শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন

উপজেলা প্রেসক্লাব-উখিয়া’র উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত।

  • সময় রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী, উখিয়াঃ
স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উপজেলা প্রেসক্লাব উখিয়া’র পক্ষ থেকে শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

শনিবার করোনা পরিস্থিতির জন্য সীমিত আকারে দিবসটি পালিত হয়। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রেসক্লাব উখিয়া এর উদ্যোগে আয়োজিত শোক র‍্যালী বের করা হয়, এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা প্রেস ক্লাব উখিয়ার আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসে স্বাধীনতার মহান স্হপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জীবন ও মহান কীর্তি সম্পর্কে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ও সহ যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর শাহরিয়ার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন, মরজান আহমেদ চৌধুরী, শরিফ আজাদ, আবদুল হাকিম, শাহেদ হোছাইন মুবিন, নুরুল আলম সিকদার, আবুজার গিফফারী, সালাউদ্দিন, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ আরিফ, সহ সকল সদস্যবৃন্দ।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বঙলী,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদদের আত্তার মাগফিরাত কামনা করেন। এসময় সকলে দাড়িয়ে ১ মিনিট নিরোবতা পালন করেন। বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলার মানুষের জন্য উজ্বল নক্ষত্র। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করতে হবে। তার নেতৃত্ব ছিলো বলিষ্ঠ। কিছু কুচক্র মহল সরযন্ত্রের মধ্যোমে বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীন বাংলাদেশে বাচতে দেয়নি। বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবাবের ১৭ জন সদস্যকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। ভাগ্যের জোরে বেচে গিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তার বোন শেখ রেহেনা। তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করতে হবে। শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করতে হবে। যে বাংলায় বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকতে পারেনি, সেই বাংলায় তার খুনিদের স্থান দেওয়া হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শুরু করেন। অনেক খুনির ফাসি হলেও এখনো কিছু খুনিরা পালিয়ে রয়েছেন। তাদের অনতি বিলম্বে বাংলার মাটিতে বিচারের দাবী জানান বক্তরা।

আলোচনা শেষে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের আত্তার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: