৯০হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়।

যা পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে বলে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) নিশ্চিত করেন।

এদিকে টেকনাফবাসীর ক্রান্তিকালে বৃহত্তর জাদিমোরার দক্ষিণ জাদিমোরা, জাদির তলা, বৃটিশ পাড়া, জাইল্যাঘাট, নয়াপাড়া ও মোচনীর স্থানীয় প্রভাবশালী এবং রোহিঙ্গা মাদক কারবারীদের সমন্বয়ে মাদকের চালান খালাস, মওজুদ এবং পাচার অব্যাহত রয়েছে। উক্ত এলাকার মাদক কারবারীরা এখন টমটম এবং অটোরিক্সাযোগে আলীখালী, রঙ্গিখালী, নাটমোরা পাড়া, পশ্চিম সিকদার পাড়া, ছোট লেচুয়াপ্রাং, হ্নীলা ষ্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছে। তাদের যেকোন মূল্যে কঠোর হাতে দমনের দাবী উঠেছে।

অপরদিকে গত ১৪ আগষ্ট রাতে পূর্ব লেদা সীমান্ত পয়েন্ট হতে ২লাখ ৬০হাজার ইয়াবার চালান খালাসের সময় লেদা নুরালী পাড়ার লেইংগ্যা হোছনের পুত্র রবি আলম এবং মোঃ নুর গং ইয়াবার চালান খালাসের নামে আতœসাত করার অভিযোগে রোহিঙ্গা মাদক কারবারীরা তাদের পিতা লেইংগ্যা হোছনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে ডাকাত খালেক দাবী করেন।

তবে অভিযুক্ত রবি আলমের দাবী, রোহিঙ্গাদের এই মাদকের চালান ডাকাত আব্দু খালেক গং ছিনিয়ে নেয়। এই ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ডাকাত খালেক গং ক্ষুদ্ধ হয়ে আমার বৃদ্ধ পিতা হোছনকে অপহরণ করে নিয়ে বিভিন্ন মুঠোফোনে খালেকের নাম দিয়ে মুক্তিপণ দাবী করছে।

স্থানীয়দের দাবী খালেক ও রবি আলম গং প্রায় সময় মাদকের চালান খালাসের লুটপাট করে আসছে এবং এলাকায় অস্ত্রবাজির মাধ্যমে আতংক সৃষ্টি করে আসছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: